শিরোনাম
icon জাপানে আন্তর্জাতিক সেমিনারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করলেন জেনিথ লাইফের সিইও icon বাংলাদেশে ১ ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগের ঘোষণা icon গ্রীষ্মের আগে ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ icon দরপতনের শীর্ষে মীর আক্তার হোসেন icon ডেঙ্গুতে আরও ১১ মৃত্যু, ভর্তি ২,০৭১ icon অর্থছাড়ে শীর্ষে আইডিএ ও এডিবি icon শ্যালিকাকে বিয়ে করে বাড়িছাড়া মাসুদ icon সূচকের পতনে লেনদেন ৪০৩ কোটি টাকার icon ঢাকা ও চট্টগ্রামে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন icon সিকদার ইন্স্যুরেন্সের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা icon পদ্মা অয়েলের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা icon কপারটেকের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ক্রাউন সিমেন্টের লভ্যাংশ ঘোষণা icon তসরিফা ইন্ডাস্ট্রিজের লভ্যাংশ ঘোষণা icon বেঙ্গল উইন্ডসোর লভ্যাংশ ঘোষণা icon রহিম টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon কফির কাপে ক্যাজুয়াল লুকে পূর্ণিমা icon জাপানি ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর icon কে এন্ড কিউয়ের লভ্যাংশ ঘোষণা icon রানার অটোমোবাইলসের লভ্যাংশ ঘোষণা icon এডভেন্ট ফার্মার লভ্যাংশ ঘোষণা icon সাইনপুকুর সিরামিকসের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৪৩ icon দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে তারেক রহমান-সানায়ে তাকাইচি icon আস্থা লাইফের ২৮ লাখ টাকার বীমা দাবি নিষ্পত্তি
down of head

মাথা উঁচু করে দাঁড়াবার ক্ষমতা হারাচ্ছি: মিঠুন চক্রবর্তী

ভারতের আর জি কর হাসপাতালে তরুণী ডাক্তারের ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনায় উত্তাল পরিস্থিতি পশ্চিমবঙ্গ। নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশাসনকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে অনেকেই।

আমজনতা থেকে শিল্পী, সকলেই পথে নেমেছেন বিচারের দাবিতে।
পশ্চিমবঙ্গের গণ্ডি পেরিয়ে এই আন্দোলনে যখন শামিল হয়েছে ভারতের অন্যান্য রাজ্যগুলো। এমন সময়ে নীরবতা ভাঙলেন ‘মহাগুরু’। আর জি কর কাণ্ডে কড়া প্রতিক্রিয়া জানালেন মিঠুন চক্রবর্তী।

ভিডিও বার্তায় মিঠুনের মন্তব্য, আমি অনেক দিন ধরে, অনেক জায়গায় একই কথা বলে এসেছি যে, আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গের অবস্থা খুবই ভয়াবহ হয়ে উঠবে। বাঙালি হয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলছি।

পাশাপাশি নিহত তরুণী ডাক্তারের পরিবারকে সমবেদনা জানিয়ে মহাগুরুর মন্তব্য, ওর পরিবারের প্রতি আমার সম্পূর্ণ সহানুভূতি রইল। আর যারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত, যত দ্রুত সম্ভব তাদের গ্রেপ্তার করে শাস্তি দেওয়া হোক। এটাই আমার কাছে সবথেকে বড় কাম্য।

উল্লেখ্য, গেল ৮ আগস্ট রাতে কর্তব্যরত ছিলেন ওই তরুণী চিকিৎসক। পরদিন সকালে হাসপাতালের সেমিনার হল থেকে দেহ উদ্ধার হয় তার। ধর্ষণ ও খুন করা হয়েছে বলেই অভিযোগ। এই ঘটনার তদন্তে নেমে কলকাতা পুলিশের সিট সঞ্জয় রায় নামে এক সিভিক ভলান্টিয়ারকে গ্রেপ্তার করে।

গেল ১২ আগস্ট এই ঘটনার জল গড়ায় কলকাতা হাইকোর্টে। মোট চারটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়। মামলাকারীরা সকলেই পুলিশের ওপর আস্থা না রেখে তদন্তভার সিবিআইকে দেওয়ার আর্জি জানান। পরদিন মামলার শুনানিতে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট।

আপাতত সঞ্জয়কে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে সেখানকার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এছাড়া দফায় দফায় আর জি কর হাসপাতালের সাবেক অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষসহ অনেককেই জিজ্ঞাসাবাদ করছে সিবিআই। তদন্তভার নেওয়ার চারদিন পরেও যদিও সিবিআই এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করেনি।

এন এস

সম্পর্কিত খবর