শিরোনাম
icon জাপানে আন্তর্জাতিক সেমিনারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করলেন জেনিথ লাইফের সিইও icon বাংলাদেশে ১ ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগের ঘোষণা icon গ্রীষ্মের আগে ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ icon দরপতনের শীর্ষে মীর আক্তার হোসেন icon ডেঙ্গুতে আরও ১১ মৃত্যু, ভর্তি ২,০৭১ icon অর্থছাড়ে শীর্ষে আইডিএ ও এডিবি icon শ্যালিকাকে বিয়ে করে বাড়িছাড়া মাসুদ icon সূচকের পতনে লেনদেন ৪০৩ কোটি টাকার icon ঢাকা ও চট্টগ্রামে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন icon সিকদার ইন্স্যুরেন্সের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা icon পদ্মা অয়েলের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা icon কপারটেকের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ক্রাউন সিমেন্টের লভ্যাংশ ঘোষণা icon তসরিফা ইন্ডাস্ট্রিজের লভ্যাংশ ঘোষণা icon বেঙ্গল উইন্ডসোর লভ্যাংশ ঘোষণা icon রহিম টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon কফির কাপে ক্যাজুয়াল লুকে পূর্ণিমা icon জাপানি ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর icon কে এন্ড কিউয়ের লভ্যাংশ ঘোষণা icon রানার অটোমোবাইলসের লভ্যাংশ ঘোষণা icon এডভেন্ট ফার্মার লভ্যাংশ ঘোষণা icon সাইনপুকুর সিরামিকসের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৪৩ icon দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে তারেক রহমান-সানায়ে তাকাইচি icon আস্থা লাইফের ২৮ লাখ টাকার বীমা দাবি নিষ্পত্তি
down of head

আর্থিক খাত সংস্কারে হচ্ছে ব্যাংকিং কমিশন

ব্যাংক খাতে টেকসই সংস্কারের জন্য একটি ব্যাংক কমিশন গঠন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ ছাড়া আর্থিক খাতের সার্বিক পরিস্থিতি ও সংস্কার বিষয়ে একটি রূপকল্প তৈরি করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন হওয়ার ১০০ দিনের মধ্যে তা প্রকাশ করা হবে।

রবিবার ( ১৮ আগষ্ট ) দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক অবস্থা নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুরের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকে ব্যাংকিং কমিশন গঠনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়।

বেশ কয়েক বছর ধরেই ব্যাংক খাতের বিশ্লেষকরা বলছিলেন, দেশের ব্যাংকগুলোতে দীর্ঘদিন জমে থাকা সমস্যা জটিল আকার ধারণ করেছে। বিদ্যমান অস্থিতিশীল অবস্থা স্বল্প মেয়াদে সমাধানের দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে, যাতে গ্রাহকদের আস্থা ফিরে আসে। একই সঙ্গে স্থায়ীভাবে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে ব্যাংক খাতের সংস্কার করা প্রয়োজন।

ব্যাংক খাতের এই সংস্কারের জন্য অর্থনীতিবিদরা দীর্ঘদিন ধরে ব্যাংকিং কমিশন গঠনের পরামর্শ দিয়ে আসছিলেন।

তবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে ১৫ বছরেও এ বিষয়ে কেউ মনোযোগী হয়নি। আলোচ্য এই সময়ে ব্যাংক খাত সংস্কারের পরিবর্তে উল্টো ‘ব্যাংক লুটের’ মহড়া দেখা গেছে। এতে দেশের পুরো অর্থনীতি খাদের কিনারায় দাঁড়িয়েছে।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের সমস্যা এবং ইসলামী ধারার ব্যাংকগুলোতে বড় সমস্যাগুলো অনেক বছর ধরেই আছে।

এটির সমাধানে তেমন কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ফলে এখন পরিস্থিতি আরো জটিল আকার ধারণ করেছে।
এদিকে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের গতকালের বৈঠকে দেশের বিদ্যমান মূল্যস্ফীতির বিষয়টিও উঠে এসেছে। বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, চাহিদা ও জোগানের যথাযথ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশের বিদ্যমান মূল্যস্ফীতি কমিয়ে আনতে হবে। এ জন্য মুদ্রানীতিকে সংকোচনমূলক অবস্থায় ধরে রাখতে হবে এবং একই সঙ্গে সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটাতে হবে। এ ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ শুরু হয়েছে। তবে মূল্যস্ফীতির সুফল পেতে সবাইকে একটু ধৈর্য ধরতে হবে।

এ ছাড়া বৈঠকে বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে তারল্য বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। আন্ত ব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনের ক্ষেত্রে বিদ্যমান ব্যান্ড ১ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২.৫ শতাংশ করা হয়েছে। খুব দ্রুতই আন্ত ব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে তারল্য ফিরে আসবে এবং বিনিময়ের পরিমাণও দ্রুত বৃদ্ধি পাবে বলে বৈঠকে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

এ ছাড়া আর্থিক খাতের সার্বিক পরিস্থিতি ও সংস্কার বিষয়ে একটি রূপকল্প তৈরি করা হবে, যা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হওয়ার ১০০ দিনের মধ্যে প্রকাশ করা হবে।

এন এস

সম্পর্কিত খবর