শিরোনাম
icon ডিসেম্বরের মধ্যে অযোগ্য সিএফও সরানোর নির্দেশ আইডিআরএ’র icon যুক্তরাষ্ট্রের গম কিনতে দুই প্রতিষ্ঠানের দরপ্রস্তাব icon এক কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার icon নাচের ভিডিওতে পরীমনির সঙ্গে কে? icon ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী icon পাঁচ দিন বন্ধ থাকবে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের সব ব্যাংকিং সেবা icon ডেঙ্গুতে ৯ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১,৯৮২ icon রিয়াদ-দাম্মামের ১৫৩ ফ্লাইট বাতিল icon সূচকের উত্থানে লেনদেন ৪৪০ কোটি টাকা icon পোশাক রপ্তানি বাড়লেও নির্ভরতা মৌলিক পণ্যে icon শ্যামপুর সুগার মিলসের প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ icon ঢাকা ব্যাংকের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ icon নভেম্বরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ : সিইসি icon লভ্যাংশ দেবে না আজিজ পাইপস icon সামিট পাওয়ারের লভ্যাংশ ঘোষণা icon বিডি অটোকার্সের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ইভেন্স টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ইউনাইটেড পাওয়ারের লভ্যাংশ ঘোষণা icon লোকসানেও আলহাজ্ব টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon উপকূল পেরিয়ে দুর্বল হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব icon বেতন দিতে বিশেষ ঋণ নিচ্ছে সরকার icon আবারও বাড়ল সোনার দাম icon জাপানে আন্তর্জাতিক সেমিনারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করলেন জেনিথ লাইফের সিইও icon বাংলাদেশে ১ ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগের ঘোষণা icon গ্রীষ্মের আগে ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ
down of head

থামছে সেল প্রেসার, ঘুরে দাঁড়ানোর পথে শেয়ারবাজার

আগের দিন রোববার শেয়ারবাজারের ২০ খাতের মধ্যে ১০ খাতে শতভাগ কোম্পানির শেয়ার দামে পতন হয়েছে। অন্য ১০ খাতের মধ্যেও ৮০ শতাংশের বেশি প্রতিষ্ঠানের দাম ছিল পতনমূখী। তবে আজ কিছুটা উন্নতি হয়েছে। আজ তালিকাভুক্ত ২০ খাতের মধ্যে ব্যাংক খাত, আর্থিক খাত, জ্বালানি খাত, ফার্মা খাত ও বস্ত্র খাতের মতো বড় খাতগুলোর শেয়ারের চাহিদা বেড়েছে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, আজ আগের দিনের ধারাবাহিকতায় লেনদেনের শুরুতে কাঁপন ধরানো সেল প্রেসার দেখা যায়। যার ফলে লেনদেনের আধার ঘন্টার মধ্যে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ৭৮ পয়েন্টের বেশি পড়ে যায়। তারপর সেল প্রেসার কমতে থাকে এবং বাই প্রেসার বাড়তে থাকে। এরফলে লেনদেনের ৫০ মিনিটের মাথায় বাজার ইতিবাচক প্রবণতায় টার্ন নেয়।

কিন্তু ইতিবাচক প্রবণতা বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে পারেনি। এই সময়ে সেল প্রেসার বেড়ে যাওয়ায় বাজার আবারও নেতিবাচক প্রবণতায় ফিরে যায়। বেলা ১১টা ০৭ মিনিটে ডিএসইর সূচকের পতন হয় ৫৮ পয়েন্টের বেশি। তারপর আবারও ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা। বাকি সময় মিশ্র প্রবণতার মধ্যে লেনদেন চলে। শেষ বেলায় সূচক পতন থামে সাড়ে ৩৭ পয়েন্টে। তবে এই সময়ে সেল প্রেসারের চেয়ে বাই প্রেসার বেশি দেখা যায়।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গত সোমবার থেকেই বাজারে টানা পতন চলছে। এই সময়ে ডিএসইর সূচকের পতন হয়েছে ৩০৩ পয়েন্ট। এমনিতেই তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ারের দাম তলানিতে এসে ঠেকেছে। তারপর গত কয়েক দিনের টানা পতনে কোম্পানিগুলোর অবস্থা আরও কাহিল। আর কতো পতন? এবার নিশ্চয়ই উঠার পালা।

এন এস

সম্পর্কিত খবর