শিরোনাম
icon ডিসেম্বরের মধ্যে অযোগ্য সিএফও সরানোর নির্দেশ আইডিআরএ’র icon যুক্তরাষ্ট্রের গম কিনতে দুই প্রতিষ্ঠানের দরপ্রস্তাব icon এক কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার icon নাচের ভিডিওতে পরীমনির সঙ্গে কে? icon ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী icon পাঁচ দিন বন্ধ থাকবে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের সব ব্যাংকিং সেবা icon ডেঙ্গুতে ৯ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১,৯৮২ icon রিয়াদ-দাম্মামের ১৫৩ ফ্লাইট বাতিল icon সূচকের উত্থানে লেনদেন ৪৪০ কোটি টাকা icon পোশাক রপ্তানি বাড়লেও নির্ভরতা মৌলিক পণ্যে icon শ্যামপুর সুগার মিলসের প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ icon ঢাকা ব্যাংকের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ icon নভেম্বরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ : সিইসি icon লভ্যাংশ দেবে না আজিজ পাইপস icon সামিট পাওয়ারের লভ্যাংশ ঘোষণা icon বিডি অটোকার্সের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ইভেন্স টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ইউনাইটেড পাওয়ারের লভ্যাংশ ঘোষণা icon লোকসানেও আলহাজ্ব টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon উপকূল পেরিয়ে দুর্বল হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব icon বেতন দিতে বিশেষ ঋণ নিচ্ছে সরকার icon আবারও বাড়ল সোনার দাম icon জাপানে আন্তর্জাতিক সেমিনারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করলেন জেনিথ লাইফের সিইও icon বাংলাদেশে ১ ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগের ঘোষণা icon গ্রীষ্মের আগে ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ
down of head

মালয়েশিয়ায় প্রাকৃতিক রাবার উৎপাদনে মন্দা

সদ্যবিদায়ী বছরের ১১ মাসে মালয়েশিয়ার প্রাকৃতিক রাবার উৎপাদন ৭ দশমিক ৭ শতাংশ কমেছে। মূলত সরবরাহ চেইনে সংকট ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে উৎপাদনে নিম্নমুখী প্রবণতা তৈরি হয়। ডিপার্টমেন্ট অব স্ট্যাটিস্টিকস মালয়েশিয়া (ডিওএসএম) এ তথ্য জানিয়েছে।

সংস্থাটি জানায়, গত বছরের জানুয়ারি-নভেম্বর পর্যন্ত মালয়েশিয়া ৪ লাখ ২৯ হাজার ৬২ টন প্রাকৃতিক রাবার উৎপাদন করে। ২০২০ সালের একই সময় উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৮৭৮ টন। নভেম্বরে মালয়েশিয়ার প্রাকৃতিক রাবার উৎপাদন আগের মাসের তুলনায় ২৬ দশমিক ৮ শতাংশ কমেছে। উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩১ হাজার ৫৭৭ টনে। অক্টেবরে উৎপাদন হয়েছিল ৪৩ হাজার ১২৭ টন।

ডিওএসএম সম্প্রতি মাসভিত্তিক রাবার পরিসংখ্যান পাবলিকেশন প্রকাশ করেছে। এতে বলা হয়, ২০২০ সালের নভেম্বরের তুলনায় উৎপাদন ২৫ দশমিক ৮ শতাংশ কমেছে। ওই মাসে ৪২ হাজার ৫৫৪ টন প্রাকৃতিক রাবার উৎপাদন হয়েছিল।

সংস্থাটির প্রধান পরিসংখ্যানবিদ দাতো মো. উজির মাহিদিন বলেন, অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত ও অনিশ্চিত আবহাওয়ার কারণে সরবরাহ চেইনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণেই উৎপাদন কমেছে। একই সঙ্গে কমেছে পণ্যটির মজুদও। নভেম্বরে মজুদের পরিমাণ দাঁড়ায় ২ লাখ ৬৯ হাজার ৭৫৭ টনে। অক্টোবরে মজুদ ছিল ২ লাখ ৮১ হাজার ৭১৮ টন। সে হিসাবে মজুদ কমেছে ৪ দশমিক ২ শতাংশ।

ডিওএসএম এক বিবৃতিতে জানায়, রাবার প্রক্রিয়াকরণ কারখানাগুলোয় সবচেয়ে বেশি মজুদ দেখা গেছে। মোট মজুদের ৯২ শতাংশই রয়েছে এসব কারখানায়। বাকি ৭ দশমিক ৯ শতাংশ মজুদ ভোক্তা কারখানাগুলোয় ও দশমিক ১ শতাংশ মজুদ রাবার এস্টেসগুলোয়।

সম্পর্কিত খবর