শিরোনাম
icon সূচকের পতনে লেনদেন ৪০৩ কোটি টাকার icon ঢাকা ও চট্টগ্রামে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন icon সিকদার ইন্স্যুরেন্সের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা icon পদ্মা অয়েলের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা icon কপারটেকের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ক্রাউন সিমেন্টের লভ্যাংশ ঘোষণা icon তসরিফা ইন্ডাস্ট্রিজের লভ্যাংশ ঘোষণা icon বেঙ্গল উইন্ডসোর লভ্যাংশ ঘোষণা icon রহিম টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon কফির কাপে ক্যাজুয়াল লুকে পূর্ণিমা icon জাপানি ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর icon কে এন্ড কিউয়ের লভ্যাংশ ঘোষণা icon রানার অটোমোবাইলসের লভ্যাংশ ঘোষণা icon এডভেন্ট ফার্মার লভ্যাংশ ঘোষণা icon সাইনপুকুর সিরামিকসের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৪৩ icon দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে তারেক রহমান-সানায়ে তাকাইচি icon আস্থা লাইফের ২৮ লাখ টাকার বীমা দাবি নিষ্পত্তি icon প্রোটেক্টিভ ইসলামী লাইফের ৫ লাখ টাকার মৃত্যুদাবির চেক হস্তান্তর icon রমজানের আগে নিত্যপণ্যের আমদানি ও এলসি বৃদ্ধি icon জনতা, অগ্রণী ও বেসিক ব্যাংকে নতুন এমডি icon ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, ভর্তি ২২১৮ icon লেনদেনের শীর্ষে প্রাইম ব্যাংক icon হাম উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু icon ঢাকা ইন্স্যুরেন্সের বোর্ড সভা ২৯ অক্টোবর
down of head

মে মাসে সিরামিক বাদে সব খাতেই নেতিবাচক রিটার্ন

দেশের পুঁজিবাজারে গত মাসে বড় পতন হয়েছে। বিশেষ করে এ মাসের মাঝামাঝি সময়ে প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক সূচক ডিএসইএক্সে বড় পতন দেখা গেছে। পতন ঠেকাতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এ উদ্যোগের ফলে মাসের শেষ সপ্তাহে অস্থিরতা কেটে বাজার কিছুটা ইতিবাচক অবস্থানে ফিরলেও পুরো মাসের পতন মোকাবেলা সম্ভব হয়নি। ওই মাসে কেবল সিরামিক বাদে সব খাতেই নেতিবাচক রিটার্ন এসেছে।

তথ্য অনুযায়ী, মে মাসে সবচেয়ে বেশি নেতিবাচক রিটার্ন এসেছে ভ্রমণ ও অবকাশ খাত থেকে। এ খাতের নেতিবাচক রিটার্ন ছিল ১০ দশমিক ৮ শতাংশ। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১০ দশমিক ৪ শতাংশ নেতিবাচক রিটার্ন ছিল কাগজ ও মুদ্রণ খাতের। তৃতীয় অবস্থানে নেতিবাচক রিটার্ন এসেছে সাধারণ বীমা খাত থেকে। এ খাত থেকে ৯ দশমিক ৮ শতাংশ নেতিবাচক রিটার্ন এসেছে মে মাসে। সিমেন্ট খাত থেকে গত মাসে ৯ দশমিক ৪ শতাংশ নেতিবাচক রিটার্ন এসেছে। পরের অবস্থানে থাকা তথ্য ও প্রযুক্তি খাত থেকে নেতিবাচক রিটার্ন এসেছে ৯ দশমিক ৩ শতাংশ। মে মাসে জীবন বীমা খাত থেকে ৭ দশমিক ৮ শতাংশ নেতিবাচক রিটার্ন এসেছে। চামড়া খাত থেকে এসেছে ৭ দশমিক ৬ শতাংশ নেতিবাচক রিটার্ন।

এছাড়া বিবিধ খাত থেকে ৬ দশমিক ৪ শতাংশ, প্রকৌশল খাত থেকে ৬, টেলিযোগাযোগ খাত থেকে ৫ দশমিক ৩, সেবা ও আবাসন খাত থেকে ৪ দশমিক ৯, খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাত থেকে ৪ দশমিক ৮, পাট খাত থেকে ৩ দশমিক ৭, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত থেকে ২ দশমিক ৬ ও মিউচুয়াল ফান্ড থেকে ২ দশমিক ১ শতাংশ নেতিবাচক রিটার্ন এসেছে মে মাসে। বাকি খাতগুলোর মধ্যে বস্ত্র, ওষুধ ও রসায়ন, ব্যাংক এবং আর্থিক খাত থেকে যথাক্রমে ১ দশমিক ৮, ১ দশমিক ৫, ১ দশমিক ৫ ও ১ দশমিক ১ শতাংশ হারে নেতিবাচক রিটার্ন এসেছে গত মাসে। অন্যদিকে কেবল সিরামিক খাত থেকে ৬ দশমিক ৩ শতাংশ ইতিবাচক রিটার্ন এসেছে মে মাসে।

