পুঁজিবাজারে তীব্র হচ্ছে দরপতন

সাম্প্রতিক সময়ে দরপতনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে দেশের পুঁজিবাজার। চলতি সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে কিছুটা বাড়লেও গত দুই দিনে ৮৮ পয়েন্ট হারিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স। এর মধ্যে গতকাল একদিনেই প্রায় ১ শতাংশ কমেছে সূচকটি। এতে দরপতন আরো তীব্র হওয়ার আতঙ্কে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে শেয়ার বিক্রি করে দেয়ার প্রবণতা দেখা গিয়েছে। সূচকের পাশাপাশি এক্সচেঞ্জটিতে দৈনিক লেনদেনের পরিমাণও কমেছে। দেশের আরেক পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) গতকাল সূচক ও লেনদেন কমেছে।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে ডিএসইএক্সে পয়েন্ট যোগ হয়। পরের দিনই ৫৩ পয়েন্ট হারায় সূচক। এছাড়া পরের কার্যদিবসগুলোতে যথাক্রমে ২৪, ৩২ ও ২১ পয়েন্ট করে হারায় সূচক। চলতি সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে আবারো সূচকে ২১ পয়েন্ট যোগ হয়। তবে পরের কার্যদিবসে আবার প্রায় ২৪ পয়েন্ট হারায় সূচকটি। সবশেষ গতকাল লেনদেনের শুরুর পর থেকেই বিনিয়োগকারীদের শেয়ার বিক্রির চাপে পয়েন্ট কমতে থাকে, যা লেনদেন শেষ হওয়া পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। শেষ পর্যন্ত দিনশেষে ৬৪ পয়েন্ট কমে ৬ হাজার ৫৭৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে ডিএসইএক্স। আগের কার্যদিবসে যা ছিল ৬ হাজার ৬৩৯ পয়েন্টে। গতকাল সূচকের পতনে সবচেয়ে বেশি অবদান ছিল স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, বেক্সিমকো লিমিটেড, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস, বিএটিবিসি ও ইবিএলের শেয়ারের।

ডিএসইর ব্লু-চিপ সূচক ডিএস-৩০ গতকাল ২০ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ৪৩২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আগের দিন শেষে যা ছিল ২ হাজার ৪৫২ পয়েন্টে। শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস গতকাল দিন শেষে ১২ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৪৪৩ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আগের দিন শেষে যা ছিল ১ হাজার ৪৫৫ পয়েন্টে।

ডিএসইতে গতকাল প্রায় ৫৩৩ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যেখানে আগের কার্যদিবসে লেনদেন ছিল ৫৫৭ কোটি টাকা। এদিন ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩৭৮টি কোম্পানি, মিউচুয়াল ফান্ড ও করপোরেট বন্ডের মধ্যে দিন শেষে দর বেড়েছে মাত্র ১৮টির, কমেছে ৩৩৭টির আর অপরিবর্তিত ছিল ২৩টি সিকিউরিটিজের বাজারদর।

সম্পর্কিত খবর