শিরোনাম
icon ডেঙ্গুতে ৯ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১,৯৮২ icon রিয়াদ-দাম্মামের ১৫৩ ফ্লাইট বাতিল icon সূচকের উত্থানে লেনদেন ৪৪০ কোটি টাকা icon পোশাক রপ্তানি বাড়লেও নির্ভরতা মৌলিক পণ্যে icon শ্যামপুর সুগার মিলসের প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ icon ঢাকা ব্যাংকের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ icon নভেম্বরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ : সিইসি icon লভ্যাংশ দেবে না আজিজ পাইপস icon সামিট পাওয়ারের লভ্যাংশ ঘোষণা icon বিডি অটোকার্সের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ইভেন্স টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ইউনাইটেড পাওয়ারের লভ্যাংশ ঘোষণা icon লোকসানেও আলহাজ্ব টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon উপকূল পেরিয়ে দুর্বল হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব icon বেতন দিতে বিশেষ ঋণ নিচ্ছে সরকার icon আবারও বাড়ল সোনার দাম icon জাপানে আন্তর্জাতিক সেমিনারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করলেন জেনিথ লাইফের সিইও icon বাংলাদেশে ১ ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগের ঘোষণা icon গ্রীষ্মের আগে ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ icon দরপতনের শীর্ষে মীর আক্তার হোসেন icon ডেঙ্গুতে আরও ১১ মৃত্যু, ভর্তি ২,০৭১ icon অর্থছাড়ে শীর্ষে আইডিএ ও এডিবি icon শ্যালিকাকে বিয়ে করে বাড়িছাড়া মাসুদ icon সূচকের পতনে লেনদেন ৪০৩ কোটি টাকার icon ঢাকা ও চট্টগ্রামে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন
down of head

চীনে নিম্নমুখী আকরিক লোহার চাহিদা

চীনে কভিড-১৯ ভাইরাসের সংক্রমণ নতুন করে তীব্র আকার ধারণ করায় চাপের মুখে আকরিক লোহার বাজার। লকডাউন ও অন্যান্য বিধিনিষেধে ধাতুটির চাহিদায় ধস নেমেছে। খবর ফাইন্যান্সিয়াল রিভিউ।

যদিও বিশ্লেষকরা বলছেন, লকডাউন ধাতুটির বাজারে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলবে না। কারণ আগামী মাস থেকেই ঘুরে দাঁড়াতে পারে ইস্পাতের চাহিদা। ইস্পাত উৎপাদনের অন্যতম উপকরণ আকরিক লোহা। ফলে ইস্পাতের চাহিদা বাড়লে বাড়বে আকরিক লোহারও।

এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল প্লাটসের দেয়া তথ্যানুসারে, নিম্নমুখী চাহিদার কারণে সর্বশেষ স্পট মার্কেটে আকরিক লোহার দাম টানা দ্বিতীয় দিনের মতো কমেছে। প্রতি টনের মূল্য স্থির হয়েছে ১৪৩ ডলার ৪০ সেন্টে, যা আগের তুলনায় ৩ শতাংশ কম। এছাড়া মার্চের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ধাতুটির দাম কমেছে ১০ শতাংশ। সিঙ্গাপুরে এপ্রিলে সরবরাহ চুক্তিতে প্রতি টন আকরিক লোহার দাম দশমিক ৪ শতাংশ কমে ১৪৫ ডলারে নেমেছে।

তথ্য বলছে, চীনের প্রায় ২৮টি প্রদেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়েছে। এর মধ্যে দেশটির সবচেয়ে বড় ইস্পাত উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত তাংসান সিটিও রয়েছে। সংক্রমণ বাড়ায় তাংসান সিটিতে জরুরি নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।

এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল প্লাটসের দেয়া তথ্য বলছে, করোনার কারণে চীনে ইস্পাতের চাহিদা উৎপাদনের তুলনায় অনেক কমেছে। তবে বাজার পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, অল্প সময়ের মধ্যেই ধাতুটির বাজারে পুনরুদ্ধার ঘটবে। কারণ এপ্রিলের মধ্যে সংক্রমণ স্থিতিশীল হয়ে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সম্পর্কিত খবর