শিরোনাম
icon রিয়াদ-দাম্মামের ১৫৩ ফ্লাইট বাতিল icon সূচকের উত্থানে লেনদেন ৪৪০ কোটি টাকা icon পোশাক রপ্তানি বাড়লেও নির্ভরতা মৌলিক পণ্যে icon শ্যামপুর সুগার মিলসের প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ icon ঢাকা ব্যাংকের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ icon নভেম্বরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ : সিইসি icon লভ্যাংশ দেবে না আজিজ পাইপস icon সামিট পাওয়ারের লভ্যাংশ ঘোষণা icon বিডি অটোকার্সের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ইভেন্স টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ইউনাইটেড পাওয়ারের লভ্যাংশ ঘোষণা icon লোকসানেও আলহাজ্ব টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon উপকূল পেরিয়ে দুর্বল হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব icon বেতন দিতে বিশেষ ঋণ নিচ্ছে সরকার icon আবারও বাড়ল সোনার দাম icon জাপানে আন্তর্জাতিক সেমিনারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করলেন জেনিথ লাইফের সিইও icon বাংলাদেশে ১ ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগের ঘোষণা icon গ্রীষ্মের আগে ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ icon দরপতনের শীর্ষে মীর আক্তার হোসেন icon ডেঙ্গুতে আরও ১১ মৃত্যু, ভর্তি ২,০৭১ icon অর্থছাড়ে শীর্ষে আইডিএ ও এডিবি icon শ্যালিকাকে বিয়ে করে বাড়িছাড়া মাসুদ icon সূচকের পতনে লেনদেন ৪০৩ কোটি টাকার icon ঢাকা ও চট্টগ্রামে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন icon সিকদার ইন্স্যুরেন্সের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা
down of head

ভোজ্যতেল মজুদের সময় বাড়াল ভারত

ভোজ্যতেল ও তেলবীজ মজুদের সময় বাড়িয়েছে ভারত। উদ্দেশ্য ভোজ্যতেলের ঊর্ধ্বমুখী দামে লাগাম টেনে ধরা এবং অবৈধ মজুদ প্রতিরোধ করা। সম্প্রতি দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার ৩০ জুন পর্যন্ত মজুদ সময়সীমা নির্ধারণের মাধ্যমে প্রজ্ঞাপন জারি করে। খবর দি ইকোনমিক টাইমস।

সরকারের এ সিদ্ধান্ত প্রত্যেকটি প্রাদেশিক সরকার বাস্তবায়ন করবে। এর আগে মজুদের যে সময় বেঁধে দেয়া হয়েছিল, তা প্রদেশগুলো বাস্তবায়ন করেনি বলেও জানা গেছে।

তথ্য বলছে, ২০২১ সালের অক্টোবরে ভারতের ভোক্তাবিষয়ক মন্ত্রণালয় চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত ভোজ্যতেল ও তেলবীজ মজুদের সময় বেঁধে দেয়। এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য প্রাদেশিক সরকারগুলোকে নির্দেশ দেয়া হয়। এক্ষেত্রে বিদ্যমান মজুদ ও ব্যবহার পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে মজুদের পরিমাণ নির্ধারণ করতে বলা হয়।

কেন্দ্র সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, উত্তর প্রদেশ, কর্ণাটক, হিমাচল প্রদেশ, তেলেঙ্গানা, রাজস্থান ও বিহার নিজ নিজ প্রদেশে মজুদ সীমা নির্ধারণ ও বাস্তবায়ন করে। তবে অনেক প্রদেশই এ নির্দেশনা প্রতিপালন করেনি।

এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় জানায়, ভোক্তা পর্যায় পর্যন্ত ভোজ্যতেলের দাম নিয়ন্ত্রণে সব প্রদেশকেই সরকারি এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা জরুরি। তেলের দাম আরো কমিয়ে আনতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ হাতে নিয়েছে। সর্বশেষ চলতি মাসে ৩০ জুন পর্যন্ত নির্দিষ্ট পরিমাণ ভোজ্যতেল ও তেলবীজ মজুদের সময় বেঁধে দেয়া হয়েছে। ভোজ্যতেলের ক্ষেত্রে খুচরা বিক্রেতাদের জন্য মজুদ সীমা ৩০ কুইন্টাল। পাইকারি বিক্রেতারা ৫০০ কুইন্টাল পর্যন্ত মজুদ করতে পারবেন। প্রক্রিয়াকরণ প্রতিষ্ঠানগুলো ৯০ দিন পর্যন্ত মজুদ করতে পারবে।

তেলবীজের ক্ষেত্রে খুচরা বিক্রেতারা ১০০ কুইন্টাল এবং পাইকারি বিক্রেতারা দুই হাজার কুইন্টাল পর্যন্ত মজুদ করতে পারবেন। উৎপাদন সক্ষমতা অনুসারে, প্রতিষ্ঠানগুলো সর্বোচ্চ ৯০ দিন পর্যন্ত মজুদ ধরে রাখতে পারবে। তবে আমদানি ও রফতানিকারকরা এ সিদ্ধান্তের আওতায় পড়বে না।

মন্ত্রণালয় বলছে, এ উদ্যোগ কৃত্রিম মজুদ ও কালোবাজারি বন্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। উদ্যোগে সাফল্য এলে ভোজ্যতেলের দাম আর বাড়বে না।

সেন্ট্রাল অর্গানাইজেশন ফর অয়েল ইন্ডাস্ট্রি অ্যান্ড ট্রেডের (সিওওআইটি) চেয়ারম্যান সুরেশ নাগপাল বলেন, সরকার গৃহীত পদক্ষেপ বাজারে কেমন প্রভাব ফেলে, তা দেখতে আমাদের অপেক্ষা করতে হবে। এক-দুই মাসের মধ্যেই এ সিদ্ধান্তের প্রভাব দৃষ্টিগোচর হবে।

ভারত ভোজ্যতেলের দেশীয় চাহিদার ৬০ শতাংশই আমদানির মাধ্যমে পূরণ করে। বিশ্ববাজারে এসব পণ্যের দাম বাড়ায় ভারতেও বর্তমানে আকাশচুম্বী পণ্যটির বাজারদর।

সম্পর্কিত খবর