শিরোনাম
icon কম দামে এলএনজি কিনবে সরকার icon সূচকের পতন, লেনদেন ৪৩০ কোটি টাকা icon গ্যাস সংকটে আবারও বন্ধ যমুনা সার কারখানা icon ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকোর বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon আফতাব অটোর বোর্ড সভা ২৯ অক্টোবর icon ওয়াটা কেমিক্যালের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon মেঘনা সিমেন্টের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon রহিমা ফুডের বোর্ড সভা ২৭ অক্টোবর icon অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্সের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon সাইবার হামলায় জনতা ব্যাংকের ওয়েবসাইট icon বসুন্ধরা পেপারের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমসের বোর্ড সভা ২৭ অক্টোবর icon সামিট পাওয়ারের বোর্ড সভা ২৭ অক্টোবর icon সাইনপুকুর সিরামিকসের বোর্ড সভা ২৯ অক্টোবর icon ইউনিক হোটেলের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon ইন্দো-বাংলা ফার্মার বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon বেক্সিমকো ফার্মার বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon স্টাইল ক্রাফটের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon বিবিএস ক্যাবলসের বোর্ড সভা ২৭ অক্টোবর icon ৯ হাজার কোটি টাকার ১৫ প্রকল্প স্থগিত icon সূচকের পতনে চলছে লেনদেন icon আবারও কমল সোনার দাম icon ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৯৮ জন icon চালু হলো বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট
down of head

কারওয়ান বাজার থেকে সদরঘাট: ৩০ মিনিটের রাস্তায় লাগে ৩ ঘণ্টা

জ্যামের শহর ঢাকা। দীর্ঘ যানজটে মানুষের ভোগান্তি এখন চরমে। শহরে বলতে গেলে প্রায় সারাদিন যানজট থাকলেও সকাল ৮টা থেকে দুপুর সাড়ে ১১টা এবং বিকেল ৫টায় অফিস ছুটির পর যানজটের মাত্রা হয় অসহনীয়। প্রতিটি ট্রাফিক সিগন্যাল পার হতেই লেগে যায় ১৫ থেকে ২০ মিনিট।

সরেজমিনে কারওয়ান বাজার, শাহবাগ, নয়াপল্টন, গুলিস্তান এলাকা ঘুরে দেখা যায়, প্রতিটি সড়কেই যানবাহনের দীর্ঘ লাইন। তবে গুলিস্তান এলাকায় যানজটের মাত্রা ভয়াবহ। কারওয়ান বাজার থেকে সদরঘাট যাওয়ার জন্য হাতে রাখতে হয় আড়াই থেকে তিন ঘণ্টা। তবে যাত্রীদের অধিকাংশের ভাষ্য, এই পথ যেতে ৩০ মিনিটও লাগার কথা না।

এই পথে যাতায়াত করতে গিয়ে কারওয়ান বাজার, বাংলা মটর, শাহাবাগ, নয়া পল্টন প্রত্যেকটা মোড়েই যাত্রীদের আটকে থাকতে হয়ে দীর্ঘক্ষণ। এরপর নয়া পল্টন পার হয়ে গুলিস্তানের সিগন্যালে কাটে দীর্ঘক্ষণ। আবার পুরান ঢাকা এলাকার প্রত্যেকটি সড়কে কোনো সিগন্যাল ছাড়াই কাটে দীর্ঘসময়।

গুলিস্তান জিরো পয়েন্টে কর্তব্যরত ট্রাফিক ইন্সপেক্টর সাগর গণমাধ্যমকে বলেন, যানজট কমাতে যথাসাধ্য চেষ্টা করছি। কিন্তু করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় প্রত্যেকটি অফিস-আদালত এখন সচল। অফিস আওয়ারে সমস্যা আরও বেশি হয়। তখন মানুষজনের প্রচুর চাপ থাকে।

তিনি বলেন, সবচেয়ে বেশি সমস্যা সৃষ্টি করে রিক্সা। ঢাকা শহরে রিক্সা চলাচল প্রচুর পরিমাণে বেড়েছে। রিক্সার সমস্যা হচ্ছে, এরা যান চলাচলের গতি মন্থর করে দেয়। গ্রাম থেকে প্রচুর লোক নতুন করে ঢাকা শহরে রিক্সা চালাতে আসছেন। এছাড়া প্রচুর পরিমাণে প্রাইভেটকারও বেড়েছে। কাগজপত্র ঠিক থাকলেও অতিরিক্ত পরিমাণ গাড়ি যানজট সৃষ্টি করছে।

বাসগুলোর প্রতিযোগিতা ও রাস্তা দখল করে যাত্রী তোলা-নামানোর বিষয়ে আপনারা কী ব্যবস্থা নিয়েছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা চেষ্টা করি বিষয়গুলো বন্ধ করার। আমরা আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছি এবং তা অব্যাহত থাকবে।

এছাড়া মেট্রো রেলের কাজ চলার কারণে রাস্তা সংকুচিত হয়ে গেছে। এই পথে যানজটের এটিও একটি কারণ বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

কারওয়ান বাজার থেকে সদরঘাটগামী এক যাত্রী বলেন, প্রায় প্রতিদিনই এই পথে একই অবস্থা। শুক্রবার বা বন্ধের দিন ছাড়া প্রতিটি দিন এখন একই অবস্থা থাকে। প্রায় ২-৩ ঘণ্টা হাতে রেখেই আমাকে বের হতে হয়। পরিবার এই দিকে (কারওয়ান বাজার) থাকে, তাই চাইলেও ওই দিকে চলে যেতে পারছি না।

সম্পর্কিত খবর