শিরোনাম
icon ভরিতে বাড়ল সোনার দাম icon ৮ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস icon ডিসেম্বরের মধ্যে অযোগ্য সিএফও সরানোর নির্দেশ আইডিআরএ’র icon যুক্তরাষ্ট্রের গম কিনতে দুই প্রতিষ্ঠানের দরপ্রস্তাব icon এক কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার icon নাচের ভিডিওতে পরীমনির সঙ্গে কে? icon ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী icon পাঁচ দিন বন্ধ থাকবে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের সব ব্যাংকিং সেবা icon ডেঙ্গুতে ৯ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১,৯৮২ icon রিয়াদ-দাম্মামের ১৫৩ ফ্লাইট বাতিল icon সূচকের উত্থানে লেনদেন ৪৪০ কোটি টাকা icon পোশাক রপ্তানি বাড়লেও নির্ভরতা মৌলিক পণ্যে icon শ্যামপুর সুগার মিলসের প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ icon ঢাকা ব্যাংকের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ icon নভেম্বরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ : সিইসি icon লভ্যাংশ দেবে না আজিজ পাইপস icon সামিট পাওয়ারের লভ্যাংশ ঘোষণা icon বিডি অটোকার্সের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ইভেন্স টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ইউনাইটেড পাওয়ারের লভ্যাংশ ঘোষণা icon লোকসানেও আলহাজ্ব টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon উপকূল পেরিয়ে দুর্বল হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব icon বেতন দিতে বিশেষ ঋণ নিচ্ছে সরকার icon আবারও বাড়ল সোনার দাম icon জাপানে আন্তর্জাতিক সেমিনারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করলেন জেনিথ লাইফের সিইও
down of head

ভারতকে রুশ-চীনা প্রভাবমুক্ত রাখার প্রচেষ্টা বুমেরাং

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন সম্প্রতি এক বিস্ফোরক দাবি করেছেন।

বলেছেন, দীর্ঘদিন ধরে ওয়াশিংটনের একটি বড় কূটনৈতিক কৌশল ছিল ভারতকে রাশিয়া ও চীনের প্রভাব থেকে দূরে রাখা।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী সময় থেকে শুরু করে শীতল যুদ্ধ (কোল্ড ওয়ার) ও সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর পর্যন্ত এই নীতি ধারাবাহিকভাবে চলেছে।

বোল্টনের মতে, বহু বছর ধরে মার্কিন প্রশাসন এতে যথেষ্ট সফলও হয়। কিন্তু প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কনীতি, বিশেষ করে শুল্কযুদ্ধ সেই সাফল্যের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বোল্টন বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যিক টানাপোড়েন তৈরি করে ট্রাম্প এমন এক পরিস্থিতি তৈরি করেছেন, যাতে ভারত আবার রাশিয়া ও চীনের দিকে ঝুঁকতে পারে’।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ট্রাম্পের এই নীতি শুধু অর্থনৈতিক দিক থেকেই নয়, ভূরাজনৈতিক ক্ষেত্রেও যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। কারণ, ভারত বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উদীয়মান শক্তি এবং আমেরিকার ‘ইন্দো-প্যাসিফিক’ কৌশলে মূল স্তম্ভ হিসেবে বিবেচিত।

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যদি ভারতকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের এই দূরত্ব বাড়তে থাকে, তাহলে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়, এমনকি কোয়াডের কার্যক্রমও প্রভাবিত হতে পারে।

ভারতীয় মিডিয়ার রিপোর্টে বলা হচ্ছে, শুল্ক বৃদ্ধির কারণে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য আলোচনার গতি কমেছে এবং কিছু প্রতিরক্ষা চুক্তি বাস্তবায়নেও ধীরগতি এসেছে। যদিও ভারত সরকার প্রকাশ্যে এসব আশঙ্কা অস্বীকার করছে।

এদিকে, ট্রাম্প-পুতিন বৈঠকের আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে পুতিনের আলাদা আলোচনাও আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি কাড়ছে। চীনও এই সময়টাকে কৌশলগতভাবে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে। ফলে প্রশ্ন উঠছে—আগামী দিনে মোদি শেষ পর্যন্ত কার দিকে হাত বাড়াবেন? যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বজায় রাখবেন, নাকি রাশিয়া-চীন জোটের দিকে আংশিক ঝুঁকবেন?

সব মিলিয়ে, বোল্টনের এই মন্তব্য শুধু আমেরিকার রাজনীতিতে নয়, বিশ্ব কূটনীতিতেও নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। কারণ, ভারত–আমেরিকা সম্পর্কের ভবিষ্যৎ শুধু দুই দেশের জন্য নয়, গোটা এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ক্ষমতার ভারসাম্যের ওপরও প্রভাব ফেলবে।

সম্পর্কিত খবর