শিরোনাম
icon সূচকের উত্থানে লেনদেন ৪৪০ কোটি টাকা icon পোশাক রপ্তানি বাড়লেও নির্ভরতা মৌলিক পণ্যে icon শ্যামপুর সুগার মিলসের প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ icon ঢাকা ব্যাংকের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ icon নভেম্বরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ : সিইসি icon লভ্যাংশ দেবে না আজিজ পাইপস icon সামিট পাওয়ারের লভ্যাংশ ঘোষণা icon বিডি অটোকার্সের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ইভেন্স টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ইউনাইটেড পাওয়ারের লভ্যাংশ ঘোষণা icon লোকসানেও আলহাজ্ব টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon উপকূল পেরিয়ে দুর্বল হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব icon বেতন দিতে বিশেষ ঋণ নিচ্ছে সরকার icon আবারও বাড়ল সোনার দাম icon জাপানে আন্তর্জাতিক সেমিনারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করলেন জেনিথ লাইফের সিইও icon বাংলাদেশে ১ ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগের ঘোষণা icon গ্রীষ্মের আগে ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ icon দরপতনের শীর্ষে মীর আক্তার হোসেন icon ডেঙ্গুতে আরও ১১ মৃত্যু, ভর্তি ২,০৭১ icon অর্থছাড়ে শীর্ষে আইডিএ ও এডিবি icon শ্যালিকাকে বিয়ে করে বাড়িছাড়া মাসুদ icon সূচকের পতনে লেনদেন ৪০৩ কোটি টাকার icon ঢাকা ও চট্টগ্রামে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন icon সিকদার ইন্স্যুরেন্সের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা icon পদ্মা অয়েলের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা
down of head

ইউক্রেনের খাদ্যশস্য রফতানি সক্ষমতা কমছে

ইউক্রেনের খাদ্যশস্য রফতানি সক্ষমতা দিন দিন কমছে। যদি রাশিয়া যুদ্ধ বন্ধ ঘোষণা করে, তবেই এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ সম্ভব। সম্প্রতি এ কথা জানিয়েছেন ইউক্রেনের নতুন কৃষিমন্ত্রী মিকোলা সলস্কি।

স্থানীয় টেলিভিশনে ব্রিফিংকালে মন্ত্রী বলেন, ইউক্রেন বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ খাদ্যশস্য উৎপাদনকারী দেশ। প্রতি মাসেই দেশটি সাধারণত ৪০-৫০ লাখ টন খাদ্যশস্য রফতানি করে। কিন্তু সম্প্রতি রফতানির পরিমাণ মাত্র কয়েকশ হাজার টনে নেমে গিয়েছে।

তিনি আরো বলেন, খাদ্যশস্য রফতানিতে নেমে আসা বিপর্যয় বিশ্ববাজারে নাটকীয়ভাবে বড় পরিসরে প্রভাব ফেলেছে। এ প্রভাব একেবারেই প্রত্যক্ষ। যত দিন যাচ্ছে, পরিস্থিতির তত অবনতি হচ্ছে।

চলতি মৌসুমের জন্য ইউক্রেনের খাদ্যশস্য রফতানি পূর্বাভাস কমিয়েছে কৃষিপণ্যের বাজার পরামর্শক প্রতিষ্ঠান এপিকে-ইনফর্ম। মৌসুম শেষে রফতানির পরিমাণ দাঁড়াবে ৪ কোটি ৪০ লাখ টনে, যা আগের পূর্বাভাসের তুলনায় ২৯ শতাংশ কম। এছাড়া ২০২০-২১ মৌসুমের তুলনায় রফতানি কমতে পারে ৩ শতাংশ।

 

এ বছরের জুলাইয়ে ২০২২-২৩ বিপণন মৌসুম শুরু হয়ে আগামী বছরের জুনে শেষ হবে। এ মৌসুমে দেশটির খাদ্যশস্য রফতানি ৩২ শতাংশ কমতে পারে। রফতানির পরিমাণ দাঁড়াবে প্রায় তিন কোটি টনে। এর মধ্যে এক কোটি টন গম ও ১ কোটি ৯০ লাখ টন ভুট্টা রফতানি করা হবে।

২০২১-২২ মৌসুমের শুরু থেকে রুশ আক্রমণ পর্যন্ত সাত মাস অতিবাহিত হয়েছে। এর মধ্যে ইউক্রেন ৮০ শতাংশ গম ও ৮৯ শতাংশ যব রফতানি করতে সক্ষম হয়েছে। ভুট্টার ক্ষেত্রে মৌসুমের পাঁচ মাস অতিবাহিত হয়েছে। এর মধ্যে শস্যটি ৫৩ শতাংশ রফতানি করা হয়েছে।

তথ্য বলছে, রুশ আক্রমণের পর ইউক্রেনের সমুদ্রবন্দরগুলো পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গিয়েছে। ইউক্রেন সমুদ্রবন্দর দিয়েই মোট খাদ্যশস্য রফতানির ৯৯ শতাংশ জাহাজীকরণ করত। তবে বর্তমানে পশ্চিমাঞ্চলের সীমান্ত দিয়ে দেশটি রেলযোগে কিছু খাদ্যশস্য রফতানি করছে। বন্দরের তুলনায় রেলওয়ের রফতানি সক্ষমতা অনেক কম। অন্যদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোয় ইউক্রেনের খাদ্যশস্যের চাহিদা কমাও রফতানিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

চলতি বছর ইউক্রেনে খাদ্যশস্য উৎপাদন ৫৪ দশমিক ৬ শতাংশ কমার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়াতে পারে ৩ কোটি ৮৯ লাখ টনে। রাশিয়া দেশটিতে আক্রমণ চালানোর পর বন্ধ রয়েছে আবাদ কার্যক্রম। অন্যদিকে রুশ বাহিনীর হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অনেক কৃষি খামার, অবকাঠামো ও যন্ত্রপাতি।

সম্পর্কিত খবর