শিরোনাম
ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৬৮৪প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে যুক্ত হচ্ছে নতুন ৪ বইআজ ৮১তম জাতিসংঘ দিবসবিশ্ববাজারে ৬ মাসের সর্বোচ্চে তেলের দামইউরোপে পোশাক রপ্তানিতে চাপে বাংলাদেশরাজধানীর যেসব এলাকায় ৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না১৪১ ফ্লাইট বাতিল, দুর্ভোগে ২১ হাজার ৯৩৩ যাত্রীআজ থেকে রাত ৮টায় বন্ধ হবে মার্কেট-দোকানপাটভারত থেকে আনা ১৩৫ টন চালে মিলল বিষাক্ত উপাদানডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, ভর্তি ১২৯৯হাম উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যুডিএমপির অভিযানে গ্রেপ্তার ৪৭৭এনসিপির নতুন আহ্বায়ক নাহিদ, সদস্যসচিব আখতারইউরোপ থেকে ফেরত ৩৫ বাংলাদেশিশীতের সবজি বাজারে, কমল কিছু পণ্যের দাম
down of head

নিলামে ৫ কোটি ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক

প্রায় সাড়ে তিন মাস পর আবার বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বাজারে ডলারের সরবরাহ বেড়ে দাম কমতে শুরু করায় মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) নিলামের মাধ্যমে চারটি ব্যাংক থেকে ৫ কোটি মার্কিন ডলার কেনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। প্রতি ডলারের দাম নির্ধারণ করা হয় ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা। এর আগে, গত ২০ মে ব্যাংক থেকে ডলার কিনেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মঙ্গলবার সকালে আন্তঃব্যাংক বাজারে ডলারের দর তুলনামূলক নিচে ছিল। রেমিট্যান্স হাউজ থেকে ব্যাংকগুলো ১২২ টাকা ৩০ থেকে ৪০ পয়সা দরে ডলার সংগ্রহ করেছে। একই সময়ে আমদানি দায় বা এলসি নিষ্পত্তির দর ছিল ১২২ টাকা ৫০ থেকে ৬০ পয়সা।

দুপুর ১টার দিকে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে ডলার কেনার সিদ্ধান্ত জানায় বাংলাদেশ ব্যাংক। সাধারণত এ ধরনের সিদ্ধান্ত সকালেই জানানো হয়। ফলে দিনের শুরুতে অনেক ব্যাংক তুলনামূলক কম দরে বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের এলসি নিষ্পত্তি করেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা দরে ডলার কেনার ঘোষণা দেওয়ার পর বাজারের চিত্রও বদলে যায়। বিকেলে অনেক ব্যাংক একই দরে রেমিট্যান্সের ডলার কেনা এবং এলসি নিষ্পত্তি শুরু করে।

একটি বাণিজ্যিক ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে বাজারে স্পষ্ট বার্তা গেছে যে, ডলারের দর ১২২ টাকা ৭৫ পয়সার নিচে নামতে দেওয়া হবে না।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, বর্তমানে ব্যাংকগুলোর হাতে ডলারের সরবরাহ স্বস্তিদায়ক পর্যায়ে রয়েছে। একই সঙ্গে আমদানি দায় পরিশোধের চাপও কিছুটা কমেছে। বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ দুর্বল থাকায় বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা আগের তুলনায় কম। ফলে সরবরাহ চাহিদার চেয়ে বেশি থাকায় ডলারের দর নিম্নমুখী ছিল।

গত কয়েক সপ্তাহে ডলারের দরে বেশ ওঠানামা দেখা গেছে। গত সপ্তাহের শেষ দিকে দর ১২৩ টাকা ৬৫ পয়সা পর্যন্ত উঠেছিল। আবার দুই সপ্তাহ আগে দর নেমে এসেছিল ১২২ টাকায়।

আগামী মাসে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) কিছু বৈদেশিক পরিশোধের সময় আসায় ডলারের চাহিদা আবার বাড়তে পারে বলে ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে।

সম্পর্কিত খবর