down of head

শেষ হচ্ছে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা

 

দু’দফায় সময় বাড়ানোর পর বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) শেষ হচ্ছে ২৫তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা। এদিন সকাল থেকেই আসতে শুরু করে ক্রেতা-দর্শনার্থীরা। দুপুর থেকে ভিড় কিছুটা বাড়তে শুরু করেছে। মেলার শেষ দিন উপলক্ষে দেশি-বিদেশি স্টল ও প্যাভিলিয়নগুলোতে দেওয়া হচ্ছে সর্বোচ্চ ছাড়।

দুই শুক্রবারসহ বাণিজ্য মেলা ৩-৪ দিন বন্ধ থাকায় আশানুরূপ ব্যবসা করতে না পারলেও একেবারে খারাপও বলছেন না ব্যবসায়ীরা। শেষের দিকের কয়েকদিনে দর্শক সমাগমে কিছুটা খুশি তারা। সন্ধ্যায় দর্শক সমাগম আরও বাড়বে বলেও আশাবাদী ব্যবসায়ীরা।

দুপুরে মেলা প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখা যায়, মেলায় প্রবেশে টিকিট কাউন্টারে রয়েছে ক্রেতা-দর্শনার্থীদের ভিড়। প্রবেশ পথেও একই অবস্থা। বিভিন্ন ছাড়ে পণ্য কিনতে স্টল ও প্যাভিলিয়নগুলোতে ভিড় করছেন তারা। দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করতে স্টলগুলোতে ডেকে ডেকে জানানো হচ্ছে পণ্যের মূল্য।

ওয়ালটনের এক্সিকিউটিভ রাসেল আহমেদ বলেন, ‘গত বছরের তুলনায় এ বছর আমাদের বিক্রি ভালো হয়েছে। কিন্তু আমরা আরও বেশি বিক্রির আশা করেছিলাম। মাঝখানে কয়েক দিন ছুটি ছিল, আমরা দুটি শুক্রবার পাইনি। এ সময় মেলা খোলা থাকলে আরও ভালো বিজনেস করতে পারতাম। আগামী শুক্রবার আর শনিবারটা পেলে আমাদের যতটুকু ঘাটতি ছিল তা একেবারেই পূরণ হয়ে যেত।’

স্কয়ার প্লাস্টিক লিমিটেডের এক্সিকিউটিভ তাইব পাশা বলেন, ‘গত বছরের তুলনায় ভালো সাড়া পেয়েছি। কিন্তু তারপরও আমাদের টার্গেট অনুযায়ী হয়নি। সময় বাড়ানোর ফলে যে এক্সপেকটেশন ছিল তাও পুরোপুরি পূরণ হয়নি। আজকে আরও কিছুটা সময় আছে দেখা যাক কী হয়।’

রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সদস্য সচিব আব্দুর রউফ বলেন, ‘মেলা শুরুর দিকে শৈত্যপ্রবাহসহ কিছু টেকনিক্যাল কারণে দর্শক সমাগম আশানুরূপ না হলেও শেষের দিকে দর্শক সমাগম অনেক বেড়েছে। কয়েকদিন মেলা প্রাঙ্গণ বন্ধ থাকায় ব্যবসায়ীদের কথা চিন্তা করে সময় বাড়ানো হয়।’

অন্যান্য বছরের মতো এবারও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও ইপিবি যৌথভাবে মেলার ২৫তম আসরের আয়োজন করেছে। এবারও শেরেবাংলা নগরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র সংলগ্ন স্থানে মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আজ তার শেষ দিন।

এদিকে, গত বছরের তুলনায় এবারের মেলায় স্টল সংখ্যা কমানো হয়। গত বছর ৬৩০টি স্টলের পরিবর্তে এবার করা হয়েছে ৪৮৩টি স্টল। অর্থাৎ সংখ্যা কমেছে ১৫৯টি। এবার ১১২টি প্যাভিলিয়ন, ১২৮টি মিনি প্যাভিলিয়ন এবং ২৪৩টি বিভিন্ন ক্যাটাগরির স্টলের অনুমতি দেওয়া হয়।

এবছর ২১টি দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান মেলায় অংশ নিয়েছে। এর মধ্যে থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, ইরান, তুরস্ক, মরিশাস, ভিয়েতনাম, রাশিয়া,ভারত, পাকিস্তান, ভুটান, নেপাল, মালদ্বীপ, সিঙ্গাপুর, চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, হংকং, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি ও অস্ট্রেলিয়া।

সম্পর্কিত খবর