রফতানি বাড়াতে জার্মানি সফরে বিজিএমইএ প্রতিনিধিরা
একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের পোশাক পণ্যের দ্বিতীয় বৃহত্তম রফতানি বাজার জার্মানি। গত অর্থবছরে দেশটিতে রফতানি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৭ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের ১০ মাসেই রফতানি হয়েছে ৫৯৭ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার ডলারের পোশাক। প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২৮ দশমিক ৯১ শতাংশ। জার্মানিতে রফতানি আরো বাড়ানোর পাশাপাশি প্রবৃদ্ধি টেকসই করতে চাইছে খাতসংশ্লিষ্টরা। এ লক্ষ্যে জার্মানি সফরে যাচ্ছে পোশাক পণ্যের প্রস্তুত ও রফতানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএর প্রতিনিধি দল। প্রতিনিধি দল জার্মান ডিউ ডিলিজেন্স এবং সাপ্লাই চেইন আইন ২০২১, প্রবণতা ও টেকসই উদ্যোগ এবং জিএসপি নিয়ে আলোচনা করবে।
বিজিএমইএ জানিয়েছে, সভাপতি ফারুক হাসানের নেতৃত্বে বিজিএমইএর উচ্চ পর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল ১-৩ জুন জার্মানি সফর করবে। সফরকালে তারা ফেডারেল মিনিস্ট্রি ফর ইকোনমিক অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড ক্লাইমেট অ্যাকশন এবং ফেডারেল মিনিস্ট্রি ফর ইকোনমিক কো-অপারেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। জার্মানি এশিয়া-প্যাসিফিক বিজনেস অ্যাসোসিয়েশন (ওএভি), ভিএফআই-জার্মান ইমপোর্টার্স এবং জার্মানিস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের বাণিজ্যিক শাখার যৌথ আয়োজনে হামবুর্গে অনুষ্ঠিতব্য একটি টেক্সটাইল গোলটেবিল বৈঠকেও তারা যোগদান করবেন। এছাড়া প্রতিনিধি দলটি জার্মান ব্র্যান্ড, বিজনেস অ্যাসোসিয়েশনের
সঙ্গে দেখা করবেন এবং এএমডি হামবুর্গ একাডেমি অব ফ্যাশন অ্যান্ড ডিজাইন পরিদর্শন করবেন। পুরো প্রোগ্রামটি জার্মানির বাংলাদেশ দূতাবাসের বাণিজ্যিক শাখা (কমার্শিয়াল উইং) সমন্বয় করবে।
বিজিএমইএ প্রতিনিধি দলের সফর প্রসঙ্গে জার্মানির বার্লিনের বাংলাদেশ দূতাবাসের কমার্শিয়াল কাউন্সিলর সাইফুল ইসলাম বলেন, জার্মানি বাংলাদেশের দ্বিতীয় রফতানির গন্তব্যস্থল। বিজিএমইএর প্রতিনিধি দলের এ সফরে জার্মানির দুটি ফেডারেল মিনিস্ট্রির সঙ্গে বৈঠকের পাশাপাশি একটি টেক্সটাইল রাউন্ড টেবিলে অংশগ্রহণ করবে। ওই রাউন্ড টেবিলে বিভিন্ন ইউরোপিয়ান ও ইন্টারন্যাশনাল ব্র্যান্ডের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করবেন।



