অর্থমন্ত্রী
জুনের মধ্যে আইএমএফ থেকে ১৩০ কোটি ডলার আসতে পারে
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও বাংলাদেশের চলমান অর্থনৈতিক কর্মসূচি সঠিক পথে এগোচ্ছে। আর্থিক খাত স্থিতিশীল রাখা ও প্রবৃদ্ধি পুনরুদ্ধারের জন্য সরকার বিভিন্ন অর্থনৈতিক সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে আইএমএফের এশিয়া ও প্যাসিফিক বিভাগের পরিচালক কৃষ্ণা শ্রীনিবাসন এর সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের তিনি জানান, দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কর্মসূচির শর্তাবলী ও বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা চলছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, “দায়িত্ব গ্রহণের পর আমরা আগের অর্থনীতির দুরবস্থা পেয়েছি। ব্যাংকিং সেক্টর ও শেয়ারবাজার এখনো সংকটাপন্ন, কর-জিডিপি হারও কম হওয়ায় অর্থনীতি চ্যালেঞ্জের মুখে। সরকার নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুত সংস্কার নিয়ন্ত্রণ শিথিলকরণ, ব্যবসা সহজীকরণ ও খরচ কমানো প্রয়োগ করছে।”
তিনি আরও বলেন, “অন্তর্বর্তী সময়ে স্থগিত থাকা উন্নয়ন প্রকল্প পুনরুজ্জীবিত করতে হবে। এজন্য আর্থিক সংস্কার প্রয়োজন, যা আগামী বাজেটে প্রতিফলিত হবে।”
আইএমএফ অর্থায়নের প্রসঙ্গে তিনি জানান, পরবর্তী ষষ্ঠ কিস্তি নিয়ে আলোচনা চলমান এবং পর্যালোচনার ভিত্তিতে জুনের মধ্যে প্রায় ১.৩ বিলিয়ন ডলার পাওয়া যেতে পারে। এপ্রিল মাসে ওয়াশিংটনে আইএমএফের বসন্তকালীন বৈঠকে বিষয়টি বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।
আইএমএফের পক্ষ থেকে কৃষ্ণা শ্রীনিবাসন বলেন, “অর্থায়ন সংক্রান্ত আলোচনা নীতিগত সম্পৃক্ততার ওপর ভিত্তি করে হয়। অর্থমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। আইএমএফ বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ চালিয়ে যাবে।”
অর্থমন্ত্রী এই বছরের জুনে প্রায় ১৩০ কোটি ডলার আইএমএফ থেকে আসার সম্ভাবনা প্রকাশ করেছেন, যা দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও উন্নয়ন প্রকল্প পুনরুজ্জীবিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।


