আরো দুটি পাটকলের ইজারা কার্যক্রম চলছে —বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী
গোল্ডেন হ্যান্ডশেকের আওতায় ২০২০ সালের মাঝামাঝি রাষ্ট্রায়ত্ত ২৫টি পাটকল বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এরপর বেসরকারি পর্যায়ে ইজারার মাধ্যমে বন্ধ এসব পাটকল চালুর পরিকল্পনা নেয়া হয়। এর মধ্যে নরসিংদীর বাংলাদেশ জুট মিলস ও চট্টগ্রামের কেএফডি জুট মিলস এরই মধ্যে ভাড়াভিত্তিক ইজারা দেয়া সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, বীরপ্রতীক। এছাড়া খুলনার ক্রিসেন্ট জুট মিলস ও চট্টগ্রামের হাফিজ জুট মিলস নামে আরো দুটি পাটকলের ইজারা কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানান তিনি।
গতকাল দুপুরে নরসিংদীর পলাশে বাংলাদেশ জুট মিলসের উৎপাদন কার্যক্রম পরিদর্শনকালে এসব তথ্য জানান মন্ত্রী। এ সময় বস্ত্র ও পাটসচিব মো. আব্দুর রউফ ও নরসিংদীর জেলা প্রশাসক আবু নইম মোহাম্মদ মারুফ খানসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শনকালে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী জানান, ১৩টি মিলের ইজারা দেয়ার জন্য দ্বিতীয় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে ১৮টি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ৫৩টি প্রস্তাব পাওয়া গেছে। এরই মধ্যে প্রস্তাব মূল্যায়ন কমিটি প্রতিবেদন বিজেএমসিতে জমা দিয়েছে। এ পর্যায়ে আরো কয়েকটি মিল ভাড়াভিত্তিক লিজ দেয়া সম্ভব হলে নতুন করে অনেকের কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে। এক্ষেত্রে অবসায়নকৃত শ্রমিকরা অগ্রাধিকার পাবেন।
উল্লেখ্য, সরকারি সিদ্ধান্তে পাটকলগুলোর বিরাজমান পরিস্থিতির স্থায়ী সমাধান ও পাট খাত পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে ২০২০ সালের ১ জুলাই থেকে বিজেএমসির নিয়ন্ত্রণাধীন রাষ্ট্রায়ত্ত ২৫টি পাটকলের উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়। সব স্থায়ী শ্রমিকের গ্রাচুইটি, পিএফ, ছুটি নগদায়নসহ সমুদয় পাওনা গোল্ডেন হ্যান্ডশেক সুবিধার মাধ্যমে প্রায় ৩ হাজার ৫৬৩ কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়।



