জেনিথ লাইফের বার্ষিক সম্মেলনে গ্রাহকদের দাবি পরিশোধ

কক্সবাজারের হোটেল সি-প্যালেসে বার্ষিক সম্মেলন করেছে দেশের অন্যতম বীমা প্রতিষ্ঠান জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেড।

এসময় প্রতিষ্ঠানটি চেয়ারম্যান ও সাবেক সংসদ সদস্য মুক্তিযোদ্ধা ফরিদুন্নাহার লাইলী বলেন, ২০১৩ সালে যাত্রা শুরু করে আমরা দ্রুত গ্রাহকসেবা নিশ্চিত এবং দ্রুত বীমা দাবি পরিশোধ করে ইতোমধ্যেই গ্রাহকের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি। গ্রাহকসেবা আরো ত্বড়ান্বিত করতে আমরা নানাবিধ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। অনলাইন প্রিমিয়াম পেমেন্ট সিস্টেম চালু, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রিমিয়াম সংগ্রহ, বাংলায় ওয়েবসাইট ও অ্যাপস তৈরি করে পলিসি সংক্রান্ত সকল তথ্য গ্রাহকের নিকট সহজবোধ্য করা হয়েছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে আমরা এসবি, মৃত্যুদাবি ও মেয়াদোত্তর দাবি পরিশোধ করে আসছি। জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোন বীমা দাবি পেন্ডিং নেই বলেও জানান তিনি।

এসময় জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম নুরুজ্জামান বলেন,  জেনিথ ইসলামী লাইফ অনুমোদন পাওয়ার পর থেকেই শরীয়াহ অনুযায়ী গ্রাহক আমানত সংগ্রহ, দাবি পরিশোধ ও বিনিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। আমাদের কোম্পানির ৯৫ শতাংশ কার্যক্রম ইআরপি সল্যুশন এর মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। আমাদের ৯৯ শতাংশ কার্যক্রম পেপারলেস করার চিন্তা আছে। বীমা আইনে ৯০ দিন থাকলেও আমরা ৭ কর্মদিবসের মধ্যে দাবি পরিশোধ করেছি।

অনুষ্ঠানে মৃত্যুদাবি ও স্বাস্থ্য বীমার ৯ জন গ্রাহকের দাবি পরিশোধ করা হয়। শনিবার বার্ষিক সম্মেলনে এসব বীমা দাবির চেক হস্তান্তর করা হয়। বার্ষিক সম্মেলনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ৭ জন বীমা গ্রাহকের মৃত্যুদাবি এবং গ্রুপ স্বাস্থ্য বীমার ২ জন গ্রাহকের দাবি বাবদ সর্বমোট ৬ লাখ ১৬ হাজার ৬১৪ টাকার দাবি পরিশোধ করা হয়। এরমধ্যে মৃত্যুদাবির পরিমাণ ৫ লাখ ৬৫ হাজার ৩৭ টাকা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের সদস্য (লাইফ) কামরুল হাসান। জেনিথ ইসলামী লাইফের চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা ফরিদুন্নাহার লাইলী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন কোম্পানিটির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম নুরুজ্জামান।

সম্মেলনে সারাদেশ থেকে বাছাইকৃত কোম্পানির প্রায় ১০০০ ব্যবসা সফল উন্নয়ন কর্মকর্তাসহ প্রধান কার্যালয়ের বিভাগীয় প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন। সম্মেলনে গ্রাহকদের বীমা দাবির চেক হস্তান্তর, প্রশিক্ষণ কর্মশালা ও যোগ্যতা অর্জনকারী উন্নয়ন কর্মকর্তাদের পুরস্কৃত করা হয়।

সম্পর্কিত খবর