সময় বেঁধে দিল বিএসইসি
পুঁজিবাজারের ৮৫টি ব্রোকারেজ হাউজ এখনও বাস্তবায়ন করেনি ‘অসংশোধনযোগ্য’ ব্যাক অফিস সফটওয়্যার।
এই পরিস্থিতিতে তাদের জন্য নতুন সময়সীমা নির্ধারণ করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সুপারিশের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএসইসি। ১ জুলাই কমিশনের ৯৬১তম সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএসইসি চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ। এরপর ৩ জুলাই সংস্থার মুখপাত্র ও পরিচালক মো. আবুল কালামের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়।
কমিশনের তথ্যমতে, ডিএসই ও সিএসইর অধীনে থাকা ২৯১টি ডুয়েল ট্রেক হোল্ডারের মধ্যে মাত্র ২৪টি ট্রেক হোল্ডার এখন পর্যন্ত সফটওয়্যারটি পুরোপুরি বাস্তবায়ন করেছে। অন্যদিকে সিএসইর ৮২টি সিঙ্গেল ট্রেক হোল্ডারের মধ্যে সফটওয়্যার বাস্তবায়ন করেছে ৪২টি।
বাকি প্রতিষ্ঠানগুলোর বাস্তবায়ন কার্যক্রম ধীরগতির হওয়ায় তাদের জন্য সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। ডিএসইর প্রস্তাবে ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে ৬টি, ১৫ আগস্টের মধ্যে ১০টি এবং ৩১ আগস্টের মধ্যে ৩১টি ব্রোকারেজ হাউজকে বাস্তবায়ন শেষ করার সময় দেওয়া হয়েছে। সিএসইর পক্ষ থেকে সুপারিশ করা হয়েছে, ১৫ আগস্টের মধ্যে ১৭টি এবং ৩০ আগস্টের মধ্যে ২১টি ব্রোকারেজ হাউজ যেন বাস্তবায়ন সম্পন্ন করে। বিএসইসি জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অসংশোধনযোগ্য ব্যাক অফিস সফটওয়্যার বাস্তবায়নের উদ্দেশ্য হলো, ব্রোকারেজ হাউজগুলোর আর্থিক লেনদেন, সিকিউরিটিজ সংরক্ষণ এবং বিনিয়োগকারী সম্পর্কিত তথ্য স্বচ্ছ ও পরিবর্তন-অযোগ্য রাখার মাধ্যমে জবাবদিহি নিশ্চিত করা। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বলছে, এটি বাস্তবায়ন হলে বিনিয়োগকারীদের আস্থা আরও দৃঢ় হবে।


