পর্যটন খাতের উন্নয়নে শ্রীলংকার জনশক্তি আমদানির পরামর্শ
দেশে পর্যটনের সঙ্গে সরাসরি জড়িত ১০৯টি খাত। পরোক্ষভাবে ১ হাজার ১০০টি খাত এর সঙ্গে সংযুক্ত। প্রতি একজন পর্যটকের জন্য ১০টি প্রত্যক্ষ ও ৩৫টি পরোক্ষ কর্মসংস্থানের তৈরি হয় এখানে। এ খাতে দক্ষ জনবল ঘাটতি রয়েছে। এ অবস্থায় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য পর্যটনকে অগ্রাধিকার খাত হিসেবে চিহ্নিত করা উচিত বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এক্ষেত্রে শ্রীলংকা থেকে দক্ষ ব্যবস্থাপকসহ জনশক্তি আমদানি করে এ খাতের ঘাটতি মোকাবেলা করার পরামর্শ তাদের। ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের এক সভা থেকে গতকাল এমন অভিমত উঠে আসে। এফবিসিসিআই কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
পর্যটন উন্নয়ন (ইনবাউন্ড, আউটবাউন্ড ও সিভিল এভিয়েশন) এ বিষয়ক এফবিসিসিআই স্ট্যান্ডিং কমিটির এ সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিটির চেয়ারম্যান তৌফিক উদ্দিন আহমেদ। সভায় বক্তারা বলেন, পর্যটনের উন্নয়নে এসডিজির অন্তত ছয়টি লক্ষ্য সরাসরি জড়িত। বাকি লক্ষ্যগুলোও পরোক্ষভাবে সম্পর্কিত। তাই পর্যটনের বিকাশ না হলে ২০৩০ সাল নাগাদ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনও বাধাগ্রস্ত হবে। সেজন্য পর্যটনের উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি।
পর্যটন খাতের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানিয়ে সভায় বলা হয়েছে, সরকার কভিড-পরবর্তী বিদেশী ব্যবসায়ীদের জন্য বাংলাদেশ ভ্রমণকে উন্মুক্ত করার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে। পর্যটকের জন্যও একই ঘোষণা দিলে বাংলাদেশে বিদেশী পর্যটকরা আসতে আগ্রহী হবেন। একই সঙ্গে অন-অ্যারাইভাল ভিসা সুবিধা পুনরায় চালুর দাবি জানানো হয়।
সভায় এফবিসিসিআইয়ের সিনিয়র সহসভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু, সহ-সভাপতি এমএ মোমেন, সহসভাপতি মো. আমিন হেলালী, পরিচালক সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসাইন, আমজাদ হোসাইন, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের সাবেক সিইও আখতারুজ জামান খান ও স্ট্যান্ডিং কমিটির ডিরেক্টর ইনচার্জ এমজিআর নাসির মজুমদার প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।



