শিরোনাম
icon নভেম্বরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ : সিইসি icon লভ্যাংশ দেবে না আজিজ পাইপস icon সামিট পাওয়ারের লভ্যাংশ ঘোষণা icon বিডি অটোকার্সের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ইভেন্স টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ইউনাইটেড পাওয়ারের লভ্যাংশ ঘোষণা icon লোকসানেও আলহাজ্ব টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon উপকূল পেরিয়ে দুর্বল হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব icon বেতন দিতে বিশেষ ঋণ নিচ্ছে সরকার icon আবারও বাড়ল সোনার দাম icon জাপানে আন্তর্জাতিক সেমিনারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করলেন জেনিথ লাইফের সিইও icon বাংলাদেশে ১ ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগের ঘোষণা icon গ্রীষ্মের আগে ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ icon দরপতনের শীর্ষে মীর আক্তার হোসেন icon ডেঙ্গুতে আরও ১১ মৃত্যু, ভর্তি ২,০৭১ icon অর্থছাড়ে শীর্ষে আইডিএ ও এডিবি icon শ্যালিকাকে বিয়ে করে বাড়িছাড়া মাসুদ icon সূচকের পতনে লেনদেন ৪০৩ কোটি টাকার icon ঢাকা ও চট্টগ্রামে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন icon সিকদার ইন্স্যুরেন্সের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা icon পদ্মা অয়েলের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা icon কপারটেকের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ক্রাউন সিমেন্টের লভ্যাংশ ঘোষণা icon তসরিফা ইন্ডাস্ট্রিজের লভ্যাংশ ঘোষণা icon বেঙ্গল উইন্ডসোর লভ্যাংশ ঘোষণা
down of head

সরকার ব্যতীত অন্যদের শেয়ার ধারণ অপরিবর্তিত থাকবে

সম্প্রতি ইকুইটি বা মূলধন বাবদ নেয়া শেয়ার মানি ডিপোজিটের বিপরীতে সরকারের অনুকূলে শেয়ার ইস্যুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল)। পাশাপাশি প্রণোদনা হিসেবে কর্মীদেরও শেয়ার দিতে চায় কোম্পানিটি। এ বিষয়ে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির মতামত জানতে চেয়েছিল বিএসসিসিএল। এর জবাবে কমিশন জানিয়েছে, সরকার ও কোম্পানিটির কর্মীদের অনুকূলে শেয়ার ইস্যু করার ক্ষেত্রে অন্য বিনিয়োগকারীদের শেয়ার ধারণ অপরিবর্তিত থাকতে হবে।

গতকাল বিএসসিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে কমিশনের পক্ষ থেকে এ-সংক্রান্ত একটি মতামত পাঠানো হয়েছে। বিএসইসির সহকারী পরিচালক মো. মেহেদী হাসান রনি স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, সরকার কর্তৃক বিএসসিসিএলকে দেয়া ১৬৬ কোটি টাকার ইকুইটি ফান্ড কমিশনের অনুমোদনক্রমে কোম্পানি সরকারের অনুকূলে ইস্যু করতে পারবে। ইস্যু করা এ শেয়ার থেকে সরকার বিএসসিসিএলের কর্মীদের প্রণোদনা হিসেবে ন্যূনতম ১০ শতাংশ শেয়ার অভিহিত মূল্যে কিংবা যেকোনো মূল্যে হস্তান্তর করতে পারে। তবে এসব প্রক্রিয়ার কারণে সরকার ছাড়া অন্য বিনিয়োগকারীদের বর্তমান শেয়ার ধারণের পরিমাণ ২৬ দশমিক ১৬ শতাংশে স্থিতিশীল থাকবে। এক্ষেত্রে কোম্পানিটিকে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণের জন্য পাবলিক ইস্যু রুলস ২০১৫ এবং শেয়ার হস্তান্তর সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিধিবিধান অনুসারে কমিশনের অনুমোদনের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করতে পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত টেলিযোগাযোগ খাতের কোম্পানিটি ২০১৫-১৬ অর্থবছরে সরকারের কাছ থেকে ইকুইটি হিসেবে তিন কিস্তিতে ১৪০ কোটি টাকা নেয়। এরপরের অর্থবছরে তিন কিস্তিতে নেয়া হয় আরো ২৬ কোটি টাকা। দুই অর্থবছরে কোম্পানিটি ইকুইটি হিসেবে সরকারের কাছ থেকে ১৬৬ কোটি টাকা গ্রহণ করে। এ শেয়ারমানি ডিপোজিটের বিপরীতে শেয়ার ইস্যু করবে বিএসসিসিএল। এর মধ্যে ২০১৫-১৬ অর্থবছরের নেয়া টাকার বিপরীতে ১ কোটি ২৭ লাখ ৪ হাজার ১৭৪টি শেয়ার ইস্যু করা হবে। যার প্রতিটির অভিহিত মূল্য হবে ১০ টাকা। অর্থবছরের শেষ কার্যদিবসের বাজারমূল্য বিবেচনায় যার ইস্যু মূল্য হবে ১১০ টাকা ২০ পয়সা। একইভাবে ২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রাপ্ত ২৬ কোটি টাকার বিপরীতে ২১ লাখ ৬৪ হাজার ৮৩৬টি শেয়ার ইস্যু করা হবে। যার অভিহিত মূল্য হবে ১০ টাকা। ওই অর্থবছরের শেষ কার্যদিবসের বাজারমূল্য বিবেচনায় যার ইস্যু মূল্য হবে ১২০ টাকা ১০ পয়সা। শেয়ারমানি ডিপোজিটের বিপরীতে সব মিলিয়ে সরকারের অনুকূলে ১ কোটি ৪৮ লাখ ৬৯ হাজার ৩৭টি শেয়ার ইস্যু করবে বিএসসিসিএল।

২০১২ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া কোম্পানিটির মোট শেয়ার সংখ্যা ১৬ কোটি ৪৯ লাখ ৫ হাজার ৫১০। এর মধ্যে সরকারের কাছে রয়েছে ৭৩ দশমিক ৮৪ শতাংশ শেয়ার। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৬ দশমিক শূন্য ৫, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে ২ দশমিক ৭৩ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৭ দশমিক ৩৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

সম্পর্কিত খবর