৫০০ কোটি টাকার বন্ড ছাড়বে ন্যাশনাল ব্যাংক
সাব-অর্ডিনেটেড বন্ড ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেডের (এনবিএল) পরিচালনা পর্ষদ। এ বন্ডের আকার হবে ৫০০ কোটি টাকা। এর মাধ্যমে ব্যাংকটি ব্যাসেল থ্রির আওতায় নিয়ন্ত্রক সংস্থার মূলধনের শর্ত পালন করবে। নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর অনুমোদন সাপেক্ষে এ বন্ড ছাড়া হবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সর্বশেষ অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২২ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) শেয়ারপ্রতি লোকসান দিয়েছে এনবিএল। এ প্রান্তিকে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১৮ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। যেখানে আগের হিসাব বছরের একই সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ১২ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২২ শেষে ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৬ টাকা ৪ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময় শেষে যা ছিল ১৭ টাকা ৮ পয়সা।
৩১ ডিসেম্বর ২০২০ সমাপ্ত হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের ৫ শতাংশ স্টক বা বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছিল ন্যাশনাল ব্যাংক। ওই হিসাব বছরে এনবিএলের সমন্বিত ইপিএস ছিল ১ টাকা ১৮ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১ টাকা ৩৪ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষে ব্যাংকটি সমন্বিত এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৬ টাকা ৯২ পয়সায়।
সর্বশেষ রেটিং অনুসারে ন্যাশনাল ব্যাংকের ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘ডাবল এ প্লাস’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-টু’। ২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও হালনাগাদ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করে আরগুস ক্রেডিট রেটিং সার্ভিসেস লিমিটেড (এসিআরএসএল)।
ডিএসইতে গতকাল শেয়ারটির সর্বশেষ ও সমাপনী দর ছিল ৭ টাকা ২০ পয়সা। গত এক বছরে শেয়ারটির সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ দর ছিল যথাক্রমে ৭ টাকা ১০ পয়সা ও ৯ টাকা ২০ পয়সা।



