শিরোনাম
icon ডিসেম্বরের মধ্যে অযোগ্য সিএফও সরানোর নির্দেশ আইডিআরএ’র icon যুক্তরাষ্ট্রের গম কিনতে দুই প্রতিষ্ঠানের দরপ্রস্তাব icon এক কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার icon নাচের ভিডিওতে পরীমনির সঙ্গে কে? icon ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী icon পাঁচ দিন বন্ধ থাকবে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের সব ব্যাংকিং সেবা icon ডেঙ্গুতে ৯ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১,৯৮২ icon রিয়াদ-দাম্মামের ১৫৩ ফ্লাইট বাতিল icon সূচকের উত্থানে লেনদেন ৪৪০ কোটি টাকা icon পোশাক রপ্তানি বাড়লেও নির্ভরতা মৌলিক পণ্যে icon শ্যামপুর সুগার মিলসের প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ icon ঢাকা ব্যাংকের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ icon নভেম্বরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ : সিইসি icon লভ্যাংশ দেবে না আজিজ পাইপস icon সামিট পাওয়ারের লভ্যাংশ ঘোষণা icon বিডি অটোকার্সের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ইভেন্স টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ইউনাইটেড পাওয়ারের লভ্যাংশ ঘোষণা icon লোকসানেও আলহাজ্ব টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon উপকূল পেরিয়ে দুর্বল হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব icon বেতন দিতে বিশেষ ঋণ নিচ্ছে সরকার icon আবারও বাড়ল সোনার দাম icon জাপানে আন্তর্জাতিক সেমিনারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করলেন জেনিথ লাইফের সিইও icon বাংলাদেশে ১ ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগের ঘোষণা icon গ্রীষ্মের আগে ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ
down of head

জ্বালানি ও খাদ্যে ভর্তুকি বাড়ানো যেতে পারে: এমসিসিআই

বিশ্বব্যাপী জ্বালানি ও খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির কারণে এ খাতে ভর্তুকির পরিমাণ আরো বাড়ানো যেতে পারে বলে মনে করে মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই)। বৃহস্পতিবার সংসদে ২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেট উত্থাপনের পর এক প্রতিক্রিয়ায় এমনটা জানায় সংগঠনটি। এমসিসিআই উল্লেখ করে, এবারের বাজেটে নাগরিকদের স্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করাটা অগ্রাধিকার পাওয়া উচিত। একই সঙ্গে বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে জ্বালানি, খাদ্য, সার, ইত্যাদির মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে আরো বেশি সরকারি সহায়তা প্রয়োজন।

এমসিসিআই মনে করে, অত্যাবশ্যকীয় ব্যয় নির্বাহ, অর্থনীতিতে তহবিল জোগান ও সামগ্রিক অভ্যন্তরীণ চাহিদা বাড়ানোর জন্য প্রয়োজন হলে বাজেটে ঘাটতি বাড়াতে সরকারের দ্বিধা করা উচিত নয়। এ ঘাটতি পূরণের জন্য ব্যাংক খাতের বাইরেও দৃষ্টি দিতে হবে। ঋণ নেয়ার যথেষ্ট মাধ্যম ও বৈদেশিক মুদ্রার প্রয়োজনীয়তার সঙ্গে কম খরচে আন্তর্জাতিক তহবিল প্রাপ্তির খোঁজ করা যেতে পারে।

বাজেট প্রতিক্রিয়ায় এমসিসিআই উল্লেখ করে, জীবন ও জীবিকা নিশ্চিত করতে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ; কৃষি ও সর্বোপরি খাদ্য নিরাপত্তা; স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নসহ মানব সম্পদ উন্নয়ন; দেশীয় বিনিয়োগ ও রফতানি বৃদ্ধি এবং রফতানি বহুমুখীকরণের প্রসার; কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও গ্রামীণ উন্নয়নে অগ্রাধিকার দেয়ার বিষয়গুলো অত্যন্ত ইতিবাচক।

প্রতিক্রিয়ায় কর নীতি সংস্কার, কর প্রশাসনের সক্ষমতা বৃদ্ধি বা যথাযথ জনসেবা প্রদানের আরো যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে বলে মনে করে এমসিসিআই। সংগঠনটি জানায়, বিদ্যমান কাঠামোতে উচ্চ আয়ের অনেক যোগ্য প্রতিষ্ঠানও করের আওতার বাইরে থেকে যায়। অন্যদিকে যারা নিয়মিত কর প্রদান করে আসছে তাদের উপর আরো বেশি করে করের বোঝা চাপানো হয়।

প্রতিক্রিয়ায় এমসিসিআই জানায়, রফতানি উন্নয়ন তহবিলের (ইডিএফ) আকার ৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার থেকে কমপক্ষে ১০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা এবং তাতে সব রফতানিকারকের প্রবেশাধিকার থাকা উচিত। বাংলাদেশ ব্যাংক ও অনুমোদিত পরিবেশক দ্বারা বিনিয়োগের পরিষেবা চার্জ ও মুনাফা কমিয়ে ইডিএফের জন্য তহবিলের ব্যয় কমানো যেতে পারে। সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা নিশ্চিতে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয়ে সতর্ক অবস্থান ও বিদ্যুৎ, গ্যাস এবং সারের দামে উচ্চ ভর্তুকি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে বলে মনে করে এমসিসিআই। অন্যথায় ভর্তুকি ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে আরো বাড়বে।

এবারের বাজেটে রফতানিমুখী শিল্পের জন্য টিডিএস দশমিক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১ শতাংশ করা হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে এ হার পুনর্বহালের আহ্বানও জানায় এমসিসিআই।

সম্পর্কিত খবর