শিরোনাম
icon সূচকের উত্থানে লেনদেন ৪৪০ কোটি টাকা icon পোশাক রপ্তানি বাড়লেও নির্ভরতা মৌলিক পণ্যে icon শ্যামপুর সুগার মিলসের প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ icon ঢাকা ব্যাংকের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ icon নভেম্বরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ : সিইসি icon লভ্যাংশ দেবে না আজিজ পাইপস icon সামিট পাওয়ারের লভ্যাংশ ঘোষণা icon বিডি অটোকার্সের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ইভেন্স টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ইউনাইটেড পাওয়ারের লভ্যাংশ ঘোষণা icon লোকসানেও আলহাজ্ব টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon উপকূল পেরিয়ে দুর্বল হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব icon বেতন দিতে বিশেষ ঋণ নিচ্ছে সরকার icon আবারও বাড়ল সোনার দাম icon জাপানে আন্তর্জাতিক সেমিনারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করলেন জেনিথ লাইফের সিইও icon বাংলাদেশে ১ ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগের ঘোষণা icon গ্রীষ্মের আগে ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ icon দরপতনের শীর্ষে মীর আক্তার হোসেন icon ডেঙ্গুতে আরও ১১ মৃত্যু, ভর্তি ২,০৭১ icon অর্থছাড়ে শীর্ষে আইডিএ ও এডিবি icon শ্যালিকাকে বিয়ে করে বাড়িছাড়া মাসুদ icon সূচকের পতনে লেনদেন ৪০৩ কোটি টাকার icon ঢাকা ও চট্টগ্রামে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন icon সিকদার ইন্স্যুরেন্সের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা icon পদ্মা অয়েলের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা
down of head

ভারতে এক দশকে কয়লার চাহিদা বাড়বে ৬৩ শতাংশ

ভারতের বাজারে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে কয়লার চাহিদা। বিশেষ করে দেশটির কয়লাচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোয় জ্বালানিটির চাহিদা সবচেয়ে বেশি। কয়লা ও খনিজ সম্পদবিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশি সম্প্রতি এমনটি জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, চলতি দশকে ভারতে কয়লার চাহিদা বেড়ে ১৫০ কোটি টনে উন্নীত হতে পারে। চাহিদা পূরণে দেশটির খনিগুলোকে উত্তোলন বাড়াতে উৎসাহিত করা হচ্ছে। ২০৩০ সালের মধ্যে চাহিদা চলতি বছরের তুলনায় ৬৩ শতাংশ বাড়তে পারে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তন ঠেকাতে উন্নত দেশগুলো কার্বন নিঃসরণ শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে। এতে শামিল হয়েছে ভারতও। দেশটি কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনার কথা বললেও তা বাস্তবায়ন প্রায় অসম্ভব বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ দেশটির কার্বন নিঃসরণের জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী কয়লার ব্যবহার কমার পরিবর্তে ক্রমে বৃদ্ধি।

জোশি বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের জন্য চাপ থাকবে। কিন্তু আগামী বছরগুলোয় জ্বালানি খাতে কয়লার অংশীদারিত্ব লক্ষণীয় মাত্রায় বাড়বে। দেশে জ্বালানিটির চাহিদা এখনো বাড়ছে।

কয়লাবিষয়ক মন্ত্রণালয় জানায়, বড় পরিসরে কয়লা উত্তোলন বাড়াতে চায় ভারত। উদ্দেশ্য আমদানি কমানোর মাধ্যমে চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে যে ব্যবধান তৈরি হয়েছে তা কমিয়ে আনা। ২০২৩-২৪ অর্থবছরের মধ্যে ১২০ কোটি টন কয়লা উত্তোলনের পরিকল্পনা করেছে দেশটি। বর্তমানে ভারত যে পরিমাণ কয়লা উত্তোলন করে, এটি তার চেয়ে ৭৫ শতাংশ বেশি।

এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ভারত সরকার এরই মধ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম বাণিজ্যিক নিলাম। রেভিনিউ শেয়ার ম্যাকানিজমের মাধ্যমে এ নিলাম অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া উত্তোলন বাড়াতে ও নিলাম চালু রাখতে সিঙ্গেল উইন্ডো ক্লিয়ারেন্সের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল প্ল্যাটসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশটির সরকার স্থানীয় কয়লা উত্তোলন সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে নতুন নতুন প্রকল্পের অনুমোদন দিচ্ছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে যেসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কথা রয়েছে, সেগুলো সম্প্রসারণও করা হচ্ছে।

এর আগে ভারতের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানি কোল ইন্ডিয়া লিমিটেড ২০২৪ সালের মধ্যে ১০০ কোটি টন কয়লা উত্তোলন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এটি একটি উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যমাত্রা। কারণ বেসরকারি কোম্পানিগুলোর মাঝে বাণিজ্যিক নিলাম ও উত্তোলন নিয়ে আগ্রহ খুবই কম।

এদিকে কয়লাবিষয়ক মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, গত বছর ক্যাপটিভ ব্লকগুলোকে বাড়তি কয়লা বিক্রির অনুমতি দেয়ার পর দেশের কয়লা উত্তোলন সক্ষমতা বেড়েছে। এ কারণে ২০২১ সালের এপ্রিল-নভেম্বর পর্যন্ত জ্বালানি পণ্যটির উত্তোলন ৯ দশমিক ১ শতাংশ বেড়েছে।

সম্পর্কিত খবর