শিরোনাম
icon কম দামে এলএনজি কিনবে সরকার icon সূচকের পতন, লেনদেন ৪৩০ কোটি টাকা icon গ্যাস সংকটে আবারও বন্ধ যমুনা সার কারখানা icon ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকোর বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon আফতাব অটোর বোর্ড সভা ২৯ অক্টোবর icon ওয়াটা কেমিক্যালের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon মেঘনা সিমেন্টের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon রহিমা ফুডের বোর্ড সভা ২৭ অক্টোবর icon অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্সের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon সাইবার হামলায় জনতা ব্যাংকের ওয়েবসাইট icon বসুন্ধরা পেপারের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমসের বোর্ড সভা ২৭ অক্টোবর icon সামিট পাওয়ারের বোর্ড সভা ২৭ অক্টোবর icon সাইনপুকুর সিরামিকসের বোর্ড সভা ২৯ অক্টোবর icon ইউনিক হোটেলের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon ইন্দো-বাংলা ফার্মার বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon বেক্সিমকো ফার্মার বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon স্টাইল ক্রাফটের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon বিবিএস ক্যাবলসের বোর্ড সভা ২৭ অক্টোবর icon ৯ হাজার কোটি টাকার ১৫ প্রকল্প স্থগিত icon সূচকের পতনে চলছে লেনদেন icon আবারও কমল সোনার দাম icon ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৯৮ জন icon চালু হলো বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট
down of head

বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্যে টাস্কফোর্সের প্রস্তাব

বাংলাদেশ-ভারত বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে অবকাঠামো বিনিয়োগ ও অর্থায়ন এবং প্রযুক্তি বিষয়ক বিটুবি টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে ভারতের শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠন কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রি (সিআইআই)।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট ) দি ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সঙ্গে বৈঠক করে কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রির (সিআইআই) ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দল। পরে এফবিসিসিআই-এর মতিঝিল কার্যালয়ে বৈঠক পরবর্তী প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা জানান সিআইআই-এর ডিরেক্টর জেনারেল মি. চন্দ্রজিৎ ব্যানার্জি।

প্রতিনিধি দলের নেতা চন্দ্রজিৎ ব্যানার্জি বলেন, কীভাবে দুদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য আরও বাড়ানো যায় সেটি নিয়ে আমরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেছি। ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে বাংলাদেশের পণ্যের বড় সম্ভাবনা রয়েছে, সেই সুযোগকে কিভাবে কাজে লাগানো যায় সেটি নিয়েও কথাবার্তা হয়েছে। আমাদের এই প্রতিনিধি দলের আগমনের অন্যতম উদ্দেশ্য হলো কিভাবে বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের সঙ্গে বিটুবি যোগাযোগ জোরদার করা যায়। আমি মনে করি, আমরা উভয়পক্ষ সেটি সন্তোষজনকভাবে করতে পেরেছি।

এ সময় প্রতিনিধি দলের সদস্য এবং ভারতের ইনফ্রাভিশন ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও ম্যানেজিং ট্রাস্টি মি. বিনায়ক চ্যাটার্জি বলেন, আমাদের প্রথম প্রস্তাব অবকাঠামো বিনিয়োগ ও অর্থায়ন বিষয়ক টাস্ক ফোর্স গঠন। দ্বিতীয় প্রস্তাব হলো প্রযুক্তিগত ‘সানরাইজ সেক্টরস’ বিষয়ক বিটুবি অংশীদারিত্ব বৃদ্ধি।

বিনায়ক চ্যাটার্জি জানান, বর্তমান প্রজন্মের তরুণ উদ্যোক্তারা গতানুগতিক খাতের পরিবর্তে নতুন নতুন সম্ভাবনাময় খাতে বিনিয়োগে বেশি আগ্রহী। এমন ৮ টি উদীয়মান সেক্টরকেই মূলত সানরাইজিং সেক্টর বলছেন তিনি। যেখানে রয়েছে– নিউক্লিয়ার পাওয়ার, সেমিকন্ডাক্টরস শিল্প, হাইড্রোজেন ও অ্যামোনিয়া, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও ব্যাটারি, স্টোরেজ, হাই-স্পিড রেল যোগাযোগ, ডেটা সেন্টার, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সোলার সেল ও মডিউল ম্যানুফ্যাকচারিং শিল্প ইত্যাদি।

এফবিসিসিআইর প্রশাসক মো. ফজলুল হক বলেন, সিআইআই প্রতিনিধি দল যে প্রস্তাব দিয়েছে সেটিকে কাজে লাগিয়ে দুদেশের বিনিয়োগ ও বাণিজ্য আরও সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি করা যাবে বলে আমরা মনে করি। উল্লিখিত প্রস্তাবগুলো ছাড়াও বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে বিদ্যমান অশুল্ক বাধাগুলো দূরীকরণের বিষয়েও আমাদের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।

এফবিসিসিআই প্রশাসক আরও বলেন, রাজনৈতিক বিষয়কে পাশে সরিয়ে রেখে দুদেশের ব্যবসায়ীরা কীভাবে বিনিয়োগ ও বাণিজ্যকে এগিয়ে নেব সেটিই আমাদের উভয় পক্ষের মূল লক্ষ্য। তিনি জানান, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে। বিদ্যমান এই বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনতে উভয় দেশের ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের যৌথভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

যৌথ প্রেস ব্রিফিংয়ের পূর্বে এফবিসিসিআই এবং সিআইআই মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকে, বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং নতুন নতুন খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকারের আন্তরিক প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী এবং এফবিসিসিআই’র সাবেক সভাপতি আবদুল আউয়াল মিন্টু।

দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের বিদ্যমান বাধাগুলো দূর করতে উভয় পক্ষের ব্যবসায়ী ও অংশীজনদের নিয়ে সমস্যার সমাধান খোজা জরুরি বলে মনে করেন আবদুল আউয়াল মিন্টু। তিনি আরও বলেন, সরকার মূলত নীতিমালা নির্ধারণ করে থাকে। তবে ব্যবসা বাণিজ্যের প্রকৃত সমস্যার কথা ভালো জানেন ব্যবসায়ীরাই। তাই এফবিসিসিআই এবং সিআইআই-এর মতো শীর্ষ সংগঠনগুলোর যৌথ উদ্যোগে আলোচনার মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব পেলে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারে।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন– এফবিসিসিআই সাবেক সভাপতি মো. মাহবুবুর রহমান, মীর নাসির হোসেন, মো. জসিম উদ্দিন, ডিসিসিআই এর সভাপতি তাসকিন আহমেদ, ডিসিসিআই-এর সাবেক সভাপতি রিজওয়ান রাহমান, বিটিএমএ-এর সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল, রংপুর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি এমদাদুল হোসেন, রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মো. হোসেন আলী, বরিশাল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি এবায়েদুল হক চাঁদ, এফবিসিসিআই-এর সাবেক সহ-সভাপতি নিজাম উদ্দিন রাজেশ, এফবিসিসিআই-এর সাবেক পরিচালক আব্দুল হক ও আব্দুল ওয়াহেদ, ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মশিউর রহমান, বাংলাদেশ মোটরসাইকেল অ্যাসেমব্লার্স অ্যান্ড ম্যানুফেকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মতিউর রহমান, রানার গ্রুপের পরিচালক মোহাম্মদ আলী দীন, এফবিসিসিআই-এর মহাসচিব মো. আলমগীর, বিভিন্ন চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা।

সম্পর্কিত খবর