শিরোনাম
icon ডেঙ্গুতে আরও ১১ মৃত্যু, ভর্তি ২,০৭১ icon অর্থছাড়ে শীর্ষে আইডিএ ও এডিবি icon শ্যালিকাকে বিয়ে করে বাড়িছাড়া মাসুদ icon সূচকের পতনে লেনদেন ৪০৩ কোটি টাকার icon ঢাকা ও চট্টগ্রামে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন icon সিকদার ইন্স্যুরেন্সের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা icon পদ্মা অয়েলের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা icon কপারটেকের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ক্রাউন সিমেন্টের লভ্যাংশ ঘোষণা icon তসরিফা ইন্ডাস্ট্রিজের লভ্যাংশ ঘোষণা icon বেঙ্গল উইন্ডসোর লভ্যাংশ ঘোষণা icon রহিম টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon কফির কাপে ক্যাজুয়াল লুকে পূর্ণিমা icon জাপানি ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর icon কে এন্ড কিউয়ের লভ্যাংশ ঘোষণা icon রানার অটোমোবাইলসের লভ্যাংশ ঘোষণা icon এডভেন্ট ফার্মার লভ্যাংশ ঘোষণা icon সাইনপুকুর সিরামিকসের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৪৩ icon দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে তারেক রহমান-সানায়ে তাকাইচি icon আস্থা লাইফের ২৮ লাখ টাকার বীমা দাবি নিষ্পত্তি icon প্রোটেক্টিভ ইসলামী লাইফের ৫ লাখ টাকার মৃত্যুদাবির চেক হস্তান্তর icon রমজানের আগে নিত্যপণ্যের আমদানি ও এলসি বৃদ্ধি icon জনতা, অগ্রণী ও বেসিক ব্যাংকে নতুন এমডি icon ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, ভর্তি ২২১৮
down of head

৪ বছর পর মুনাফায় আরামিট সিমেন্ট, তবুও নেই লভ্যাংশ

২০১৬ সালের পর প্রথমবারের মতো মুনাফা করতে পারলেও এবারও বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ না দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সিমেন্ট কোম্পানি আরামিট।

গত ৩০ জুন সমাপ্ত অর্থবছরের হিসাব পর্যালোচনা করে বৃহস্পতিবার কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ এ সিদ্ধান্ত নেয়।

লভ্যাংশ না পেলেও শেয়ারপ্রতি ৬০ পয়সা আয় করতে পারাটাই এই কোম্পানির বিনিয়োগকারীরা কিছুটা হলেও স্বস্তিতে পেতে পারেন। এর আগে ২০১৭ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত টানা চার বছর লোকসান দিয়েছিল কোম্পানিটি।

এর মধ্যে ২০১৭ সালে শেয়ারপ্রতি ২ টাকা ৯৭ পয়সা, পরের বছর শেয়ারপ্রতি ৪ টাকা ৫৬ পয়সা, ২০১৯ সালে শেয়ারে ৫ টাকা ১৫ পয়সা এবং গত বছর একেকটি শেয়ারের বিপরীতে ৬ টাকা ৮৬ পয়সা লোকসান দেয়ার তথ্য আছে ডিএসইতে কোম্পানিটির আর্থিক হিসাবে।

তবে এবারের আর্থিক প্রতিবেদনে গত বছরের লোকসান দেখানো হয়েছে শেয়ার প্রতি ৫ টাকা ৭১ পয়সা।

কোম্পানিটি সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকেও লোকসান দিয়েছিল শেয়ারপ্রতি ১ টাকা ৩২ পয়সা। তবে দ্বিতীয় প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি ১ টাকা ৯ পয়সা আয় করতে পারে। এরপর তৃতীয় প্রান্তিকে আয় হয় আরও ৭২ পয়সা।

তিন প্রান্তিক শেষে শেয়ারে ৪৮ পয়সা মুনাফা হওয়ার পর বিনিয়োগকারীরা চতুর্থ প্রান্তিকের আয় যোগ হওয়ায় লভ্যাংশের প্রত্যাশায় ছিলেন।

মুনাফায় ফেরায় লভ্যাংশের আশায় কোম্পানিটির শেয়ার দরে গত এক বছরে উল্লম্ফন হয়েছে। এই সময়ে শেয়ারদর সর্বনিম্ন ১৩ টাকা ২০ পয়সা থেকে ৬৪ টাকা পর্যন্ত ওঠে। তবে সর্বোচ্চ অবস্থান থেকে কিছুটা কমে লভ্যাংশ ঘোষণার দিন দাম দাঁড়িয়েছে ৫৯ টাকা ১০ পয়সা।

গত এক বছরে কোম্পানিটির শেয়ার দর ২৬ টাকা ৭০ পয়সা থেকে ৪৭ টাকা ৫০ পয়সা পর্যন্ত ওঠানামা করেছে। পরে অবশ্য দাম কমে। লভ্যাংশ ঘোষণার দিন শেয়ার দর ছিল ৩৭ টাকা ৯০ পয়সা।

কোম্পানিটি মুনাফায় ফেরার পাশাপাশি সম্পদমূল্যও বেড়েছে। গত বছর জুন শেষে শেয়ারপ্রতি সম্পদ ছিল ২৭ টাকা ৯১ পয়সার। এবার তা হয়েছে ২৯ টাকা ১৩ পয়সা।

কোম্পানিটি লভ্যাংশসংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করেছে আগামী ২৪ নভেম্বর। লভ্যাংশ অনুমোদনের জন্য বার্ষিক সাধারণ সভা ডাকা হয়েছে আগামী ২৩ ডিসেম্বর।

সম্পর্কিত খবর