বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য এখনই উপযুক্ত সময়
বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য এখনই উপযুক্ত সময় বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। গতকাল রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে নরডিক চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির উদ্যোগে ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন এম্বাসি ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) হেড অব ডেলিগেশনের সহযোগিতায় ‘ফরেন ডাইকেন্ট ইনভেস্টমেন্ট ফর লজিস্টিক সেক্টর’ শীর্ষক দিনব্যাপী আলোচনা সভার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এমনটা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে মূল বিষয়ের ওপর প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মায়েরস্কের কান্ট্রি ম্যানেজার আংশুমান মুস্তাফি। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, সরাসরি উপস্থিত ছিলেন নরডিক চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রেসিডেন্ট তাহরিন আনাম, এইচএসবিসির সিইও মো. মাহবুবুর রহমান। আরো উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত ডেনমার্কের অ্যাম্বাসেডর উইনি ইস্ট্রুপ পেটারসেন, নরওয়ের অ্যাম্বাসেডর ইসপেন রিকটার-এসভেন্ডসেন, সুইডেনের অ্যাম্বাসেডর আলেকজেন্ড্রা বার্গ ভন লিনডি ও ইইউর হেড অব ডেলিগেশন চার্লেস হুইটলি।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের প্রায় ৪৫ ভাগ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বেশ ভালো। বাংলাদেশে প্রচুর দক্ষ জনশক্তি রয়েছে। এখানে বিনিয়োগের সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সরকার বিশেষ সুযোগ-সুবিধা প্রদান করছে। এখানে কম খরচে পণ্য উৎপাদন করে সহজেই অন্য দেশে রফতানি করা সম্ভব।
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এখন শক্ত অর্থনৈতিক শক্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। ২০৩০ সালে এসডিজি অর্জনের মাধ্যমে ২০৪১ সালে বাংলাদেশ উন্নত দেশে পরিণত হবে। দেশে রফতানি বাণিজ্য দ্রুত বাড়ছে। বাণিজ্য বৃদ্ধির জন্য সরকার প্রয়োজনীয় জাতীয় লজিস্টিক নীতিমালা গ্রহণ করেছে। শিল্প-কারখানা, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং বাণিজ্যের সুযোগ-সুবিধার টেকসই উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে সরকার। লজিস্টিক সেক্টর দেশের আমদানি ও রফতানির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য বৃদ্ধির জন্য সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে এবং ব্যবসাবান্ধব টেকসই পরিবেশ সৃষ্টির জন্য কাজ করে যাচ্ছে।
টিপু মুনশি বলেন, বাংলাদেশ এরই মধ্যে এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন করে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশের সামনে এখন অনেক চ্যালেঞ্জ। আমাদের অবকাঠামো সেক্টরে বিনিয়োগ প্রয়োজন।



