শিরোনাম
icon আস্থা লাইফের ২৮ লাখ টাকার বীমা দাবি নিষ্পত্তি icon প্রোটেক্টিভ ইসলামী লাইফের ৫ লাখ টাকার মৃত্যুদাবির চেক হস্তান্তর icon রমজানের আগে নিত্যপণ্যের আমদানি ও এলসি বৃদ্ধি icon জনতা, অগ্রণী ও বেসিক ব্যাংকে নতুন এমডি icon ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, ভর্তি ২২১৮ icon লেনদেনের শীর্ষে প্রাইম ব্যাংক icon হাম উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু icon ঢাকা ইন্স্যুরেন্সের বোর্ড সভা ২৯ অক্টোবর icon মনোস্পুল পেপারের বোর্ড সভা ৯ নভেম্বর icon মাগুরা মাল্টিপ্লেক্সের বোর্ড সভা ৯ নভেম্বর icon ৯৯৯ টাকা দেনমোহরে সুজাত শিমুলের বিয়ে icon ইউনিয়ন ইন্স্যুরেন্সের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon ইসলামী কমার্শিয়াল ইন্স্যুরেন্সের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon সূচকের পতনে চলছে লেনদেন icon এমটিবি’র ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন icon জন্মদিনের ভিডিওতে অবাক ভক্তরা icon জাপানের ৬৩৫ কোটি ডলারের বিনিয়োগ উদ্যোগ বাংলাদেশে icon ফনিক্স ফাইন্যান্সের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon নর্দান ইসলামী ইন্স্যুরেন্সের বোর্ড সভা ২৯ অক্টোবর icon বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম icon ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৬৬২ icon চার দিনের সফরে জাপান পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী icon গোলাপি আভায় জয়া আহসান icon জাপানে পোশাক রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধির ইঙ্গিত icon রোমানিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে তারেক রহমানের অভিনন্দন
down of head

ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না পুঁজিবাজার

বড় পতনের পর কয়েক দিনের বিরতি দিয়ে আবার পতন শুরু হয়েছে পুঁজিবাজারে। আবার একযোগে কমতে দেখা যাচ্ছে সিংহভাগ কোম্পানির শেয়ারদর। পাশাপাশি কমছে বাজার মূলধন ও সূচকও। ফলে বিনিয়োগ নিয়ে অস্বস্তিতে পড়ছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। ভেস্তে যাচ্ছে তাদের নতুন পরিকল্পনা। বাজারের এ পরিস্থিতি থাকলে ভবিষ্যতে তাদের অবস্থা আরও খারাপ হবে বলে জানান ভুক্তভোগীরা।

বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, বড় পতনের পর তিন কার্যদিবস কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী ছিল বাজার। সেই ধারা থেকে বের হয়ে সম্প্রতি আবার পতন শুরু হয়। সর্বশেষ গতকালও উল্লেখযোগ্যহারে সূচকের পতন দেখেন বিনিয়োগকারীরা। এদিন ডিএসইর প্রধান সূচক হ্রাস পায় ৫০ পয়েন্ট বা প্রায় এক শতাংশ। পাশাপাশি বাজার মূলধন কমে প্রায় দুই হাজার কোটি টাকা। দিন শেষে ডিএসইতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ও ফান্ডের মূলধন দাঁড়ায় পাঁচ লাখ ৪৯ হাজার কোটি টাকা।

গত এক মাসের বাজারচিত্রে দেখা যায়, ডিএসইতে তালিকাভুক্ত কোম্পানিও ফান্ডের বাজার মূলধন কমে ৩৩ হাজার কোটি টাকা। এ হিসাবে গত একমাসে দৈনিক গড় হারে বাজার মূলধন কমেছে প্রায় এক হাজার ৫০০ কোটি টাকা। অন্যদিকে এ সময় ডিএসইর প্রধান সূচক কমেছে ৪৮৭ পয়েন্ট। দৈনিক যার পরিমাণ প্রায় ২৩ পয়েন্টের বেশি।

বিষয়টি নিয়ে কথা বললে বিনিয়োগকারীরা বলেন, কয়েকদিন আগের পতনে আমরা অনেক লোকসান দিয়েছি। এরপর বাজার সংশ্লিষ্টদের অভয়বার্তা শুনে আমরা নতুন পরিকল্পনা নিয়ে বিনিয়োগ শুরু করি। কিন্তু নতুন বিনিয়োগ করেও বাজারের উল্টোচিত্র দেখতে পাচ্ছি। এ ধারা চলতে থাকলে আমাদের পুঁজি রক্ষা করা দায় হয়ে পড়বে বলে মন্তব্য করেন তারা।

এদিকে বাজার পতনের জন্য ঘুরে ফিরে বিনিয়োগকারীদেরই দায়ী করছেন পুঁজিবাজার-সংশ্লিষ্টরা। তাদের অভিমত বর্তমানে বিনিয়োগকারীদের আস্থার সংকট চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। কিন্তু বাজারে এমন কোনো পরিস্থিতি হয়নি যার জন্য লাগাতার পতন হতে পারে। মূলত বিনিয়োগকারীরা ভয় পেয়ে পেনিক সেল করছেন, যার প্রভাবে বাজার ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না। তাদের শেয়ার বিক্রয় চাপে বাজারে নাজুক পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। অর্থাৎ বিনিয়োগকারীদের আস্থা সংকটের কারণে পতন আরও ঘনীভূত হচ্ছে। তাদের আস্থা বাড়লে পুঁজিবাজার আবার ঘুরে দাঁড়াবে।

এ বিষয়ে পুঁজিবাজার বিশ্লেষক অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, পুঁজিবাজারে সূচকের হ্রাস-বৃদ্ধির বিষয়টি স্বাভাবিক। এটা মানিয়ে নিয়েই পুঁজিবাজারে ব্যবসা করতে হয়। কিন্তু আমাদের দেশের বিনিয়োগকারীরা সহজে আস্থা হারিয়ে ফেলেন, যে কারণে পেনিক সেল বেড়ে যায়। তাই পতন নেমে আসে। বর্তমান বাজারে সেই পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, কোনো কারণে বাজারে পতন নেমে এলে ভীত হয়ে শেয়ার ছেড়ে দেয়া বুদ্ধিমানের কাজ নয়। বরং এ সময় তাদের ধৈর্যের পরিচয় দেয়া উচিত। তারা ধৈর্য ধারণ করলে বাজার আবার ঘুরে দাঁড়াবে।

অন্যদিকে বাজার পতনের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের দায়ী করছেন অনেকে। তারা না থাকার কারণে বাজারের এমন পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে মনে করেন অনেকে। এ প্রসঙ্গে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডিএসইর একজন কর্মকর্তা বলেন, বর্তমানে বাজারে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের উপস্থিতি কম। এ কারণে বাজার ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না।

সম্পর্কিত খবর