শিরোনাম
icon পাঁচ দিন বন্ধ থাকবে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের সব ব্যাংকিং সেবা icon ডেঙ্গুতে ৯ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১,৯৮২ icon রিয়াদ-দাম্মামের ১৫৩ ফ্লাইট বাতিল icon সূচকের উত্থানে লেনদেন ৪৪০ কোটি টাকা icon পোশাক রপ্তানি বাড়লেও নির্ভরতা মৌলিক পণ্যে icon শ্যামপুর সুগার মিলসের প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ icon ঢাকা ব্যাংকের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ icon নভেম্বরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ : সিইসি icon লভ্যাংশ দেবে না আজিজ পাইপস icon সামিট পাওয়ারের লভ্যাংশ ঘোষণা icon বিডি অটোকার্সের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ইভেন্স টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ইউনাইটেড পাওয়ারের লভ্যাংশ ঘোষণা icon লোকসানেও আলহাজ্ব টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon উপকূল পেরিয়ে দুর্বল হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব icon বেতন দিতে বিশেষ ঋণ নিচ্ছে সরকার icon আবারও বাড়ল সোনার দাম icon জাপানে আন্তর্জাতিক সেমিনারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করলেন জেনিথ লাইফের সিইও icon বাংলাদেশে ১ ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগের ঘোষণা icon গ্রীষ্মের আগে ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ icon দরপতনের শীর্ষে মীর আক্তার হোসেন icon ডেঙ্গুতে আরও ১১ মৃত্যু, ভর্তি ২,০৭১ icon অর্থছাড়ে শীর্ষে আইডিএ ও এডিবি icon শ্যালিকাকে বিয়ে করে বাড়িছাড়া মাসুদ icon সূচকের পতনে লেনদেন ৪০৩ কোটি টাকার
down of head

জিডিটিতে দুগ্ধপণ্যের মূল্যসূচক কমেছে ১.৩%

গ্লোবাল ডেইরি ট্রেডের (জিডিটি) টানা পাঁচ নিলামে নিম্নমুখী থাকার পর চলতি মাসের প্রথম নিলামে দুগ্ধপণ্যের দাম বেড়েছিল। তবে মাসের শেষ নিলামে দাম আবারো কমেছে। চীনে লকডাউনের প্রভাবে নিম্নমুখী চাহিদা ও ঊর্ধ্বমুখী উৎপাদনের প্রভাবে দাম কমছে।

জিডিটির মূল্যসূচক অনুযায়ী, সর্বশেষ নিলামে দুগ্ধপণ্যের গড় দাম আগের নিলামের তুলনায় ১ দশমিক ৩ শতাংশ কমেছে। প্রতি টনের মূল্য স্থির হয়েছে ৪ হাজার ৬০০ ডলারে।

এ নিলামে সর্বোচ্চ ২২ হাজার ৬৬৫ টন দুগ্ধপণ্য সরবরাহ করা হয়। এর মধ্যে বিক্রি হয়েছে ২০ হাজার ৭৬০ টন। নিলামে অংশ নেয় ১৪৯ জন ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে জয়ী হয়েছে ১০৩ জন।

মূল্যসূচক কমে যাওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করেছে চেডার পনির। দুগ্ধপণ্যটির দাম আগের নিলামের তুলনায় ৯ শতাংশ কমেছে। প্রতি টন বিক্রি হয়েছে গড়ে ৪ হাজার ৮৭৫ ডলারে।

দাম কমার দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে অ্যানহাইড্রাস মিল্ক ফ্যাট। প্রতি টন লেনদেন হয়েছে ৫ হাজার ৯১৩ ডলারে, যা আগের নিলামের তুলনায় ৪ দশমিক ৭ শতাংশ কম।

জিডিটি নিলামে সবচেয়ে প্রভাবশালী পণ্য ননিযুক্ত গুঁড়ো দুধ (ডব্লিউএমপি)। পণ্যটি বিক্রির মাধ্যমে সরাসরি লাভবান হন খামারিরা। সর্বশেষ নিলামে দুগ্ধপণ্যটির দাম দশমিক ৬ শতাংশ কমেছে। প্রতি টনের মূল্য স্থির হয়েছে ৪ হাজার ১২৫ ডলারে।

সর্বশেষ নিলামে দুটি পণ্যের দাম বেড়েছে। এর মধ্যে একটি ননিবিহীন গুঁড়ো দুধ (এসএমপি)। জিডিটিতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রভাবশালী পণ্যটির দাম ১ শতাংশ বেড়েছে। প্রতি টন লেনদেন হয়েছে ৪ হাজার ২৭৬ ডলারে। অন্যদিকে মাখনের দাম ২ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে ৬ হাজার ২১৩ ডলারে উন্নীত হয়েছে। এবারের নিলামে মাখনযুক্ত গুঁড়ো দুধ, ল্যাকটোজ ও সুইট হুই পাউডার উত্তোলন করা হয়নি।

চীনে লকডাউনের প্রভাবে সরবরাহ চেইন বাধাগ্রস্ত হয়েছে। ফলে সাম্প্রতিক নিলামগুলোয় নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, সর্বশেষ নিলামের ফল রেকর্ড দামের কারণে ক্রেতাদের অনীহার প্রতিই ইঙ্গিত দিচ্ছে। এনজেডএক্সের ঊর্ধ্বতন বিশ্লেষক অ্যামি ক্যাসেলটন বলেন, দাম কমে যাওয়ার পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে উত্তর এশিয়ার বাইরের শীর্ষ ভোক্তা দেশগুলো।

সম্পর্কিত খবর