শিরোনাম
সৃজনশীল শিল্পে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: অর্থমন্ত্রীটানা তৃতীয় দিনের মতো বন্ধ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৫ মৃত্যু, ভর্তি ১৮৯৮২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে ৮ জনের মৃত্যুটেকসই প্যাকেজিংয়ে আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ শুরুআগাম শীতের সবজিতেও দামের উত্তাপডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৬৮৪প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে যুক্ত হচ্ছে নতুন ৪ বইআজ ৮১তম জাতিসংঘ দিবসবিশ্ববাজারে ৬ মাসের সর্বোচ্চে তেলের দামইউরোপে পোশাক রপ্তানিতে চাপে বাংলাদেশরাজধানীর যেসব এলাকায় ৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না১৪১ ফ্লাইট বাতিল, দুর্ভোগে ২১ হাজার ৯৩৩ যাত্রীআজ থেকে রাত ৮টায় বন্ধ হবে মার্কেট-দোকানপাটভারত থেকে আনা ১৩৫ টন চালে মিলল বিষাক্ত উপাদান
down of head

শিল্প উদ্যোক্তদের জন্য ৩০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা

শিল্প উদ্যোক্তদের জন্য ৩০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনার তৃতীয় প্যাকেজ গঠন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মহামারীর কারণে ক্ষতিগ্রস্ত শিল্প ও সার্ভিস সেক্টরের প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ব্যাংক–ব্যবস্থার মাধ্যমে স্বল্প সুদে ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল দেয়ার লক্ষ্যে এ প্রণোদনা প্যাকেজ গঠন করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত শিল্প ও সার্ভিস সেক্টরের যেসব প্রতিষ্ঠান প্রথম ও দ্বিতীয় প্যাকেজ থেকে ঋণ পায়নি কেবল তারাই তৃতীয় প্যাকেজ থেকে ঋণ নিতে পারবেন। আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংক এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে।

সার্কুলারে বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, প্রণোদনা প্যাকেজের তৃতীয় ও সর্বশেষ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে শিল্প ও সার্ভিস সেক্টরের প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ২৭ হাজার কোটি টাকা এবং বেপজা, বেজা ও বাংলাদেশ হাইটেক কর্তৃপক্ষ এ অবস্থিত এ, বি ও সি টাইপ শিল্প প্রতিষ্ঠান ও উক্ত অঞ্চলগুলোর বাইরে শতভাগ বিদেশি মালিকানাধীন অথবা যৌথ মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর ৩ হাজার কোটি টাকাসহ মোট ৩০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হল।

বাংলাদেশ ব্যাংক আরো বলছে, প্রথম ও দ্বিতীয় প্যাকেজে ঋণ সুবিধা পায়নি তাদের অনুকূলে তৃতীয় পর্যায়ের ঋণ সুবিধা প্রাপ্যতা সীমা নির্ধারিত হবে। যেসব প্রতিষ্ঠান প্রথম ও দ্বিতীয় প্যাকেজ থেকে ঋণ সুবিধা পায়নি তারা এ প্যাকেজ থেকে অগ্রাধিকার পাবে। আগামী ২০২৩ সালের ৩০ জুনের মধ্যে এই প্যাকেজের ঋণ বিতরণ কার্যক্রম শেষ করতে হবে। ব্যাংক-ক্লায়েন্ট রিলেশনের ভিত্তিতে ঋণ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এ ঋণ-সুবিধার সুদের হার হবে ৯ শতাংশ। প্রদত্ত ঋণের সুদের অর্ধেক অর্থাৎ ৪ দশমিক ৫০ শতাংশ ঋণগ্রহীতা শিল্প বা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিশোধ করবে এবং অবশিষ্ট ৪ দশমিক ৫০ শতাংশ সরকার ভর্তুকি হিসেবে সংশ্লিষ্ট ব্যাংককে দেবে।

সম্পর্কিত খবর