শিরোনাম
icon বিমানের রিয়াদ-দাম্মাম ফ্লাইট ৪ নভেম্বর পর্যন্ত বন্ধ icon ডেঙ্গুতে আরও ৭ মৃত্যু, আক্রান্ত ২,২৪৯ icon ১ নভেম্বর খুলছে সেন্টমার্টিন icon গোলাপি জার্সিতে পাকিস্তান icon কম দামে এলএনজি কিনবে সরকার icon সূচকের পতন, লেনদেন ৪৩০ কোটি টাকা icon গ্যাস সংকটে আবারও বন্ধ যমুনা সার কারখানা icon ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকোর বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon আফতাব অটোর বোর্ড সভা ২৯ অক্টোবর icon ওয়াটা কেমিক্যালের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon মেঘনা সিমেন্টের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon রহিমা ফুডের বোর্ড সভা ২৭ অক্টোবর icon অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্সের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon সাইবার হামলায় জনতা ব্যাংকের ওয়েবসাইট icon বসুন্ধরা পেপারের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমসের বোর্ড সভা ২৭ অক্টোবর icon সামিট পাওয়ারের বোর্ড সভা ২৭ অক্টোবর icon সাইনপুকুর সিরামিকসের বোর্ড সভা ২৯ অক্টোবর icon ইউনিক হোটেলের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon ইন্দো-বাংলা ফার্মার বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon বেক্সিমকো ফার্মার বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon স্টাইল ক্রাফটের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon বিবিএস ক্যাবলসের বোর্ড সভা ২৭ অক্টোবর icon ৯ হাজার কোটি টাকার ১৫ প্রকল্প স্থগিত
down of head

১০ বছরে হাজারেরও বেশি পারমাণবিক বোমা বানাবে চীন

চীন তার পরমাণু অস্ত্র নির্মাণ প্রকল্পকে শক্তিশালী করছে এবং আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে দেশটি এক হাজারেরও বেশি পারমাণবিক বোমা তৈরির লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে।

‘মিলিটারি অ্যান্ড সিকিউরিটি ডেভেলপমেন্টস ইনভলভিং দ্য পিপল’স রিপাবলিক অব চায়না (পিআরসি) ২০২১’ নামের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে এ তথ্য ফাঁস করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সদর দফতর পেন্টাগন।

প্রতিবেদনে পেন্টাগন জানিয়েছে, ২০২০ সাল থেকে পারমাণবিক প্রকল্প উন্নয়নে বড় মাত্রায় বিনিয়োগ শুরু করেছে চীন। ওই বছর দেশটির ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে ৪০০ পারমাণবিক অস্ত্র বানানোর লক্ষ্য নিয়েছিল।

চলতি বছর চীন উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে পেন্টাগন।

এই খাতে দেশটি প্রচুর অর্থ বিনিয়োগ করছে উল্লেখ করে পেন্টাগনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘পারমাণবিক ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিসহ বোমা উৎক্ষেপণের জন্য জল-স্থল ও আকাশপথে প্ল্যাটফরম নির্মাণে প্রচুর অর্থ ব্যয় করছে চীন।’

পারামাণবিক বোমা ও ক্ষেপণাস্ত্র নির্মানের পাশাপাশি, জাতীয় সেনাবাহিনী চায়না’স পিপলস লিবারেশন আর্মির সদস্যসংখ্যাও বাড়াচ্ছে দেশটি।

এক সময়ের স্বাধীন রাষ্ট্র ও বর্তমানে চীনের অধিকৃত অঞ্চল তাইওয়ান দ্বীপে চীনের দখলদারিত্ব নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যকার দ্বন্দ্ব যখন প্রায় চরম পর্যায়ে, সে সময় এ প্রতিবেদন প্রকাশ করল পেন্টাগন।

চীন বরাবরই তাইওয়ানকে নিজেদের সীমানাভূক্ত অঞ্চল বলে দাবি করে আসছে। অন্যদিকে, তাইওয়ানের স্বাধীনতাকামী সরকারকে নিয়মিত আর্থিক, সামরিকসহ বিভিন্ন সহায়তা প্রদান করে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।

সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, চীন যদি তাইওয়ানে সামরিক অভিযান শুরু করে, সেক্ষেত্রে তাইওয়ানকে সহায়তা দেবে যুক্তরাষ্ট্র।

মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই মন্তব্য প্রচারিত হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে জো বাইডেনের উদ্দেশে সতর্কবার্তা দিয়ে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিজেদের অভ্যন্তরীণ স্বার্থ সংশ্লিষ্ট কোনো ইস্যুতে চীন কোনো প্রকার ছাড় দেবে না।

 

 

সম্পর্কিত খবর