শিরোনাম
মূল্যস্ফীতি কমে ৮.২৬%, খাদ্যবহির্ভূতে বেড়েছেট্রাস্ট লাইফের শেয়ার কারসাজি, তিন বিনিয়োগকারীকে জরিমানাবিশ্বব্যাংক-আইএমএফ সভা শুরু, ঋণ নিয়ে আলোচনাভয়ংকর স্বদেশ লাইফ: সব টাকা লুটে খাচ্ছে সিন্ডিকেট!ডেঙ্গুতে এক দিনে ভর্তি ২১৯৩, মৃত্যু ৪প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানি বিনিয়োগকারীদের সাক্ষাৎদুই মাসে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগে বড় বৃদ্ধিএসএমই অর্থায়ন ও কর্মসংস্থানে অগ্রাধিকারআড়াইহাজারে ৩ কোটি টাকার সুতা জব্দহামে আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১,০৮৬ জনপ্রবাসীদের জন্য ব্যাংক হিসাবের নতুন নিয়ম, বাড়লো সুবিধাডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫২৩ডিএসইতে পিই রেশিও কমেছে দশমিক ৪৫ শতাংশপরিবহন ব্যয়ে বাড়ছে সবজির দামফের বাড়ল সোনার দাম
down of head

নতুন বাজারে পোশাক রপ্তানির ৫৭% পাঁচ দেশে

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানিতে অপ্রচলিত বা নতুন বাজারের মধ্যে শীর্ষ পাঁচ দেশেই কেন্দ্রীভূত রয়েছে রপ্তানির প্রায় ৫৭ শতাংশ। দেশগুলো হলো—জাপান, অস্ট্রেলিয়া, ভারত, তুরস্ক ও দক্ষিণ কোরিয়া।

চলতি ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) দেশগুলোতে তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে ১ হাজার ২৫ দশমিক ২৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এ রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৯৩৫ দশমিক ৩০ মিলিয়ন ডলার। সেই হিসাবে রপ্তানি বেড়েছে ৯ দশমিক ৬২ শতাংশ।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে বাংলাদেশের অপ্রচলিত বাজারগুলোতে তৈরি পোশাক রপ্তানির মোট পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ৮১ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে শীর্ষ পাঁচ দেশের অবদান ৫৬ দশমিক ৫৮ শতাংশ। অর্থাৎ অপ্রচলিত বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানির অর্ধেকের বেশি এসেছে এই পাঁচ দেশ থেকে।

অপ্রচলিত বাজারগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় গন্তব্য জাপান। দেশটিতে জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৩৪৩ দশমিক ৬৫ মিলিয়ন ডলারের, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২ দশমিক ৬১ শতাংশ বেশি। অপ্রচলিত বাজারে মোট রপ্তানির ১৮ দশমিক ৯৭ শতাংশ এসেছে জাপান থেকে।

দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা অস্ট্রেলিয়ায় রপ্তানি হয়েছে ২০৯ দশমিক ০৬ মিলিয়ন ডলার। এ ক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১ দশমিক ০২ শতাংশ। তৃতীয় অবস্থানে থাকা ভারতে রপ্তানি হয়েছে ২০৪ দশমিক ৯৬ মিলিয়ন ডলার। তবে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় দেশটিতে রপ্তানি কমেছে ৫ দশমিক ৩৭ শতাংশ। শীর্ষ পাঁচ বাজারের মধ্যে ভারতই একমাত্র দেশ, যেখানে আলোচ্য সময়ে রপ্তানি কমেছে।

প্রবৃদ্ধির দিক থেকে সবচেয়ে এগিয়ে তুরস্ক। দেশটিতে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি আগের অর্থবছরের একই সময়ের ৬৫ দশমিক ৭১ মিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ১৪৬ দশমিক ৬৩ মিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১২৩ দশমিক ১৪ শতাংশ। অন্যদিকে দক্ষিণ কোরিয়ায় রপ্তানি ৮ দশমিক ৮১ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ১২০ দশমিক ৯৪ মিলিয়ন ডলার।

ইপিবির তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, শীর্ষ পাঁচ বাজারে রপ্তানি বৃদ্ধিতে তুরস্কের অবদান সবচেয়ে বেশি। দেশটিতে রপ্তানি বেড়েছে ৮০ দশমিক ৯২ মিলিয়ন ডলার, যা শীর্ষ পাঁচ দেশের সম্মিলিত রপ্তানি বৃদ্ধির প্রায় ৯০ শতাংশ। তুরস্ককে বাদ দিলে বাকি চার দেশে রপ্তানি বৃদ্ধির হার দাঁড়ায় মাত্র ১ দশমিক ০৪ শতাংশ।

সেপ্টেম্বর মাসে শীর্ষ পাঁচ বাজারে রপ্তানির প্রবৃদ্ধি আরও বেশি ছিল। ওই মাসে দেশগুলোতে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি আগের বছরের একই মাসের ২৯৫ দশমিক ৬৩ মিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ৩৪৫ দশমিক ২০ মিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। এ ক্ষেত্রে বছরওয়ারি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৬ দশমিক ৭৭ শতাংশ।

সেপ্টেম্বরে তুরস্কে রপ্তানি বেড়েছে ২২৪ দশমিক ৯৩ শতাংশ, যার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪৬ দশমিক ৬৫ মিলিয়ন ডলার। দক্ষিণ কোরিয়ায় রপ্তানি ৩৭ দশমিক ৮৮ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৪৪ দশমিক ৫৫ মিলিয়ন ডলার। জাপানে রপ্তানি বেড়েছে ৫ দশমিক ১৯ শতাংশ, যার পরিমাণ ১১৬ দশমিক ৪৭ মিলিয়ন ডলার।

তবে সেপ্টেম্বরে ভারত ও অস্ট্রেলিয়ায় রপ্তানি কমেছে। আগের বছরের একই মাসের তুলনায় ভারতে রপ্তানি কমেছে শূন্য দশমিক ৮৬ শতাংশ এবং অস্ট্রেলিয়ায় কমেছে শূন্য দশমিক ১৪ শতাংশ।

সম্পর্কিত খবর