শিরোনাম
icon নাচের ভিডিওতে পরীমনির সঙ্গে কে? icon ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী icon পাঁচ দিন বন্ধ থাকবে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের সব ব্যাংকিং সেবা icon ডেঙ্গুতে ৯ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১,৯৮২ icon রিয়াদ-দাম্মামের ১৫৩ ফ্লাইট বাতিল icon সূচকের উত্থানে লেনদেন ৪৪০ কোটি টাকা icon পোশাক রপ্তানি বাড়লেও নির্ভরতা মৌলিক পণ্যে icon শ্যামপুর সুগার মিলসের প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ icon ঢাকা ব্যাংকের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ icon নভেম্বরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ : সিইসি icon লভ্যাংশ দেবে না আজিজ পাইপস icon সামিট পাওয়ারের লভ্যাংশ ঘোষণা icon বিডি অটোকার্সের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ইভেন্স টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ইউনাইটেড পাওয়ারের লভ্যাংশ ঘোষণা icon লোকসানেও আলহাজ্ব টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon উপকূল পেরিয়ে দুর্বল হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব icon বেতন দিতে বিশেষ ঋণ নিচ্ছে সরকার icon আবারও বাড়ল সোনার দাম icon জাপানে আন্তর্জাতিক সেমিনারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করলেন জেনিথ লাইফের সিইও icon বাংলাদেশে ১ ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগের ঘোষণা icon গ্রীষ্মের আগে ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ icon দরপতনের শীর্ষে মীর আক্তার হোসেন icon ডেঙ্গুতে আরও ১১ মৃত্যু, ভর্তি ২,০৭১ icon অর্থছাড়ে শীর্ষে আইডিএ ও এডিবি
down of head

হিলি স্থলবন্দরে ১৮ টাকায় নামল পেঁয়াজের দাম

নতুন করে ইমপোর্ট পারমিট (আইপি) ইস্যু করার পর থেকে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি বেড়েছে। এ কারণে পাইকারি বাজারে নিম্নমুখী পণ্যটির দাম। একদিনের ব্যবধানে পণ্যটির বাজারদর কমে ১৮ টাকায় নেমেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, একদিন আগেও বন্দর দিয়ে আমদানীকৃত ইন্দোর জাতের পেঁয়াজ ২১-২২ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। বর্তমানে এর দাম ৩-৫ টাকা কমেছে। বিক্রি হচ্ছে ১৮ টাকা দামে। অন্যদিকে নাসিক জাতের পেঁয়াজ ২৬-২৭ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও তা কমে ২২ টাকায় নেমেছে।

হিলি স্থলবন্দরে পেঁয়াজ কিনতে আসা পাইকার স্বপন মুন্সি বলেন, সরকার আইপি না দেয়ায় বেশ কিছুদিন ধরে বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ ছিল। সম্প্রতি আবারো আমদানির অনুমতি দেয়ায় ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে। ফলে দাম কমতে শুরু করেছে। এতে আমাদের পেঁয়াজ কিনতে পুঁজি কম লাগছে।

হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক বাবলুর রহমান বলেন, হঠাৎ দেশের বাজারে দেশীয় পেঁয়াজ সরবরাহ কমে গিয়ে দাম অস্থিতিশীল হতে শুরু করলে ৪ জুলাই ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেয় সরকার। ফলে দুই মাস বন্ধের পর ৫ জুলাই থেকে হিলিসহ দেশের সব বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়। মাঝে ঈদের কারণে টানা আটদিন হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ ছিল। একইভাবে দেশের বিভিন্ন স্থলবন্দর দিয়ে বিভিন্ন মেয়াদে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ ছিল। ঈদের ছুটির পর আবারো দেশের সব বন্দর দিয়ে আমদানি শুরু হয়েছে। দেশে পেঁয়াজ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং ভারতের বাজারে দাম কম থাকায় আমদানিকারকরা পর্যাপ্ত পরিমাণে এলসি খুলেছেন। ফলে ভারতে প্রচুর পরিমাণ পেঁয়াজ লোডিং হয়েছে। ঈদের ছুটি শেষে দেশের সব বন্দর দিয়ে এসব পেঁয়াজ দেশে প্রবেশ করছে। কিন্তু সে তুলনায় দেশের বিভিন্ন মোকামে চাহিদা নেই বললেই চলে। চাহিদার তুলনায় পণ্যটির সরবরাহ বাড়ায় দাম কমেছে। এছাড়া দেশীয় পেঁয়াজের দাম মোকামে মণপ্রতি ৪০০-৫০০ টাকা করে কমেছে।

হিলি স্থলবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন বলেন, ছুটি শেষে ১৬ জুলাই থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি শুরু হয়েছে। এদিন বন্দর দিয়ে ২৮টি ট্রাকে ৭৮৩ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছিল। ১৭ জুলাই ৩২টি ট্রাকে ৮৫৮ টন, ১৮ জুলাই ১৭টি ট্রাকে ৪৮০ টন, ১৯ জুলাই ২৭ ট্রাকে ৭৭৪ টন, ২০ জুলাই ২৮টি ট্রাকে ৮১৫ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। ২১ জুলাই একদিনেই ৪৬টি ট্রাকে ১ হাজার ৩৭৫ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়।

সম্পর্কিত খবর