শিরোনাম
icon ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, ভর্তি ২২১৮ icon লেনদেনের শীর্ষে প্রাইম ব্যাংক icon হাম উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু icon ঢাকা ইন্স্যুরেন্সের বোর্ড সভা ২৯ অক্টোবর icon মনোস্পুল পেপারের বোর্ড সভা ৯ নভেম্বর icon মাগুরা মাল্টিপ্লেক্সের বোর্ড সভা ৯ নভেম্বর icon ৯৯৯ টাকা দেনমোহরে সুজাত শিমুলের বিয়ে icon ইউনিয়ন ইন্স্যুরেন্সের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon ইসলামী কমার্শিয়াল ইন্স্যুরেন্সের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon সূচকের পতনে চলছে লেনদেন icon এমটিবি’র ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন icon জন্মদিনের ভিডিওতে অবাক ভক্তরা icon জাপানের ৬৩৫ কোটি ডলারের বিনিয়োগ উদ্যোগ বাংলাদেশে icon ফনিক্স ফাইন্যান্সের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon নর্দান ইসলামী ইন্স্যুরেন্সের বোর্ড সভা ২৯ অক্টোবর icon বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম icon ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৬৬২ icon চার দিনের সফরে জাপান পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী icon গোলাপি আভায় জয়া আহসান icon জাপানে পোশাক রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধির ইঙ্গিত icon রোমানিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে তারেক রহমানের অভিনন্দন icon বিমানের রিয়াদ-দাম্মাম ফ্লাইট ৪ নভেম্বর পর্যন্ত বন্ধ icon ডেঙ্গুতে আরও ৭ মৃত্যু, আক্রান্ত ২,২৪৯ icon ১ নভেম্বর খুলছে সেন্টমার্টিন icon গোলাপি জার্সিতে পাকিস্তান
down of head

জনসংখ্যা বাড়াতে মাতৃত্বকালীন ছুটি এক বছর করছে চীনা প্রদেশ

চীনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় একটি প্রদেশ দম্পতিদের সন্তান নিতে উৎসাহিত করতে মাতৃত্বকালীন ছুটির মেয়াদ এক বছরে বৃদ্ধি করতে চাইছে। স্থলবেষ্টিত ওই প্রদেশে ইউরোপের অনেক উন্নত দেশের মতো মাতৃত্বকালীন পেইড লিভ বা সবেতন ছুটি দেওয়ারও চিন্তা চলছে।

দেশটির শানশি প্রদেশে বর্তমানে মাতৃত্বকালীন ছুটির মেয়াদ ১৬৮ দিন। প্রদেশের সরকার এখন এই ছুটি বৃদ্ধি করে এক বছরে উন্নীত করার জন্য জনগণের মতামত চেয়েছে। জনগণের ইতিবাচক সাড়া মিললে ইউরোপের দেশ জার্মানি এবং নরওয়ের মতো শানশিতেও মাতৃত্বকালীন সবেতন ছুটি এক বছরে বৃদ্ধি করা হবে।

একই সঙ্গে তৃতীয় সন্তান নিতে চাওয়া দম্পতিদের জন্য পিতৃত্বকালীন ছুটির মেয়াদও দ্বিগুণ করে ৩০ দিন করার কথা বিবেচনা করছে শানসি।

বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল এই দেশটিতে সন্তান জন্মদানের হার নাটকীয়ভাবে কমে আসছে বলে গত মে মাসে চীনের সরকারি এক পরিসংখ্যানে জানানো হয়। এরপর দেশটির সরকার নবদম্পতিরা তিন সন্তান নিতে পারবেন বলে ঘোষণা দেওয়া হয়।

তবে তিন সন্তান নেওয়ার অনুমতির এই ঘোষণায় কোনও পরিবর্তন আসবে কি-না তা নিয়ে পরিবারগুলোর মাঝে ব্যাপক সন্দেহ দেখা দেয়। এছাড়া তিন সন্তান নিতে চাওয়া দম্পতিদের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সহায়তামূলক কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে সে বিষয়ে বিস্তারিত প্রকাশের দাবিও ওঠে।

তারপর থেকে শানসিসহ দেশটির অন্তত ১৪টি প্রদেশ হয় স্থানীয় পরিবার পরিকল্পনা নীতিমালা সংশোধন অথবা মাতৃত্ব বা পিতৃত্বকালীন অতিরিক্ত ছুটির বিষয়ে আইন সংশোধন করতে জনগণের মতামত চাচ্ছে। বুধবার চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, যেসব দম্পতির ৩ বছর বা তারও কম বয়সী সন্তান আছে; তাদের কেউ কেউ ‘শিশু লালন-পালন ছুটি’ নামে ছুটির একটি নতুন ফর্ম তৈরি করেছেন।

দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় দ্বীপ প্রদেশ হাইনানে যেসব দম্পতির ৩ বছরের নিচের সন্তান আছে, তাদের জন্য সন্তান লালন-পালনে দৈনিক এক ঘণ্টার ছুটির প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে। হেইলংজিয়াং প্রদেশের সীমান্তের শহরগুলোতে দম্পতিদের চারটি সন্তান নেওয়ার অনুমতিও দেওয়া হয়েছে। চীনের প্রত্যন্ত উত্তর-পূর্ব অঞ্চলে গড় জন্মহার অনেক কম হওয়ায় স্থানীয় সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় ২০১৬ সালে কয়েক দশকের পুরোনো ‘এক সন্তানের নীতি’ বাতিল করে ‘দুই সন্তানের নীতি’ গ্রহণ করে চীন। এরপরও সন্তান জন্মহার বাড়াতে ব্যর্থ হয় সরকারের এই নীতি। চীনের শহরাঞ্চলে শিশু লালন-পালনের অপেক্ষাকৃত উচ্চ ব্যয়ের কারণে সরকারের এই নীতি মুখ থুবড়ে পড়ে। এই চ্যালেঞ্জ এখনও অব্যাহত আছে।

সাম্প্রতিক এক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, চীনে ২০২০ সালে প্রত্যেক নারীর সন্তান প্রজননের হার ছিল মাত্র এক দশমিক ৩ শতাংশ।

সম্পর্কিত খবর