শিরোনাম
icon কপারটেকের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ক্রাউন সিমেন্টের লভ্যাংশ ঘোষণা icon তসরিফা ইন্ডাস্ট্রিজের লভ্যাংশ ঘোষণা icon বেঙ্গল উইন্ডসোর লভ্যাংশ ঘোষণা icon রহিম টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon কফির কাপে ক্যাজুয়াল লুকে পূর্ণিমা icon জাপানি ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর icon কে এন্ড কিউয়ের লভ্যাংশ ঘোষণা icon রানার অটোমোবাইলসের লভ্যাংশ ঘোষণা icon এডভেন্ট ফার্মার লভ্যাংশ ঘোষণা icon সাইনপুকুর সিরামিকসের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৪৩ icon দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে তারেক রহমান-সানায়ে তাকাইচি icon আস্থা লাইফের ২৮ লাখ টাকার বীমা দাবি নিষ্পত্তি icon প্রোটেক্টিভ ইসলামী লাইফের ৫ লাখ টাকার মৃত্যুদাবির চেক হস্তান্তর icon রমজানের আগে নিত্যপণ্যের আমদানি ও এলসি বৃদ্ধি icon জনতা, অগ্রণী ও বেসিক ব্যাংকে নতুন এমডি icon ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, ভর্তি ২২১৮ icon লেনদেনের শীর্ষে প্রাইম ব্যাংক icon হাম উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু icon ঢাকা ইন্স্যুরেন্সের বোর্ড সভা ২৯ অক্টোবর icon মনোস্পুল পেপারের বোর্ড সভা ৯ নভেম্বর icon মাগুরা মাল্টিপ্লেক্সের বোর্ড সভা ৯ নভেম্বর icon ৯৯৯ টাকা দেনমোহরে সুজাত শিমুলের বিয়ে icon ইউনিয়ন ইন্স্যুরেন্সের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর
down of head

ইউক্রেন যুদ্ধ: বিপর্যয়ের মুখে বিশ্বব্যাপী খাদ্য সরবরাহ

ইউক্রেনের যুদ্ধের কারণে বিশ্বব্যাপী খাদ্য সরবরাহ এবং দামের ক্ষেত্রে একটি বড় ধরনের ধাক্কা দেবে বলে বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম সার কোম্পানির ইয়ারা ইন্টারন্যাশনাল জানিয়েছে বলে সোমবার বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

সার প্রত্তুতকারণ প্রতিষ্ঠানটি রাশিয়া থেকে প্রয়োজনীয় কাঁচামাল কেনে। ৬০টির বেশি দেশে কার্যক্রম পরিচালনা করে এই প্রতিষ্ঠান।

বিবিসি সোমবার এক প্রতিবেদনে জানায়, পাইকারি গ্যাসের দাম বেড়ে যাওয়ায় আগে থেকেই সারের দাম বেশি ছিল।

তবে পরিস্থিতি আরও কঠিন হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন ইয়ারার প্রধান স্ভেইন টোরে হোলসেথার।

তিনি বিবিসিকে বলেন, প্রতি ঘণ্টাই পরিস্থিতি বদলে যাচ্ছে। যুদ্ধের আগে থেকেই পরিস্থিতি খারাপ ছিল…তবে এখন সরবরাহের ক্ষেত্রে আরও ব্যাঘাত ঘটছে এবং আমরা উত্তর গোলার্ধের জন্য এই মরসুমের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশের কাছাকাছি চলে এসেছি। এই সময় প্রচুর পরিমাণে সার ব্যবহার করতে হবে। এই পরিস্থিতি সেই বিষয়ের ওপর প্রভাব ফেলবে।

প্রসঙ্গত, রাশিয়া এবং ইউক্রেন বিশ্বব্যাপী কৃষি ও খাদ্যের সবচেয়ে বড় উৎপাদনকারী দেশ।

রাশিয়ায় পটাশ এবং ফসফেটের মতো প্রচুর পরিমাণে উৎপাদিত হয়, যা সার তৈরির মূল উপাদান। এসব গাছপালা এবং ফসলের উৎপাদন বাড়াতে বড় ভূমিকা রাখে।

হলসেথার বলেন, সার ব্যাবহারের ফলে খাদ্যের উৎপাদন বাড়ে। বিশ্বের অর্ধেক জনসংখ্যা খাদ্য পায়….তাই ফসলের ক্ষেতে সার ব্যবহার কমিয়ে দেওয়া হলে, [ফলন] ৫০% কমে যাবে।

তিনি বলেন, আমরা কাছে আমরা বৈশ্বিক খাদ্য সংকটের দিকে যাচ্ছি কি না তা বড় বিষয় নয় – খাদ্য সংকট কতটা বেশি হবে সেটাই মুখ্য বিষয়।
তিনি বলেন, কিয়েভে ইয়ারার অফিসে ইতোমধ্যেই ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। তবে এই হামলায় অফিসের ১১ কর্মীর কেউই ক্ষতিগ্রস্ত হননি।

এদিকে, চলমান পরিস্থিতিতে রাশিয়ান সরকার সেদেশের উৎপাদকদের সার রপ্তানি বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে বলে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

এ ব্যাপারে হলসেথার বলেন, ইউরোপীয় খাদ্য উৎপাদনে ব্যবহৃত সারের প্রায় এক চতুর্থাংশ রাশিয়া থেকে আসে।

জলবায়ু পরিবর্তন এবং ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা বৃদ্ধি ইতোমধ্যে বিশ্বব্যাপী খাদ্য উত্পাদনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। মহামারি শুরুর আগেই এই সমস্যাগুলো ছিল। মহামারি এসে সেই সমস্যাকে আরও খারাপের দিকেই নিয়ে গেছে।

এই অবস্থায় ইয়ারা ইন্টারন্যাশনালের প্রধান নির্বাহী যুদ্ধকে ‘বিপর্যয়ের শীর্ষে একটি বিপর্যয়’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। এই যুদ্ধ বিশ্বব্যাপী খাদ্য সরবরাহ শৃঙ্খলকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলবে এবং দরিদ্র দেশগুলোতে খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা বাড়াবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।

 

সম্পর্কিত খবর