শিরোনাম
down of head

পথের খাবার বিক্রিতেও নিবন্ধন বাধ্যতামূলক

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ এবং খাদ্য ব্যবসায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নিবন্ধন ও লাইসেন্স নেওয়া বাধ্যতামূলক করেছে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ।

এর আওতায় রাস্তার পাশে যারা পিঠা, পুরি ও পেঁয়াজুর মতো খাবারের ব্যবসা করেন, তাদেরও নিবন্ধন নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

শুধু নিবন্ধন লাগবে যে ১৬ ব্যবসায়

১৬ শ্রেণির খাদ্য ব্যবসা ও খাদ্য স্থাপনার জন্য নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে- রেস্তোরাঁ, বেকারি, ফলের রসের দোকান, পেস্ট্রি শপ, ক্যাটারিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান, প্যাকেটজাত খাবার উৎপাদনকারী, মিষ্টির দোকান, দুগ্ধপণ্য প্রস্তুতকারী, কাঁচা ও তাজা খাদ্য ছাড়া অন্যান্য খাদ্যপণ্যের আমদানিকারক, পিঠা, পুরি, পেঁয়াজুসহ খাবার বিক্রেতা, পাইকারি মুদি খাদ্য ব্যবসা, খাদ্য সংরক্ষণাগার ও হিমাগার, ভোজ্যতেল ও ভোজ্য লবণ উৎপাদনসহ খাদ্য ব্যবসা।

প্রচলিত এ ১৬ শ্রেণির খাদ্য ব্যবসার জন্য প্রথমবার বিনা মূল্যে নিবন্ধন দেওয়া হবে।

বিশেষায়িত খাদ্যে লাইসেন্স বাধ্যতামূলক

শিশুদের ফর্মুলা দুধ এবং বয়স্ক বা নির্দিষ্ট রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য তৈরি বিশেষ খাবারের ব্যবসা করতে নিবন্ধনের পাশাপাশি লাইসেন্স নিতে হবে ব্যবসায়ীদের। স্বাস্থ্যসহায়ক ও সম্পূরক খাদ্য, বিশেষ পথ্য ও চিকিৎসাসংক্রান্ত বিশেষ পথ্য, প্রোবায়োটিক ও প্রিবায়োটিক খাদ্য ও নিউট্রাসিউটিক্যালের মতো খাবারের নির্ধারিত ব্যবসার জন্য লাইসেন্স নিতে হবে। এ ছাড়া জিনগত বৈশিষ্ট্য পরিবর্তিত খাদ্য, জৈব খাদ্য, অভিনব খাদ্য ও পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার ব্যবসায়ীদের লাইসেন্স নিয়ে ব্যবসা করতে হবে।

বিশেষায়িত খাদ্য ব্যবসার ক্ষেত্রে লাইসেন্সের জন্য ফি বা মাশুল দিতে হবে।

সংশ্লিষ্ট ফরম পূরণ করে আবেদন জমা দেওয়ার মাধ্যমে নিবন্ধন বা লাইসেন্স গ্রহণের কার্যক্রম শুরু হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে বিএফএসএর সংশ্লিষ্ট জেলা কার্যালয়ে সরাসরি জমা দেয়া যাবে আবেদন। নিবন্ধন ও লাইসেন্সের মেয়াদ হবে তিন বছর। মেয়াদ শেষ হলে তা নবায়ন করতে হবে।

পরে পুরো প্রক্রিয়া অনলাইনে সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে কর্তৃপক্ষের। যেসব খাদ্যপণ্যের মোড়কে নিবন্ধন নম্বর উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক হবে, সেসব পণ্যের প্যাকেট বা মোড়কে নম্বরটি প্রদর্শন করতে হবে।

সম্পর্কিত খবর