বাজেটে প্রত্যক্ষ বিদেশী বিনিয়োগ আকৃষ্ট করবে: এফআইসিসিআই
ডব্লিউপিপিএফের প্রতিকূল প্রভাবসহ প্রস্তাবিত বাজেট করপোরেটবান্ধব, প্রতিক্রিয়ায় এ মূল্যায়ন জানিয়েছে বাংলাদেশের বিদেশী বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফআইসিসিআই)। প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবসম্মত উল্লেখ করে প্রতিক্রিয়ায় সংগঠনটি জানিয়েছে এফআইসিসিআইয়ের কিছু সুপারিশ বর্তমান বাজেটে বিবেচনা করা হয়েছে, যা অবশ্যই ব্যবসার ওপর কিছু ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে পাশাপাশি প্রত্যক্ষ বিদেশী বিনিয়োগ আকৃষ্ট করবে।
প্রস্তাবিত বাজেটের মূল্যায়ন নিয়ে প্রতিক্রিয়া এফআইসিসিআই বলছে, জিডিপি-বিনিয়োগ অনুপাত প্রত্যাশিত মাত্রায় বৃদ্ধি পেলে প্রস্তাবিত বাজেটের ৭ দশমিক ৫ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনযোগ্য। স্বাস্থ্য ও শিক্ষায় উল্লেখযোগ্য বরাদ্দের প্রশংসা জানিয়ে মেগা প্রকল্পগুলির জন্য বরাদ্দ হ্রাস সম্পর্কে উদ্বেগ জানিয়ে সংগঠনটি বলছে এর ফলে প্রকল্পের মোট ব্যয় বৃদ্ধির পাশাপাশি বাস্তবায়ন ধীর হবে। সংগঠনটি মনে করে মেগা-প্রকল্পে বরাদ্দ কমানোর পরিবর্তে, সরকার ব্যয়ের গুণমান বাড়ানোর দিকে মনোনিবেশ করতে পারে। এতে করে দক্ষতা উন্নয়নের পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি সম্ভব হতে পারে।
ব্যাংক খাত থেকে ঘাটতি পূরণের বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এফআইসিসিআই। সংগঠনটি মনে করে এতে তারল্য পরিস্থিতি কঠিন হতে পারে। সামাজিক নিরাপত্তা নিরাপত্তা বেষ্টনীতে বরাদ্দের উদ্যোগকে ইতিবাচক জানিয়ে বাস্তবায়নকারী কর্তৃপক্ষের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং সক্ষমতা নিশ্চিত করা প্রয়োজনের বিষয় বাজেট প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে এফআইসিসিআই।
প্রস্তাবিত বাজেটের বেশকিছু বিষয় নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে এফআইসিসিআই। সংগঠনটির মতে, শ্রম আইনের বিধান অনুযায়ী ডব্লিউপিপিএফের অর্থ লভ্যাংশ নয় বরং একটি ব্যয়, যার একটি অংশ সরকারকেও প্রদেয়। এটি কোম্পানির বিবেচনার ভিত্তিতে নয় বরং একটি বাধ্যতামূলক ব্যয়। বিধি অনুযায়ী ৫০ হাজার বেশি পরিমাণের একজন ব্যক্তিকে কর পরিশোধও করতে হবে, যা করের বোঝাও বাড়াবে।
বর্তমান ট্যাক্স ডিডাকটেড অ্যাট সোর্স (টিডিএস) বা উৎসেকরহার অনেক বেশি যা যৌক্তিক করা প্রয়োজন ছিল বলে জানিয়েছে এফআইসিসিআই। সংগঠনটি আরো বলছে, বিদ্যমান সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতির হার ইত্যাদি বিবেচনা করে ব্যক্তি করের সীমা বাড়ানো উচিত ছিল।



