সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের পথচলা শুরু
একীভূত হওয়া পাঁচ ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ বুঝে নেওয়ার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে পথচলা শুরু করল রাষ্ট্রায়ত্ত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি। আজ রোববার (১৬ আগস্ট) থেকে এককভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক।
আজ সর্বশেষ গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংক থেকে প্রশাসক তুলে নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। পরে এ দুটি ব্যাংক বুঝিয়ে দেওয়া হয় সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের কাছে। এর মধ্য দিয়ে পাঁচটি ব্যাংক—এক্সিম ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক ও সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের দায়িত্ব বুঝে পেল সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান বলেন, পাঁচ ব্যাংকই বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। একীভূত হওয়া পাঁচ ব্যাংক এখন সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের অধীনে চলে গেছে। এতে রোববার থেকে এককভাবে প্রতিষ্ঠানটির পথচলা শুরু হয়েছে।
এর আগে, গত ৩০ জুলাই প্রথমে এক্সিম ব্যাংক থেকে প্রশাসক তুলে নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। তার আগের দিন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে সিদ্ধান্ত হয় এক্সিম ব্যাংক থেকে প্রশাসক ও তার দল তুলে নেওয়ার। গত ২০ জুলাই বাংলাদেশ ব্যাংকের পর্ষদে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয় একীভূত হওয়া এক্সিম ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক ও সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের পুরো দায়িত্ব চলে যাবে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে। এরপর একে একে সব ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ বুঝে নিল এ ব্যাংকটি।
গত ১৬ জুলাই সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পান আবেদুর রহমান সিকদার। তার নেতৃত্বেই এখন ব্যাংকটি চলবে। একীভূত হওয়ায় সারা দেশে থাকা পাঁচ ব্যাংকের ৭৬০টি শাখা, ৬৯৮টি উপশাখা, ৫১১টি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট ও ৯৭৫টি এটিএম বুথ নিয়ে যাত্রা শুরু করল সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক।
চলতি বছরের মার্চ শেষে পাঁচ ব্যাংকে খেলাপি ঋণের পরিমান এক লাখ ৬৫ হাজার ৭৭৯ কোটি টাকা। খেলাপীর হার ৮৪ দশমিক ২২ শতাংশ। ৩৫ হাজার কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধন নিয়ে যাত্রা শুরু করা নতুন এ ব্যাংকে সরকার ইতোমধ্যে ২০ হাজার কোটি টাকা মূলধন সহায়তা দিয়েছে।


