শিরোনাম
icon আস্থা লাইফের ২৮ লাখ টাকার বীমা দাবি নিষ্পত্তি icon প্রোটেক্টিভ ইসলামী লাইফের ৫ লাখ টাকার মৃত্যুদাবির চেক হস্তান্তর icon রমজানের আগে নিত্যপণ্যের আমদানি ও এলসি বৃদ্ধি icon জনতা, অগ্রণী ও বেসিক ব্যাংকে নতুন এমডি icon ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, ভর্তি ২২১৮ icon লেনদেনের শীর্ষে প্রাইম ব্যাংক icon হাম উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু icon ঢাকা ইন্স্যুরেন্সের বোর্ড সভা ২৯ অক্টোবর icon মনোস্পুল পেপারের বোর্ড সভা ৯ নভেম্বর icon মাগুরা মাল্টিপ্লেক্সের বোর্ড সভা ৯ নভেম্বর icon ৯৯৯ টাকা দেনমোহরে সুজাত শিমুলের বিয়ে icon ইউনিয়ন ইন্স্যুরেন্সের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon ইসলামী কমার্শিয়াল ইন্স্যুরেন্সের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon সূচকের পতনে চলছে লেনদেন icon এমটিবি’র ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন icon জন্মদিনের ভিডিওতে অবাক ভক্তরা icon জাপানের ৬৩৫ কোটি ডলারের বিনিয়োগ উদ্যোগ বাংলাদেশে icon ফনিক্স ফাইন্যান্সের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon নর্দান ইসলামী ইন্স্যুরেন্সের বোর্ড সভা ২৯ অক্টোবর icon বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম icon ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৬৬২ icon চার দিনের সফরে জাপান পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী icon গোলাপি আভায় জয়া আহসান icon জাপানে পোশাক রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধির ইঙ্গিত icon রোমানিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে তারেক রহমানের অভিনন্দন
down of head

১০ বছরে ১৫ গুণ বেড়েছে অনলাইনে শিশুদের যৌন হেনস্তা

অনলাইনে শিশুদের যৌন অবদমন বিষয়বস্তুর পরিমাণ গত এক দশকে ১৫ গুণ বেড়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এমনই একটি পরিসংখ্যান উঠে এসেছে সম্প্রতি।

অনলাইন নিরাপত্তা সংস্থা ইন্টারনেট ওয়াচ ফাউন্ডেশন (আইডাব্লিউএফ) বলছে, তাদের বিশ্লেষকরা প্রতিদিন অপব্যবহারের উপাদানগুলোর একটি ‘জোয়ারের ঢেউ’-এর মুখোমুখি হচ্ছে। সংস্থাটি শিশুদের সুরক্ষার জন্য ইন্টারনেট সুরক্ষা উন্নত করার উদ্দেশ্যে অনলাইন সুরক্ষা বিলটি নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

আইডাব্লিউএফের পরিসংখ্যান বলছে, এ বছর শিশু যৌন নির্যাতনের বিষয়বস্তু সম্বলিত দুই লাখেরও বেশি ওয়েবসাইটের বিরুদ্ধে কাজ করেছে তারা। যা ২০১১ সালের তুলনায় ১৫ গুণ বেশি। সে বছর অবমাননাকর বিষয়বস্তুর মাত্র ১৩ হাজার প্রতিবেদন ছিল।

সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী সুসি হারগ্রিভস বলেন, শনাক্তকরণ প্রযুক্তিতে বড় উন্নতি এবং আরো বিশ্লেষক নিয়োগের ফলে অপরাধমূলক উপাদান উন্মোচন সহজতর হয়েছে। যদিও এটি একটি ক্রমবর্ধমান সমস্যা। আমি ২০১১ সালে আইডাব্লিউএফের প্রধান নির্বাহী হই এবং তারপর থেকে আমরা ওপেন ওয়েবে অবাধে এই ক্ষতিকারক উপাদানের পরিমাণের সত্যিকারের ব্যাপকতা উপলব্ধি করতে সক্ষম হই। আমরা সে সময়ে আইডব্লিউএফ-এ বিশ্লেষকের সংখ্যা তিনগুণেরও বেশি করেছি।

তিনি আরো বলেন, ২০১৪ সালে আমাদের এই বিষয়টি অনুসন্ধানেন ক্ষমতা দেওয়া হয়। এটা আমাদের জন্য একটি গেম চেঞ্জার ছিল, যা আমাদের আইন-প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর মধ্যে অনন্য করে তুলেছে। কিন্তু দুঃখজনক সত্য হলো, সমস্যাটি সারা বিশ্বের সবার সব প্রচেষ্টাকে ছাড়িয়ে গেছে। আমরা বিশ্বমানের প্রযুক্তি তৈরি করছি যা আমাদের এবং বিশ্বব্যাপী সংস্থাগুলোকে এ অপরাধ মোকাবেলায় সহায়তা করবে।

আমাদের বিশ্লেষকরা প্রতিদিন অপরাধমূলক উপাদানের একটি ‘উত্তাল তরঙ্গ’কে আটকে রাখছে। এটিকে আরো অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া থেকে বাধা দিচ্ছে এবং অপরাধীদের সঙ্গে নিষ্পাপ শিশুদের ‘ভয়ঙ্কর নির্যাতন’ ভাগাভাগি করা থেকে বিরত করছে। এ কারণেই অনলাইন নিরাপত্তা প্রবিধানে আমরা যে ভূমিকা পালন করি তা এত গুরুত্বপূর্ণ। এই উত্থান থামাতে আমাদের এখনই বাস্তব পদক্ষেপ নিতে হবে। নতুন অনলাইন নিরাপত্তা বিলটি আমাদের ডিজিটাল ভবিষ্যৎ শিশুদের সুরক্ষার জন্য একটি মূল পদক্ষেপকে ঘিরে তৈরি করা হয়েছে।- যোগ করেন তিনি।

যুক্তরাজ্যের ‘অনলাইন আচরণ নিয়ন্ত্রণকারী নতুন আইনের’ দায়িত্বে থাকা মন্ত্রী নাদিন ভ্যানেসা ডরিস গত সপ্তাহে সোশাল মিডিয়া কর্তাদের বলেছিলেন, আপনারা ক্ষতিকারক অ্যালগোরিদমগুলো সরান। তা নাহলে শিগগিরই আপনাদের ফৌজদারি বিচারের সম্মুখীন হতে হবে।

ডরিস বলেন, তিনি প্রযুক্তি সংস্থাগুলোকে মোকাবেলা করার জন্য প্রস্তাবিত অনলাইন সুরক্ষা বিলটিকে আরো শক্ত করতে কর্মকর্তাদের সঙ্গে কাজ করছেন। তিনি বলেন, তারা যে ভুল করেছে তা ঠিক করার সুযোগ শেষ হয়ে যায়নি।

 

সম্পর্কিত খবর