নবনির্বাচিত বিআইএ নেতৃত্বকে অগ্রণী ইন্স্যুরেন্সের সংবর্ধনা
বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স খাতের অন্যতম অগ্রগামী প্রতিষ্ঠান অগ্রণী ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড এর উদ্যোগে বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশন (বিআইএ) এর নবনির্বাচিত সভাপতি সাঈদ আহমেদ এবং সহ-সভাপতি কাজী সাখাওয়াত হোসেন লিন্টু-কে এক অনাড়ম্বর ও গৌরবময় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানটি ১৪ জুলাই রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী ঢাকা ক্লাব লিমিটেড-এর এইচ, আর, সিনহা লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে দেশের বীমা খাতের প্রতিনিধি, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সহ অন্যান্য গণ্যমান্য অতিথিবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট সাঈদ আহমেদ ও ভাইস প্রেসিডেন্ট কাজী সাখাওয়াত হোসেন লিন্টু তাদের বক্তব্যে বাংলাদেশের বীমা খাতের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সকল বীমা কোম্পানি ও অংশীজনের সহযোগীতা কামনা করেন এবং সেই সাথে দেশের বীমা শিল্পকে একটি মজবুত ভিত্তি দেয়ার সুদৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআই-এর সাবেক সভাপতি ও দেশের খ্যাতিমান শিল্পপতি মীর নাসির হোসেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বীমা খাতের ক্রমবর্ধমান অবদান তুলে ধরেন এবং দক্ষ নেতৃত্ব ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এই খাতকে আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন অগ্রণী ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড-এর সম্মানিত চেয়ারম্যান জাকের আহমেদ, এফসিএ। তিনি বীমা খাতকে দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার অন্যতম ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করেন এবং বিআইএ-এর নবনির্বাচিত নেতৃত্বকে একটি আরও গতিশীল ও জবাবদিহিমূলক সংগঠন গড়ে তোলার আহ্বান জানান। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, নতুন নেতৃত্বের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার মাধ্যমে দেশের বীমা শিল্প এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছাবে।
অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্য প্রদান করেন কোম্পানির ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ শাহবাজ হোসেন খান। তিনি নবনির্বাচিত নেতাদের প্রতি অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, “বীমা খাতের সামনে যেমন চ্যালেঞ্জ রয়েছে, তেমনি সম্ভাবনার বিশাল দিগন্তও রয়েছে। সকলে মিলে এগিয়ে গেলে বীমা খাত হতে পারে দেশের অন্যতম পর্বের জায়গা।”
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন কোম্পানির প্রতিনিধি, শীর্ষ ব্যবসায়ী প্রতিনিধি, কর্পোরেট ক্লায়েন্ট এবং অগ্রণী ইন্স্যুরেন্স-এর সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট টিমের সদস্যবৃন্দ।
বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে বীমা খাতের ডিজিটালাইজেশন, গ্রাহকসেবা, নীতিমালা উন্নয়ন ও জনসচেতনতা বৃদ্ধি নিয়ে গুরুত্বারোপ করেন। তাঁরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, বিআইএ-এর বর্তমান নেতৃত্ব এই খাতকে আরও উন্নয়নমুখী, জনবান্ধব এবং টেকসই করার কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করবে।