এদিকে ঈদুল ফিতরের পর লেনদেন শুরুর পর থেকেই ডিএসইর সার্বিক সূচক ডিএসইএক্সসহ সবগুলো সূচক কমতে থাকে। সূচকের পতন থামাতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি বিভিন্ন উদ্যোগ নিলেও তাতে সাড়া মিলছিল না। শেষে শেয়ারদর কমার নিম্নসীমা পুনরায় ২ শতাংশ নির্ধারণসহ বেশকিছু পদক্ষেপে মে মাসের শেষ সপ্তাহে উত্থানে ফিরেছে পুঁজিবাজার। কিন্তু শেষ সপ্তাহের উত্থান পুরো মাসের পতন ছাড়িয়ে যেতে পারেনি। ফলে মে মাসে ডিএসইএক্স সূচক কমেছে ৩ দশমিক ৯ শতাংশ। তবে গত মাসে ডিএসইর দৈনিক গড় লেনদেন আগের মাসের তুলনায় ২৬ শতাংশের বেশি বেড়েছে।

ডিএসইতে মে মাসে দৈনিক গড় লেনদেন ছিল ৮০৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা। আগের মাসে এ লেনদেন ছিল ৬৩৭ কোটি ১০ লাখ টাকা। সে হিসাবে এক মাসের ব্যবধানে এক্সচেঞ্জটির দৈনিক গড় লেনদেন বেড়েছে ১৬৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা বা ২৬ দশমিক ১ শতাংশ। আলোচ্য মাসে এক্সচেঞ্জটির লেনদেন বৃদ্ধিতে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছে ওষুধ ও রসায়ন খাত। এছাড়া বস্ত্র, খাদ্য ও আনুষঙ্গিক, ব্যাংক, সিরামিকস, সেবা ও আবাসন, চামড়া এবং ভ্রমণ ও অবকাশ খাতের লেনদেনও গত মাসে বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে টেলিযোগাযোগ খাত, মিউচুয়াল ফান্ড ও পাট খাতের লেনদেন মে মাসে কমেছে।

গত মাসে দৈনিক গড় লেনদেনে শীর্ষ দশ কোম্পানির তালিকায় প্রথমে রয়েছে বাংলাদেশ এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট কোম্পানি (বেক্সিমকো) লিমিটেড। কোম্পানিটির গড় লেনদেন ছিল ৪৫ কোটি ৭০ লাখ টাকা। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা জেএমআই হসপিটাল রিকুইজিট ম্যানুফ্যাকচারিংয়ের দৈনিক গড় লেনদেন ছিল ৩০ কোটি ৫০ লাখ টাকা। এ তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে শাইনপুকুর সিরামিকস লিমিটেড। কোম্পানিটির দৈনিক গড় লেনদেন ছিল ২৬ কোটি টাকা। পরের অবস্থানে থাকা আইপিডিসি ফাইন্যান্সের দৈনিক গড় লেনদেন ছিল ২৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা। গত মাসে এসিআই ফর্মুলেশনসের দৈনিক গড় লেনদেন ছিল ১৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা। মে মাসে দৈনিক গড় লেনদেনের শীর্ষে থাকা বাকি কোম্পানিগুলো হলো ওরিয়ন ফার্মাসিউটিক্যালস, ফরচুন সুজ, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন, আরডি ফুড ও ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টস লিমিটেড।

মে মাসে ডিএসইর সার্বিক মূল্য-আয় অনুপাত (পিই রেশিও) ছিল ১৩ দশমিক ৫। এর থেকে নিচে পিই রেশিও ছিল কেবল বিবিধ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি এবং ব্যাংক খাতে। খাতগুলোতে যথাক্রমে পিই রেশিও ছিল ১১ দশমিক ৮, ১১ ও ৭ দশমিক ৫। অন্যদিকে গত মাসে সবচেয়ে বেশি পিই রেশিও ছিল চামড়া খাতে। এ খাতের পিই রেশিও ছিল ৩৩ দশমিক ২।

সম্পর্কিত খবর