শিরোনাম
icon ডেঙ্গুতে ৯ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১,৯৮২ icon রিয়াদ-দাম্মামের ১৫৩ ফ্লাইট বাতিল icon সূচকের উত্থানে লেনদেন ৪৪০ কোটি টাকা icon পোশাক রপ্তানি বাড়লেও নির্ভরতা মৌলিক পণ্যে icon শ্যামপুর সুগার মিলসের প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ icon ঢাকা ব্যাংকের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ icon নভেম্বরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ : সিইসি icon লভ্যাংশ দেবে না আজিজ পাইপস icon সামিট পাওয়ারের লভ্যাংশ ঘোষণা icon বিডি অটোকার্সের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ইভেন্স টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ইউনাইটেড পাওয়ারের লভ্যাংশ ঘোষণা icon লোকসানেও আলহাজ্ব টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon উপকূল পেরিয়ে দুর্বল হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব icon বেতন দিতে বিশেষ ঋণ নিচ্ছে সরকার icon আবারও বাড়ল সোনার দাম icon জাপানে আন্তর্জাতিক সেমিনারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করলেন জেনিথ লাইফের সিইও icon বাংলাদেশে ১ ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগের ঘোষণা icon গ্রীষ্মের আগে ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ icon দরপতনের শীর্ষে মীর আক্তার হোসেন icon ডেঙ্গুতে আরও ১১ মৃত্যু, ভর্তি ২,০৭১ icon অর্থছাড়ে শীর্ষে আইডিএ ও এডিবি icon শ্যালিকাকে বিয়ে করে বাড়িছাড়া মাসুদ icon সূচকের পতনে লেনদেন ৪০৩ কোটি টাকার icon ঢাকা ও চট্টগ্রামে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন
down of head

ইমরান খানের ভাগ্য নির্ধারণ আজ

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা প্রস্তাবের ওপর ভোট আজ। এ নিয়ে দেশটিতে প্রবল উত্তেজনা বিরাজ করছে। বর্তমানে বিরোধী দলের অবস্থানে মনে হচ্ছে ইমরান খান সহজেই হেরে যাবেন। তবে তিনি জানিয়েছেন, শেষ মুহূর্তে বিশেষ চমক দেখিয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে টিকে যাবেন।

সর্বশেষ হিসেবে ইমরান খানের হাতে আছে ১৪২ ভোট, আর বিরোধী দলের কাছে আছে ১৯৯ ভোট।

প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান শুক্রবার এক বক্তৃতায় তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে অভিযুক্ত করেছেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের চেষ্টাকে ‘রিজিম চেঞ্জ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র অবশ্য পাকিস্তানের রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ করার কথা অস্বীকার করে আসছেন।

এদিকে ইমরান খান তার যুব সমর্থকদের রাজপথে নেমে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। এতে করে অনেকে মনে করছেন, বড় ধরনের সহিংসতা ঘটে যেতে পারে। অবশ্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিরাপত্তা বাহিনীকেও সক্রিয় দেখা গেছে।

পাকিস্তানের ইতিহাসে কোনো প্রধানমন্ত্রীই তার মেয়াদ পূরণ করতে পারেননি। ইমরান খান ২০১৮ সালে নির্বাচিত হওয়ার পর এবারই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন। তার তেহরিক-ই-ইনসাফ পার্টি (পিটিআই) ৩৪২ সদস্যবিশিষ্ট পার্লামেন্টে দৃশ্যত সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে। বেশ কয়েকজন পার্লামেন্ট সদস্য দলত্যাগ করেছেন। জয়ের জন্য প্রয়োজন ১৭২ ভোট।

বিরোধী দলের নেতৃত্বে আছেন পাকিস্তান মুসলিম লিগ (পিএমএল-এন) ও পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি)।

সম্পর্কিত খবর