শিরোনাম
icon বেতন দিতে বিশেষ ঋণ নিচ্ছে সরকার icon আবারও বাড়ল সোনার দাম icon জাপানে আন্তর্জাতিক সেমিনারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করলেন জেনিথ লাইফের সিইও icon বাংলাদেশে ১ ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগের ঘোষণা icon গ্রীষ্মের আগে ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ icon দরপতনের শীর্ষে মীর আক্তার হোসেন icon ডেঙ্গুতে আরও ১১ মৃত্যু, ভর্তি ২,০৭১ icon অর্থছাড়ে শীর্ষে আইডিএ ও এডিবি icon শ্যালিকাকে বিয়ে করে বাড়িছাড়া মাসুদ icon সূচকের পতনে লেনদেন ৪০৩ কোটি টাকার icon ঢাকা ও চট্টগ্রামে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন icon সিকদার ইন্স্যুরেন্সের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা icon পদ্মা অয়েলের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা icon কপারটেকের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ক্রাউন সিমেন্টের লভ্যাংশ ঘোষণা icon তসরিফা ইন্ডাস্ট্রিজের লভ্যাংশ ঘোষণা icon বেঙ্গল উইন্ডসোর লভ্যাংশ ঘোষণা icon রহিম টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon কফির কাপে ক্যাজুয়াল লুকে পূর্ণিমা icon জাপানি ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর icon কে এন্ড কিউয়ের লভ্যাংশ ঘোষণা icon রানার অটোমোবাইলসের লভ্যাংশ ঘোষণা icon এডভেন্ট ফার্মার লভ্যাংশ ঘোষণা icon সাইনপুকুর সিরামিকসের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৪৩
down of head

খনি খাতে হাজার কোটি ডলার আয় করতে চায় আর্জেন্টিনা

নিজেদের খনি খাতে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে ক্রমাগতই চেষ্টা বাড়িয়ে চলছে লাতিন আমেরিকার দেশ আর্জেন্টিনা। এর মাধ্যমে নিজেদের ধাতু ও খনিজ দ্রব্য উত্তোলন বাড়াতে চায় দেশটি। মূলত আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গে বিলিয়ন ডলারের ঋণ পুনর্গঠনের জন্য এমন পদক্ষেপ নিয়েছে আর্জেন্টাইন সরকার। খবর মাইনিং ডটকম।

আগামী দশকের মধ্যে খনি খাত থেকে রফতানির মাধ্যমে ১ হাজার কোটি ডলারের বেশি আয় করতে চায় আর্জেন্টিনা। এ লক্ষ্যে এসব পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানানো হয়। আর্জেন্টাইন সরকার জানায় বর্তমানে অগ্রগতির পর্যায়ে থাকা ৩৪টি প্রকল্পের দ্বারা ২ হাজার ৫০০ কোটি ডলার সমপরিমাণ বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা সম্ভব।

২০২০ ও ২১ সালে আর্জেন্টিনার খনি খাতে মোট ৯৩০ কোটি ডলারের বিনিয়োগ ঘোষণা করা হয়। খাতটির ৯৪ দশমিক ৫ শতাংশ প্রকল্পে সম্প্রসারণ ও নির্মাণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। সরকারি তথ্যমতে এমনটা জানা যায়। কর্তৃপক্ষ জানায়, দেশটির কপার খাতে উন্নয়নের জন্য ২ হাজার ২২০ কোটি ডলার ও লিথিয়াম ডিপোজিটের জন্য ৭৩০ কোটি ডলার প্রয়োজন। স্বর্ণ খাতের জন্য ১৬৫ কোটি ডলার ও রৌপ্যের জন্য ১১১ কোটি ডলার বিনিয়োগ প্রয়োজন।

নানা কারণে দেশটি এরই মধ্যে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার হুমকিতে রয়েছে। ফলে নিজেদের খনি শিল্পে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে নানা ধরনের প্রণোদনা চালু করেছে আর্জেন্টিনা। ২০২০ সালের অক্টোবরে রফতানি কর ১২ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৮ শতাংশে নামিয়ে এনেছে দেশটি। প্রয়োজনে রফতানি কর আরো কমানোর পদক্ষেপ নেয়া হবে বলেও জানা যায়। তবে ঠিক কতটা কমানো হবে সে সম্পর্কে কোনো তথ্য দেয়নি আর্জেন্টাইন সরকার। আর্জেন্টাইন চেম্বার অব মাইনিং অন্ট্রাপ্রেনিউর্সের (সিএইএম) নির্বাহী পরিচালক লুসিয়ানো বেরেনস্টাইন এক বিবৃতিতে বলেন, খনি উৎপাদনের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোর তুলনায় আর্জেন্টিনায় করের হার এখনো বেশি। সংস্থাটি খনি খাতে কর্মরত কর্মীদের বেতন থেকে করের হার কমাতে এবং ভ্যাট ফেরতের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে অবস্থান বাড়াতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানায়।

গত বছর কানাডার লনডিন মাইনিং কোম্পানি অধিগ্রহণকৃত আর্জেন্টিনার সান জোয়ান প্রদেশে কপার, স্বর্ণ ও রৌপ্য খনিতে উত্তোলন কার্যক্রমে ৪২০ কোটি ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দেয়। এ বিনিয়োগের ফলে আড়াই হাজার কর্মসংস্থান ও বার্ষিক ১৭০ কোটি ডলার সমপরিমাণ রফতানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে। উল্লিখিত খনিটি ২০২৬ সাল নাগাদ কার্যক্রম শুরু করবে এবং ১৯ বছর ধরে এটি সক্রিয় থাকবে।

সম্পর্কিত খবর