প্রণোদনার পরিমাণ জিডিপির ৮ শতাংশ হওয়া প্রয়োজন
কভিড-পরবর্তী সময়ে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে গ্রহণ করা বিভিন্ন প্রণোদনা প্যাকেজের পরিমাণ জিডিপির অন্তত ৮ শতাংশ হওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে চলতি বছরের জন্য জিডিপি প্রবৃদ্ধির পরিমাণ ৭ দশমিক ৫ শতাংশ কল্পনা করা ও বাজেট ঘাটতির পরিমাণ জিডিপির ৫ দশমিক ৫ শতাংশে রাখা যেতে পারে বলে মনে করছে বাংলাদেশ নলেজ ফোরাম (বিকেএফ)। গতকাল আসন্ন বাজেট নিয়ে নিজেদের দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করে সংগঠনটি। এতে এমনটা তুলে ধরা হয়।
বিকেএফ মনে করে আসন্ন বাজেটে মেধাভিত্তিক উদ্যোগ ও দক্ষতাসংশ্লিষ্ট নীতি ও পদ্ধতির ওপর গুরুত্ব দেয়া প্রয়োজন। এক্ষেত্রে পূর্ববর্তী বাজেট ও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির ওপর ভিত্তি করে এ ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে। পাশাপাশি আসন্ন বাজেট মাঝারি থেকে দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত পরিকল্পনা অনুসারে গ্রহণ করার পরামর্শও দেয় বিকেএফ। এক্ষেত্রে অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ও পরিকল্পনা কৌশলের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ রাখারও পরামর্শ দেয় প্রতিষ্ঠানটি।
আসন্ন বাজেটে মহামারী-উত্তর পরিস্থিতিতে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে যেসব খাত দ্রুত কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে এ ধরনের খাতকে উৎসাহ দিতে পরামর্শ দেয় বিকেএফ। একই সঙ্গে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও স্থিতিশীল জিডিপি প্রবৃদ্ধিকে উৎসাহ দেয়ার পরামর্শও দেয় প্রতিষ্ঠানটি। বিকেএফের বাজেট প্রস্তাবে বলা হয়, বাজেটে তৈরি পোশাক রফতানি ও বৈদেশিক মুদ্রা আয়ে শক্তিশালী সহায়তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।



