শিরোনাম
icon মিশ্র সূচকে লেনদেন ৫৫৮ কোটি টাকা icon সঠিক তথ্য না থাকলে স্বচ্ছতা আনা সম্ভব নয়: অর্থমন্ত্রী icon শেয়ারভিত্তিক আবাসন ব্যবসা বন্ধের দাবি icon সুগন্ধি চাল উৎপাদনে প্রণোদনা দেবে সরকার: খাদ্য প্রতিমন্ত্রী icon আমন মৌসুমে সাড়ে ৮ লাখ টন ধান-চাল কিনবে সরকার icon সিটি ইন্স্যুরেন্সের সাবেক এএমডি হাছান খানের ইন্তেকাল icon সড়ক দুর্ঘটনায় ৬ বছরে নিশ্চিহ্ন ৩০০ পরিবার icon সামিট পাওয়ারের বোর্ড সভা ১১ নভেম্বর icon সিলভা ফার্মার বোর্ড সভা ১২ নভেম্বর icon মোজাফ্ফর হোসেনের বোর্ড সভা ১১ নভেম্বর icon বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলসের বোর্ড সভা ১১ নভেম্বর icon তিতাস গ্যাসের বোর্ড সভা ১১ নভেম্বর icon বাংলাদেশে আসছেন ডাচেস সোফি icon বিডি কমের বোর্ড সভা ১১ নভেম্বর icon গোল্ডেন সনের বোর্ড সভা ১৪ নভেম্বর icon ডেসকোর প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ icon সূচকের মিশ্রাবস্থায় চলছে লেনদেন icon পদ্মা অয়েলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রেল-সড়ক অবরোধ, বন্ধ ট্রেন চলাচল icon সৌদি রুটে ১৮০ ফ্লাইট বাতিল icon এলএনজি চালু, বাড়ল গ্যাস সরবরাহ icon ডেঙ্গুতে আরো ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৬৭৪ icon জেদ্দায় সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ বাংলাদেশি নিহত icon ইতিহাস গড়ে হৃদয়ের ডাবল সেঞ্চুরি icon ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে নারীরাও অপরিহার্য: শামা ওবায়েদ
down of head

বললেন ওবায়দুল কাদের
‘জি এম কাদের সংসদে নিয়ম লঙ্ঘন করে কথা বলেছেন’

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের জাতীয় সংসদে নিয়ম লঙ্ঘন করে কথা বলেছেন বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বর্তমান সংসদের ভারসাম্য রক্ষা হয়নি, জাপা চেয়ারম্যানের এমন বক্তব্যের জবাবে বুধবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুরে আওয়ামী লীগের সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন সেতুমন্ত্রী।

তিনি বলেন, কথা তো যা বলার জি এম কাদের একাই বললেন। গতকাল দেশের প্রধানমন্ত্রীও কথা বলেননি। আমরা শুধু আনুষ্ঠানিকতা করেছি। স্পিকারকে ধন্যবাদ জানানোর নামে ফ্লোর নিয়ে তিনি গতকাল যেসব কথা বলেছেন, তা ঠিক হয়নি। সামনে আরও সময় ছিল তখন অনেক কথাই বলতে পারতেন। তিনি শুরুটাই এমনভাবে করলেন যে তুলকালাম কাণ্ড ঘটিয়ে ফেললেন, লম্বা একটা বক্তৃতা দিলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিষয়টা ছিল ধন্যবাদ জানানোর। এত লম্বা ভাষণের জন্য জিএম কাদেরকে আহ্বান করা হয়নি। তিনি নিয়ম লঙ্ঘন করে কথা বলেছেন। ওনার কথা বলার সামনে যথেষ্ট সুযোগ আছে। স্বাধীনতার পর এদেশে একজন বিরোধীদলীয় নেতা ছিল, এখন তো তারাই ১১ জন।

মন্ত্রী আরও বলেন, মহিলা সংরক্ষিত আসনের জন্য মনোনয়ন নেওয়ার বা চাওয়ার যে হিড়িক, সেই তুলনায় আমাদের দেওয়ার সুযোগ খুব কম। আমরা আমাদের পরীক্ষিত, ত্যাগীদের গুরুত্ব দেব। যারা দলের জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছেন, যারা আমাদের দুঃসময়ের পরীক্ষিত কর্মী, তাদের ব্যাপারটা আমরা অগ্রাধিকার দেব। মহিলা সংরক্ষিত আসনে দলগতভাবে ৩৮টি, আর স্বতন্ত্র থেকে ১০ জন মিলিয়ে ৪৮টি মনোনয়ন দেওয়া হবে।

বিএনপির কালো পতাকা মিছিল প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, কর্তৃপক্ষের অনুমতি না নিয়ে তারা রাজপথে ফ্রি স্টাইল করবে আর আমরা চুপচাপ বসে থাকব- এটা মনে করার কোনো কারণ নেই।

তিনি বলেন, বিএনপির নেতারা কী বক্তব্য দিচ্ছেন, এর প্রতি দেশের মানুষের কোনো আগ্রহ নেই। আমাদের কোনো আগ্রহ নেই। পথহারা পথিকের মতো দিশেহারা বিএনপি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, এস এম কামাল হোসেন, সুজিত রায় নন্দী, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, কার্যনির্বাহী সদস্য সাহাবুদ্দিন ফরাজী, মারুফা আক্তার পপি প্রমুখ।

সম্পর্কিত খবর