শিরোনাম
icon লভ্যাংশ দেবে না আজিজ পাইপস icon সামিট পাওয়ারের লভ্যাংশ ঘোষণা icon বিডি অটোকার্সের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ইভেন্স টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ইউনাইটেড পাওয়ারের লভ্যাংশ ঘোষণা icon লোকসানেও আলহাজ্ব টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon উপকূল পেরিয়ে দুর্বল হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব icon বেতন দিতে বিশেষ ঋণ নিচ্ছে সরকার icon আবারও বাড়ল সোনার দাম icon জাপানে আন্তর্জাতিক সেমিনারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করলেন জেনিথ লাইফের সিইও icon বাংলাদেশে ১ ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগের ঘোষণা icon গ্রীষ্মের আগে ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ icon দরপতনের শীর্ষে মীর আক্তার হোসেন icon ডেঙ্গুতে আরও ১১ মৃত্যু, ভর্তি ২,০৭১ icon অর্থছাড়ে শীর্ষে আইডিএ ও এডিবি icon শ্যালিকাকে বিয়ে করে বাড়িছাড়া মাসুদ icon সূচকের পতনে লেনদেন ৪০৩ কোটি টাকার icon ঢাকা ও চট্টগ্রামে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন icon সিকদার ইন্স্যুরেন্সের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা icon পদ্মা অয়েলের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা icon কপারটেকের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ক্রাউন সিমেন্টের লভ্যাংশ ঘোষণা icon তসরিফা ইন্ডাস্ট্রিজের লভ্যাংশ ঘোষণা icon বেঙ্গল উইন্ডসোর লভ্যাংশ ঘোষণা icon রহিম টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষণা
down of head

দ. কোরিয়া ও বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ২ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

চলতি বছর দ. কোরিয়া ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছবে। জানুয়ারি থেকে নভেম্বর—এ সময়ে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ছাড়িয়েছে ২০০ কোটি ডলার। উল্লেখিত সময়ে দেশটিতে বাংলাদেশের রফতানি ৩৯ কোটি ৩০ লাখ ডলার থেকে উন্নীত হয়ে ৪৯ কোটি ৮০ লাখ ডলারে পৌঁছেছে। অর্থাৎ এ সময়ে রফতানির পরিমাণ বেড়েছে ৩৫ দশমিক ৮ শতাংশ। একই সময়ে বাংলাদেশে কোরিয়ার রফতানি ২০২০ সালের ১০৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার থেকে বেড়ে ১৫১ কোটি ৬০ লাখ ডলারে উন্নীত হয়েছে। অর্থাৎ বাংলাদেশে দেশটির রফতানির পরিমাণ বেড়েছে ৬১ দশমিক ৯ শতাংশ।

কোরিয়া ট্রেড অ্যাসোসিয়েশনের পরিসংখ্যান তথ্য অনুসারে, ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে নভেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশ ও দ. কোরিয়ার মধ্য দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ ২০১ কোটি ৪০ লাখ ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের থেকে ৫৪ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি। ২০২০ সালে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ১৪২ কোটি ৫০ লাখ ডলার। ২০১১ সালে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ১৮৭ কোটি ১০ লাখ ডলারে উন্নীত হওয়ার পর প্রায় এক দশক ধরে ১৬০ কোটি ডলারের নিচে স্থবির ছিল।

অন্যদিকে ২০০৭ সালে দ. কোরিয়াতে বাংলাদেশের রফতানি ১০ কোটি ডলার এবং ২০১১ সালে ২০ কোটি ডলারে পৌঁছেছিল। তারপর ২০১৩ সালে এটি ৩০ কোটি ডলারের ওপরে পৌঁছানোর পর স্থবির হয়ে পড়ে। তবে কভিড-১৯ মহামারী সত্ত্বেও দ. কোরিয়াতে বাংলাদেশের রফতানি ২০১৯ সালে ৪০ কোটি ডলার ছাড়িয়েছে এবং ২০২০ সালে তা ৩৯ কোটি ২০ লাখ ডলার সমপরিমাণ হয়। এটি এ বছরের শেষ নাগাদ দ. কোরিয়াতে বাংলাদেশের রফতানির পরিমাণ ৫০ কোটি ডলারের বেশি হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

দ. কোরিয়ায় বাংলাদেশের প্রধান রফতানি পণ্য হচ্ছে পোশাক, খেলাধুলা ও অবকাশযাপনের সামগ্রী ও ব্রোঞ্জ স্ক্র্যাপ। দ. কোরিয়ায় মোট রফতানির ৮১ শতাংশ জুড়ে থাকে দেশে তৈরি পোশাক। গত বছরের তুলনায় চলতি বছর পোশাক রফতানির পরিমাণ বেড়েছে ৩২ দশমিক ৪ শতাংশ, যা মূল্যমানে ৪৪ কোটি ২০ লাখ ডলার সমপরিমাণ। পাশাপাশি খেলাধুলা ও অবকাশকালীন সামগ্রীর রফতানি বেড়েছে ৯২ শতাংশ, যা মূল্যমানে ৩০ কোটি ৩০ লাখ ডলার সমপরিমাণ। এ সময় ব্রোঞ্জ স্ক্র্যাপ রফতানি ১৭৫ শতাংশ বেড়েছে, যা মূল্যমানে ৯১ লাখ ৪০ হাজার ডলার সমপরিমাণ।

২০১১ সালে বাংলাদেশে দ. কোরিয়ার রফতানির পরিমাণ ছিল প্রায় ১৬৩ কোটি ডলার। কয়েক বছর ধরে তা ১২০ কোটি ডলারে থেমে ছিল। ২০২০ সালে তা ১০৩ কোটি ডলারে নেমে আসে। তবে চলতি বছরের শেষদিকে বাংলাদেশে দ. কোরিয়ার রফতানির পরিমাণ ২০১১ সালের স্তরকে অতিক্রম করে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বাংলাদেশে দ. কোরিয়ার প্রধান রফতানি পণ্য হচ্ছে যন্ত্রপাতি, পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য, ইস্পাত ও কীটনাশক। এ সময় দ. কোরিয়ার যন্ত্রপাতি রফতানি ১০৭ শতাংশ বেড়ে ২৯ কোটি ৭০ লাখ ডলারে দাঁড়িয়েছে। পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য ২৭ কোটি ৯০ লাখ ডলার সমপরিমাণ বা ৬৪ দশমিক ২ শতাংশ বেড়েছে। ইস্পাত রফতানি বেড়েছে ৪৫ দশমিক ৭ শতাংশ বা ১৯ কোটি ডলার। একই সময়ে কীটনাশক রফতানি বেড়েছে ৬৮ শতাংশ বা ৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার।

কোরিয়া প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রদূত লি জাং-গুণ বলেন, এ বছরটিতে কভিড-১৯ মহামারীর চ্যালেঞ্জগুলো কাটিয়ে উঠতে দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন রাখবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে বাংলাদেশ দ. কোরিয়ার অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য নীতির সুবিধা নেবে, যা ২০০৮ সাল থেকে দ. কোরিয়ার বাজারে ৯৫ শতাংশ পণ্য শুল্ক ও কোটামুক্ত প্রবেশাধিকার প্রদান করে আসছে।

 

সম্পর্কিত খবর