শিরোনাম
icon জাপানে আন্তর্জাতিক সেমিনারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করলেন জেনিথ লাইফের সিইও icon বাংলাদেশে ১ ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগের ঘোষণা icon গ্রীষ্মের আগে ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ icon দরপতনের শীর্ষে মীর আক্তার হোসেন icon ডেঙ্গুতে আরও ১১ মৃত্যু, ভর্তি ২,০৭১ icon অর্থছাড়ে শীর্ষে আইডিএ ও এডিবি icon শ্যালিকাকে বিয়ে করে বাড়িছাড়া মাসুদ icon সূচকের পতনে লেনদেন ৪০৩ কোটি টাকার icon ঢাকা ও চট্টগ্রামে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন icon সিকদার ইন্স্যুরেন্সের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা icon পদ্মা অয়েলের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা icon কপারটেকের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ক্রাউন সিমেন্টের লভ্যাংশ ঘোষণা icon তসরিফা ইন্ডাস্ট্রিজের লভ্যাংশ ঘোষণা icon বেঙ্গল উইন্ডসোর লভ্যাংশ ঘোষণা icon রহিম টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon কফির কাপে ক্যাজুয়াল লুকে পূর্ণিমা icon জাপানি ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর icon কে এন্ড কিউয়ের লভ্যাংশ ঘোষণা icon রানার অটোমোবাইলসের লভ্যাংশ ঘোষণা icon এডভেন্ট ফার্মার লভ্যাংশ ঘোষণা icon সাইনপুকুর সিরামিকসের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৪৩ icon দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে তারেক রহমান-সানায়ে তাকাইচি icon আস্থা লাইফের ২৮ লাখ টাকার বীমা দাবি নিষ্পত্তি
down of head

সেচ প্রকল্পের উন্নয়নে ১১৪ কোটি টাকা বাড়তি অর্থায়ন করবে এডিবি

বাংলাদেশ সরকার এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) অর্থায়নে ‘ইরিগেশন ম্যানেজমেন্ট ইমপ্রুভমেন্ট’ প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতায় বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (বাপাউবো) প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্পের আওতায় সাড়ে ১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বাড়তি অর্থায়ন করছে এডিবি। প্রতি ডলার সমান ৮৫ টাকা ধরে বাংলাদেশি মুদ্রায় হয় ১১৪ কোটি ৭৫ লাখ টাকা।

বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসেম্বর) রাজধানী ঢাকায় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ সরকার ও এডিবির সঙ্গে ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন ও এডিবির পক্ষে সংস্থাটির বাংলাদেশ আবাসিক মিশনের কান্ট্রি ডিরেক্টর এডিমন গিনটিং চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতায় বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (বাপাউবো) এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।

প্রকল্পের বাস্তবায়ন মেয়াদ ২০১৪ সালের জুলাই থেকে ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত। এ প্রকল্পের উদ্দেশ্য হচ্ছে- মুহুরী সেচ প্রকল্পের আধুনিকায়ন ও সুবিধাভোগীদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন, পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণ। ফসল উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করে জনগণের জীবনমান উন্নয়ন। এছাড়াও দারিদ্র্য দূরীকরণের ব্যবস্থা, বন্যা প্রতিরোধ করে বিদ্যমান পানিসম্পদের কার্যকর ব্যবহার করা এ প্রকল্পের অন্যতম উদ্দেশ্য। প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকের আয় বৃদ্ধি ও উন্নত জীবনমান নিশ্চিতকরণ, গঙ্গা – কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প (জিকে) এবং তিস্তা সেচ প্রকল্পের অনুরূপ এটি উন্নয়নের জন্য প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে।

মূল প্রকল্পের জন্য ২০১৪ সালের ১৪ আগস্ট ৪৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। কাজের পরিধি বৃদ্ধির কারণে অতিরিক্ত অর্থায়ন হিসেবে ১৪ দশমিক ৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (এডিবি ১৩.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, জিওবি ১.১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) অর্থায়ন করা হচ্ছে। এর ফলে বাংলাদেশি মুদ্রায় মোট ৫৮০ কোটি ১৪ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হবে। প্রকল্পটির আওতায় সরকারি অর্থায়ন ১০৪ কোটি ১৪ লাখ টাকা ও প্রকল্প সাহায্য হিসেবে এডিবি দিচ্ছে ৪৭৬ কোটি টাকা। এক্ষেত্রে অতিরিক্ত অর্থায়ন হিসেবে এডিবি সাড়ে ১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১১৪ কোটি ৭৫ লাখ টাকা) সহজ শর্তে ঋণ দেবে। ঋণের বার্ষিক সুদের হার ২ শতাংশ। এই ঋণ ৫ বছর গ্রেস পিরিয়ডসহ ২৫ বছরে পরিশোধযোগ্য।

সম্পর্কিত খবর