শিরোনাম
icon ডিসেম্বরের মধ্যে অযোগ্য সিএফও সরানোর নির্দেশ আইডিআরএ’র icon যুক্তরাষ্ট্রের গম কিনতে দুই প্রতিষ্ঠানের দরপ্রস্তাব icon এক কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার icon নাচের ভিডিওতে পরীমনির সঙ্গে কে? icon ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী icon পাঁচ দিন বন্ধ থাকবে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের সব ব্যাংকিং সেবা icon ডেঙ্গুতে ৯ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১,৯৮২ icon রিয়াদ-দাম্মামের ১৫৩ ফ্লাইট বাতিল icon সূচকের উত্থানে লেনদেন ৪৪০ কোটি টাকা icon পোশাক রপ্তানি বাড়লেও নির্ভরতা মৌলিক পণ্যে icon শ্যামপুর সুগার মিলসের প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ icon ঢাকা ব্যাংকের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ icon নভেম্বরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ : সিইসি icon লভ্যাংশ দেবে না আজিজ পাইপস icon সামিট পাওয়ারের লভ্যাংশ ঘোষণা icon বিডি অটোকার্সের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ইভেন্স টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ইউনাইটেড পাওয়ারের লভ্যাংশ ঘোষণা icon লোকসানেও আলহাজ্ব টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon উপকূল পেরিয়ে দুর্বল হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব icon বেতন দিতে বিশেষ ঋণ নিচ্ছে সরকার icon আবারও বাড়ল সোনার দাম icon জাপানে আন্তর্জাতিক সেমিনারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করলেন জেনিথ লাইফের সিইও icon বাংলাদেশে ১ ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগের ঘোষণা icon গ্রীষ্মের আগে ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ
down of head

তিন মাসে প্রায় ৫ হাজার কোটিপতি ব্যাংক হিসাব বেড়েছে

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক অস্থিরতায় অনেকেই ব্যাংক থেকে আমানত তুলে নিতে থাকেন। ফলে কমে যায় কোটিপতিদের সংখ্যা। তবে দেশের মধ্যে রাজনৈতিক অস্থিরতা কমে আসতে শুরু করেছে। এতে মানুষের হাতে থাকা ব্যাংকে ফিরতে শুরু করে। বেড়ে যায় কোটিপ্রতি হিসাবধারী। অক্টোবর-ডিসেম্বর প্রান্তিকে ব্যাংকগুলোতে কোটিপতি হিসাবধারীর সংখ্যা বেড়েছে ৪ হাজার ৯৫৪ টি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদনে এমন চিত্র উঠে এসেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর শেষে ব্যাংক খাতে মোট অ্যাকাউন্টের (হিসাব) সংখ্যা ১৬ কোটি ৩২ লাখ ৪৭ হাজার ৫৩২টি। এসব হিসাবে মোট আমানতের স্থিতি দাঁড়িয়েছে ১৮ লাখ ৮৩ হাজার ৭১১ কোটি টাকা। গত সেপ্টেম্বর শেষে ব্যাংক খাতে মোট অ্যাকাউন্টের (হিসাব) সংখ্যা ছিল ১৬ কোটি ২০ লাখ ২৮ হাজার ২৫৫টি। এসব হিসাবে জমা ছিল ১৮ লাখ ২৫ হাজার ৩৩ কোটি টাকা। সেই অনুযায়ী তিন মাসে ব্যাংক খাতের হিসাব সংখ্যা বেড়েছে ১২ লাখ ১৯ হাজার ২৭৭টি আর আমানতের পরিমাণ বেড়েছে ৪৫ হাজার ৬২৮ কোটি টাকা।

খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কোটি টাকার হিসাব মানেই কোটিপতি ব্যক্তির হিসাব নয়। কারণ ব্যাংকে এক কোটি টাকার বেশি অর্থ রাখার তালিকায় ব্যক্তি ছাড়া অনেক প্রতিষ্ঠানও রয়েছে। আবার ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান কতটি ব্যাংক হিসাব খুলতে পারবে, তার কোনো নির্দিষ্ট সীমা নেই। ফলে এক প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির একাধিক অ্যাকাউন্টও রয়েছে। এর মধ্যে সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার কোটি টাকার হিসাবও রয়েছে।

প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, ডিসেম্বর শেষে এক কোটি টাকার বেশি আমানত রয়েছে এমন ব্যাংক হিসাবের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ২২ হাজার ৮১টি। তিন মাসে আগে (সেপ্টেম্বর শেষে) ছিল ১ লাখ ১৭ হাজার ১২৭টি। সে হিসাবে তিন মাসের ব্যবধানে কোটিপতি হিসাব সংখ্যা বেড়েছে ৪ হাজার ৯৫৪ টি।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, দেশ স্বাধীনের পর ১৯৭২ সালে দেশে কোটি টাকার আমানতকারী ছিলেন মাত্র ৫ জন। ১৯৭৫ সালে তা বেড়ে ৪৭ জনে উন্নীত হয়। ১৯৮০ সালে কোটি টাকার হিসাবধারীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৯৮টি। ১৯৯০ সালে কোটি টাকার হিসাবধারীর সংখ্যা দাঁড়ায় ৯৪৩টি, ১৯৯৬ সালে ২ হাজার ৫৯৪টি, ২০০১ সালে ৫ হাজার ১৬২টি, ২০০৬ সালে ৮ হাজার ৮৮৭টি এবং ২০০৮ সালে ছিল ১৯ হাজার ১৬৩টি।

২০২০ সালের ডিসেম্বর শেষে এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৯৩ হাজার ৮৯০টি, ২০২১ সালের ডিসেম্বর বেড়ে দাঁড়ায় ১ লাখ ১৯৭৬টিতে। এরপর ২০২২ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত কোটি টাকার হিসাবধারীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় এক লাখ ৯ হাজার ৯৪৬টি, ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে দাঁড়ায় এক লাখ ১৬ হাজার ৯০৮টিতে এবং গত জুনে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় এক লাখ ১৮ হাজার ৭৮৪টিতে। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে সেই হিসাবের সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে এক লাখ ১৭ হাজার ১২৭টিতে। আর সবশেষ ডিসেম্বর শেষে কোটি টাকার হিসাবধারীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ২২ হাজার ৮১টি।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুযায়ী, স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে দেশে কোটিপতি আমানতকারী ছিল ৫ জন, ১৯৭৫ সালে তা ৪৭ জনে উন্নীত হয়। ১৯৮০ সালে কোটিপতি হিসাবধারীর সংখ্যা ছিল ৯৮টি। এরপর ১৯৯০ সালে ৯৪৩টি, ১৯৯৬ সালে ২ হাজার ৫৯৪ জন, ২০০১ সালে ৫ হাজার ১৬২টি, ২০০৬ সালে ৮ হাজার ৮৮৭টি এবং ২০০৮ সালে ছিল ১৯ হাজার ১৬৩টি।

২০২০ সালের ডিসেম্বর শেষে কোটি টাকা আমানতকারীর সংখ্যা দাঁড়ায় ৯৩ হাজার ৮৯০টি। ২০২১ সালের ডিসেম্বর বেড়ে তা দাঁড়ায় ১ লাখ ১৯৭৬টিতে। ২০২২ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সেই হিসাবের সংখ্যা ছিল এক লাখ ৯ হাজার ৯৪৬টি। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে দাঁড়ায় এক লাখ ১৬ হাজার ৯০৮টিতে। গত বছরের জুনে এমন হিসাবের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় এক লাখ ১৮ হাজার ৭৮৪টিতে, সেপ্টেম্বরে এক লাখ ১৭ হাজার ১২৭টিতে এবং ডিসেম্বরে বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক লাখ ২২ হাজার ৮১টিতে।

এসএইচ
সম্পর্কিত খবর