ব্যাংক সুদ ও রফতানি খাতে উৎসেকর পুনর্বহাল চায় ইএবি
রফতানিমুখী সব শিল্পের উৎসেকর দশমিক ৫ শতাংশ পুনর্বহাল ও আগামী পাঁচ বছর পর্যন্ত তা বহাল রাখার দাবি জানিয়েছে এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইএবি)। একই সঙ্গে ব্যাংক সুদের উৎসেকর কোম্পানি করদাতাদের জন্য ১০ শতাংশ পুনর্বহালের দাবিও জানানো হয়। সম্প্রতি সংসদে উত্থাপিত ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট প্রতিক্রিয়ায় এমন দাবি জানায় সংগঠনটি।
বাজেট প্রতিক্রিয়ায় ইএবি জানায়, রফতানিমুখী সব শিল্পের উৎসেকর দশমিক ৫ শতাংশ পুনর্বহাল করা প্রয়োজন, যা এবারের বাজেটে শতভাগ বাড়িয়ে ১ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে দশমিক ৫ শতাংশ উৎসেকরের হার আগামী পাঁচ বছর পর্যন্ত বহাল রাখার দাবিও জানায় ইএবি। প্রতিক্রিয়ায় পরিবেশবান্ধব কারখানা স্থাপনে সোলার প্যানেল আমদানিতে বাজেটে প্রস্তাবিত শুল্কহার ১ শতাংশ বাতিল করে আগের মতো শূন্য শতাংশ করার দাবি করা হয়।
বাজেট প্রতিক্রিয়ায় ইএবি প্রস্তাব করে, ব্যাংক সুদের উৎসেকরহার কোম্পানি করদাতাদের জন্য বাজেটে প্রস্তাবিত ২০ শতাংশ করা হয়েছে। এটি আগের মতো ১০ শতাংশ রাখা প্রয়োজন। এছাড়া ভ্যাট খেলাপি হলে প্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি সংযোগ বিচ্ছিন্নকরণে মূসক কর্মকর্তা কর্তৃক সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করার বিধান আইনে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এটি বাস্তবায়িত হলে শিল্প খাতে শৃঙ্খলা ভেঙে পড়বে বলেও দাবি করে ইএবি।
রফতানিমুখী শিল্পের রফতানির বিপরীতে প্রদত্ত নগদ সহায়তার ওপরে আয়কর কর্তনের হার শূন্য শতাংশ নির্ধারণ করার দাবি জানায় ইএবি। পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী প্রতিস্থাপনের জন্য অগ্নিনির্বাপণ উপকরণ রেয়াতি হারে আমদানির অনুমোদনও দাবি করে সংগঠনটি।
এ সময় মাংস প্রক্রিয়াজাত ও রফতানি প্রসারের জন্য কিছু সুপারিশ তুলে ধরা হয় ইএবির পক্ষ থেকে। এগুলো হলো মাংস রফতানিতে ফ্রিজার ভ্যান এবং চিলার ভ্যান অপরিহার্য বিধায় এগুলো আমদানির ক্ষেত্রে মূলধনি পণ্য হিসেবে বিবেচনায় নিয়ে শুল্ক অব্যাহতি দেয়া। এতে করে বিশ্ববাজারে দেশীয় মাংস রফতানি আরো বাড়বে। ফারদার প্রসেসড মিট (সসেজ, পেপারনি, সালামি ইত্যাদি) একটি সম্ভাবনাময় রফতানি খাত। এ খাতে উপকরণ হিসেবে ব্যবহূত বিভিন্ন ধরনের মসলা ও প্যাকেজিং পণ্য আমদানিনির্ভর বিধায় এসব উপকরণ আমদানিতে শুল্ক সুবিধা দেয়া প্রয়োজন।



