শিরোনাম
icon ডেঙ্গুতে ৯ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১,৯৮২ icon রিয়াদ-দাম্মামের ১৫৩ ফ্লাইট বাতিল icon সূচকের উত্থানে লেনদেন ৪৪০ কোটি টাকা icon পোশাক রপ্তানি বাড়লেও নির্ভরতা মৌলিক পণ্যে icon শ্যামপুর সুগার মিলসের প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ icon ঢাকা ব্যাংকের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ icon নভেম্বরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ : সিইসি icon লভ্যাংশ দেবে না আজিজ পাইপস icon সামিট পাওয়ারের লভ্যাংশ ঘোষণা icon বিডি অটোকার্সের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ইভেন্স টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ইউনাইটেড পাওয়ারের লভ্যাংশ ঘোষণা icon লোকসানেও আলহাজ্ব টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon উপকূল পেরিয়ে দুর্বল হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব icon বেতন দিতে বিশেষ ঋণ নিচ্ছে সরকার icon আবারও বাড়ল সোনার দাম icon জাপানে আন্তর্জাতিক সেমিনারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করলেন জেনিথ লাইফের সিইও icon বাংলাদেশে ১ ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগের ঘোষণা icon গ্রীষ্মের আগে ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ icon দরপতনের শীর্ষে মীর আক্তার হোসেন icon ডেঙ্গুতে আরও ১১ মৃত্যু, ভর্তি ২,০৭১ icon অর্থছাড়ে শীর্ষে আইডিএ ও এডিবি icon শ্যালিকাকে বিয়ে করে বাড়িছাড়া মাসুদ icon সূচকের পতনে লেনদেন ৪০৩ কোটি টাকার icon ঢাকা ও চট্টগ্রামে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন
down of head

দ্বিগুণ হতে পারে ভারতের জ্বালানি তেল আমদানি ব্যয়

চলতি অর্থবছর শেষে ভারতের অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি ব্যয় প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে। মূলত বিশ্ববাজারে পণ্যটির দাম সাত বছরের সর্বোচ্চে আরোহণ করায় অতিরিক্ত ব্যয়ের ধাক্কা সামাল দিতে হচ্ছে দেশটিতে। খবর দ্য হিন্দু বিজনেস লাইন।

ভারতের জ্বালানি তেলবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পেট্রোলিয়াম প্ল্যানিং অ্যান্ড অ্যানালাইসিস সেলের দেয়া তথ্য বলছে, গত বছরের এপ্রিলে অর্থবছর শুরু হয়েছে। চলতি বছরের ৩১ মার্চ শেষ হবে। এ অর্থবছরে দেশটির অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি ব্যয় দাঁড়াবে ১০ হাজার কোটি ডলারে। অর্থবছরের ১০ মাসে (এপ্রিল-জানুয়ারি) দেশটি জ্বালানি তেল আমদানিতে ব্যয় করেছে ৯ হাজার ৪৩০ কোটি ডলার। শুধু জানুয়ারিতেই দেশটি ব্যয় করেছে ১ হাজার ১৬০ কোটি ডলার। কারণ এ মাসেই জ্বালানি তেলের দাম ১০০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছায়। অথচ গত বছরের জানুয়ারিতে ভারত জ্বালানি পণ্যটি আমদানিতে ৭৭০ কোটি ডলার ব্যয় করেছিল।

এদিকে ফেব্রুয়ারিতে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যায়। এখনো প্রতি ব্যারেল ১০০ ডলারের বেশি দামেই বিক্রি হচ্ছে। ভারত মোট চাহিদার ৮৫ শতাংশ অপরিশোধিত জ্বালানি তেলই আমদানি করে। বাজারদরের এমন উল্লম্ফনের কারণে দেশটির বাজারসংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, অর্থবছর শেষে মোট আমদানি ব্যয় দাঁড়াবে ১১ হাজার কোটি থেকে ১১ হাজার ৫০০ কোটি ডলারে।

ভারত অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি করে তা পরিশোধন কেন্দ্রগুলোর মাধ্যমে পেট্রল ও ডিজেলসহ বিভিন্ন মূল্যসংযোজনকারী পণ্যে রূপান্তর করে। এর পর সেসব পণ্য অটোমোবাইল ও অন্য ব্যবহারকারীদের কাছে বিক্রি করা হয়।

ভারতের অতিরিক্ত পরিশোধন সক্ষমতা রয়েছে। দেশটি চাহিদা মিটিয়ে কিছু পেট্রোলিয়াম রফতানিও করে। তবে রান্নার কাজে ব্যবহূত এলপিজি গ্যাস উৎপাদনে ঘাটতি রয়েছে দেশটির। সৌদি আরবের মতো বিভিন্ন দেশ থেকে পণ্যটি আমদানি করে ভারত।

অর্থবছরের ১০ মাসে পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানি করা হয়েছে ৩ কোটি ৩৬ লাখ টন। এসব পণ্য আমদানিতে ব্যয় হয়েছে ১ হাজার ৯৯০ কোটি ডলার। অন্যদিকে ৫ কোটি ১১ লাখ টন পেট্রোলিয়াম পণ্য রফতানি করা হয়েছে। রফতানি থেকে আয় এসেছে ৩ হাজার ৩৪০ কোটি ডলার।

তথ্য বলছে, গত অর্থবছর ভারত ১৯ কোটি ৬৫ লাখ টন অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি করে। আমদানিতে ব্যয় হয় ৬ হাজার ২২০ কোটি ডলার। ওই বছর করোনা মহামারীর কারণে জ্বালানি তেলের দাম অনেক কমে গিয়েছিল।

সম্পর্কিত খবর