ইন্টারকন্টিনেন্টাল এক্সচেঞ্জে ঊর্ধ্বমুখী চিনির দাম
ইন্টারকন্টিনেন্টাল এক্সচেঞ্জে (আইসিই) বেড়েছে অপরিশোধিত চিনির দাম। দাম বাড়ার পেছনে প্রধান ভূমিকা রেখেছে ঊর্ধ্বমুখী জ্বালানি তেলের বাজার। এক সপ্তাহ ধরেই আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যটির দাম বাড়ছে। খবর বিজনেস রেকর্ডার।
গত সপ্তাহে চিনি রফতানি বন্ধের ঘোষণা দেয় ভারত। উদ্দেশ্য স্থানীয় বাজারে চাহিদা মেটানো ও মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখা। ছয় বছরের মধ্যে প্রথম পণ্যটি রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়া হলো। এদিকে নিষেধাজ্ঞার ফলে বিশ্ববাজারে চিনির সংকট তীব্র হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এটি দামকে আরো আকাশচুম্বী করে তুলবে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে ব্রাজিলের আখ মাড়াই কলগুলো আখভিত্তিক বায়োডিজেল ইথানল উৎপাদনে আগ্রহী হচ্ছেন। উৎপাদনে ব্যয় হচ্ছে চিনির সমপরিমাণ। ইথানলের প্রভাবে উৎপাদন কমে যাওয়ায় চিনির সরবরাহে টান পড়ছে, যা মূল্যবৃদ্ধিতে সহায়তা করছে।
আইসিইতে জুলাইয়ে সরবরাহ চুক্তিতে অপরিশোধিত চিনির দাম দশমিক ৬ শতাংশ বেড়েছে। প্রতি পাউন্ডের মূল্য স্থির হয়েছে ১৯ ডলার ৭২ সেন্টে। অন্যদিকে আগস্টে সরবরাহ চুক্তিতে প্রতি টন সাদা চিনির দাম কমেছে দশমিক ৩ শতাংশ। মূল্য স্থির হয়েছে ৫৭৬ ডলারে।
ডিলাররা বলছেন, ২০২২-২৩ বিপণন মৌসুমে অনুকূল আবহাওয়ার প্রভাবে পাকিস্তানে চিনি উৎপাদন বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী সপ্তাহগুলোয় দেশটি অন্তত পাঁচ লাখ টন চিনি রফতানি করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, ভারতের রফতানি বন্ধের সিদ্ধান্তে যে সংকটের আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে, তাতে ভারসাম্য আনবে পাকিস্তান।



