ইইউর বাইরের দেশগুলোয় ফ্রান্সের গম রফতানি কমবে
ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত (ইইউ) দেশগুলোর বাইরে বিশ্বের অন্যান্য দেশে ফ্রান্সের গম রফতানি কমার পূর্বাভাস মিলেছে। বিশ্বের শীর্ষ দুটি গম রফতানিকারক দেশ রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধ বেঁধে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে তীব্র অস্থিতিশীলতা তৈরি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে অপ্রতিদ্বন্দ্বী বাজারদরের কারণে ফ্রান্সের গমের চাহিদা কম। সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে রফতানি কমার পূর্বাভাস দেয় ফ্রান্সএগ্রিমার।
চলতি বছরের জুনে ২০২১-২২ বিপণন মৌসুম শেষ হবে। ফ্রান্সএগ্রিমারের প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, মৌসুম শেষে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের দেশগুলোয় ফ্রান্সের গম রফতানি ৯৫ লাখ টনে নামবে। এর আগে মার্চে দেয়া পূর্বাভাসে ৯৭ লাখ টন রফতানির কথা বলা হয়েছিল।
অথচ গত মাসে প্রতিষ্ঠানটির প্রত্যাশা ছিল, গম রফতানিতে কৃষ্ণ সাগরীয় অঞ্চলকে পেছনে ফেলতে সক্ষম হবে ফ্রান্স। কারণ অঞ্চলটিতে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হতে থাকায় খাদ্যশস্যসহ পণ্য বাণিজ্য স্থবির হয়ে পড়ছে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, কৃষ্ণসাগরীয় অঞ্চলে গমের বাণিজ্য বাধাগ্রস্ত হওয়ায় ফ্রান্সের গমের চাহিদা বেড়ে গিয়েছিল। এ কারণে পণ্যটির দামও বেড়ে যায়। কিন্তু পশ্চিমা দেশগুলোর একের পর এক নিষেধাজ্ঞার পরও রাশিয়া গম রফতানি অব্যাহত রেখেছে। এ কারণে ফ্রান্সের গমের চাহিদায় ভাটা পড়ছে।
ফ্রান্সএগ্রিমার এর খাদ্যশস্য ইউনিটের প্রধান মার্ক জিরিবি বলেন, জাহাজের ভাড়া বর্তমানে অনেক বেশি। তার ওপর আমাদের গমের দামও বেশি। ফলে আমরা অবশ্যই ভালো অবস্থানে নেই।



